খুঁজুন
                               
, ,
           

নাসার নতুন মিশন, আইএসএসে চার নভোচারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
নাসার নতুন মিশন, আইএসএসে চার নভোচারী

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পৌঁছেছে চার সদস্যের নতুন একটি মহাকাশচারী দল। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্পেসএক্সের ড্রাগন ক্যাপসুলে করে তারা মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে ডকিং সম্পন্ন করেন। সেখানে তারা প্রায় ছয় মাস অবস্থান করবেন।

নতুন ক্রু সদস্যরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের জেসিকা ওয়াটকিন্স ও লুক ডেলানি, কানাডার জোশুয়া কুটরিক এবং রাশিয়ার সের্গেই তেরেতিয়াতনিকভ।

৭ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে আইএসএসে পৌঁছাল ক্যাপসুল

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে ক্রু-১৩ মিশনের চার সদস্যকে নিয়ে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের ৭ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট পর স্পেসএক্সের ‘গ্রেস’ নামের ড্রাগন ক্যাপসুলটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের একটি ডকিং পোর্টে যুক্ত হয়।

নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি কোনো মার্কিন মহাকাশযানের আইএসএসে পৌঁছানোর সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের রেকর্ড।

নাসা টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, ঘণ্টায় প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মাইল বা ২৮ হাজার ১৬৩ কিলোমিটার বেগে মহাকাশে ছুটতে থাকা ক্যাপসুলটি ধীরে ধীরে আইএসএসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ডকিং সম্পন্ন হওয়ার পর মাটিতে থাকা নিয়ন্ত্রণকক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, ড্রাগনের ‘হার্ড ক্যাপচার’ সম্পন্ন হয়েছে।

এরপর ক্যাপসুলের হ্যাচ বা দরজা খুলে নতুন চার সদস্য চাপ-নিয়ন্ত্রিত সংযোগপথ দিয়ে মহাকাশ স্টেশনে প্রবেশ করবেন।

লিকের কারণে পিছিয়েছিল উৎক্ষেপণ

ক্রু-১৩ দলের মূলত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আইএসএসে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ড্রাগন ক্যাপসুলে একটি লিক ধরা পড়ায় তাদের উৎক্ষেপণ পিছিয়ে দেওয়া হয়।

মহাকাশযান উৎক্ষেপণের পর আইএসএসে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে, তা মহাকাশ স্টেশনের অবস্থান ও উৎক্ষেপণের সময় ক্যাপসুলটি স্টেশন থেকে কতটা দূরে ছিল—এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে উৎক্ষেপণ করা সর্বশেষ একটি ক্রুকে আইএসএসে পৌঁছাতে ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।

পুরোনো ক্রুর কাছ থেকে দায়িত্ব নেবে নতুন দল

ক্রু-১৩ দল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা বর্তমান ক্রু-১২ দলের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবে।

ক্রু-১২ দলের সদস্যরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের জেসিকা মেয়ার ও জ্যাক হ্যাথাওয়ে, ফ্রান্সের সোফি আদেনো এবং রাশিয়ার আন্দ্রেই ফেদায়েভ।

আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ক্রু-১২ দলের সদস্যরা আগামী সোমবারের মধ্যে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারেন।

২০৩০ সালের দিকে শেষ হতে পারে আইএসএসের যাত্রা

প্রায় ২৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনটিতে নিয়মিতভাবে মানুষের বসবাস ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলছে। তবে পুরোনো হয়ে যাওয়া এই মহাকাশ স্টেশনকে ২০৩০ সালের দিকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে পৃথিবীর কোনো একটি মহাসাগরে পতন করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চুক্তিতে টানাপোড়েন তৈরি হলেও আইএসএসকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও অন্যান্য অংশীদার দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

নতুন ক্রু-১৩ দলের ছয় মাসের মিশনেও মহাকাশ গবেষণা ও স্টেশনের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসএ

জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৯টায় টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

এর আগে রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, দেশটির বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

সফরে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্ব পাবে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর করা, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া বাংলাদেশে জাপানি শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সফরকালে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা, বেসামরিক বিমান চলাচল, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিন থেকে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাপানের ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাপানের বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি।

এ ছাড়া সফরের অংশ হিসেবে চিবা অঞ্চলের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর সদর দপ্তর এবং নাগোয়ার টয়োটা কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে।

এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে জাপানের শিল্পপ্রযুক্তি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন খাত সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টা, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ ছাড়া প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মুস্তাকুর রহমান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা

স্বাধীনতার পর থেকেই জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি জাপান সফরে সফরসঙ্গী হচ্ছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি জাপানে অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাওয়ার বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’

পোস্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তোলা একটি ছবিও শেয়ার করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এ সফরে জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক, জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো সফরে গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প খাত সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা রয়েছে।

চার দিনের সফর শেষে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ