খুঁজুন
                               
, ,
           

হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে কল

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে কল

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সুবিধা নিয়ে এসেছে মেটা। এখন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট না থাকলেও এই প্ল্যাটফর্মের কলিং সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। নতুন ‘গেস্ট কলিং’ সুবিধার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টধারীরা কলের লিংক তৈরি করে অন্যদের আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন। আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকেই সেই লিংকে প্রবেশ করে কলে যুক্ত হতে পারবেন।

মেটা জানিয়েছে, নতুন এই সুবিধার ফলে সহকর্মী, সহপাঠী কিংবা শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা আরও সহজ হবে। যাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নেই, তাঁরাও আমন্ত্রণ পেলে ব্যক্তিগত ও গ্রুপ কলে অংশ নিতে পারবেন। এ জন্য তাঁদের আলাদা করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে না।

অ্যাকাউন্ট ছাড়াই কীভাবে কলে যুক্ত হবেন?

গেস্ট কলিং সুবিধা ব্যবহার করতে হোয়াটসঅ্যাপের ‘কলস’ ট্যাবে গিয়ে ‘+’ আইকনে চাপ দিতে হবে। এরপর একটি কল লিংক তৈরি করে যাঁদের সঙ্গে কথা বলতে চান, তাঁদের কাছে পাঠাতে হবে।

আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা কম্পিউটারের ব্রাউজারে লিংকটি খুলে নিজের নাম লিখে কলে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাতে পারবেন। তবে কলের আয়োজক অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা কলে প্রবেশ করতে পারবেন না। গেস্ট হিসেবে সর্বোচ্চ ৩২ জনের অংশগ্রহণে ব্যক্তিগত বা গ্রুপ কল করা যাবে।

এ সুবিধায় একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—কল লিংক তৈরি করতে হলে অবশ্যই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। অর্থাৎ, অ্যাকাউন্ট ছাড়া ব্যবহারকারীরা কলে যোগ দিতে পারবেন, কিন্তু নিজেরা কল লিংক তৈরি করতে পারবেন না।

গেস্টদের জন্য থাকছে নিরাপত্তাব্যবস্থা

গেস্ট কলিং সুবিধায় অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো গেস্ট সরাসরি কলে প্রবেশ করতে পারবেন না; আয়োজকের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি পাওয়ার আগপর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষমাণ কক্ষে থাকবেন। প্রয়োজনে আয়োজক যেকোনো সময় কোনো গেস্টকে কল থেকে সরিয়ে দিতে পারবেন।

এ ছাড়া গেস্টরা কলের অন্য অংশগ্রহণকারীদের ফোন নম্বর দেখতে পারবেন না। তাঁরা কলের মধ্যে বার্তা পাঠাতে কিংবা সরাসরি অন্য কাউকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন না।

মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, গেস্ট কলেও বিনা মূল্যে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা থাকবে। ফলে কলের কথোপকথন সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা বজায় থাকবে। এ ছাড়া কলের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না।

স্ক্রিন শেয়ারিং ও ইমোজি ব্যবহারের সুযোগ

গেস্ট হিসেবে কলে যোগ দিলেও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটারের স্ক্রিন শেয়ার করে অন্যদের সঙ্গে কাজ করা বা কোনো নথি পর্যালোচনা করা।

এ ছাড়া থাম্বস-আপ বা হার্টের মতো ইমোজির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানানো এবং কথা বলার জন্য হাত তোলার সুবিধাও থাকবে। ফলে অনলাইন ক্লাস, দলীয় আলোচনা কিংবা কর্মক্ষেত্রের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এ সুবিধা কাজে লাগতে পারে।

গুগল ও আউটলুক ক্যালেন্ডার থেকেও করা যাবে কল

গেস্ট কলিংয়ের পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ দিকে নতুন ক্যালেন্ডার ইন্টিগ্রেশন চালুর পরিকল্পনা জানিয়েছে মেটা। এর মাধ্যমে গুগল ক্যালেন্ডার বা আউটলুক ক্যালেন্ডার থেকেই সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কল তৈরি করা যাবে।

এ জন্য ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ প্লাগইন ইনস্টল করে নিজেদের অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করতে হবে। এরপর ক্যালেন্ডারে কোনো অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ তৈরি করার সময় হোয়াটসঅ্যাপ কলের লিংক যুক্ত করা যাবে। আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থাকুক বা না থাকুক, সেই লিংকের মাধ্যমে কলে যোগ দিতে পারবেন।

মেটা জানিয়েছে, চলতি বছরে হোয়াটসঅ্যাপের কলিং সুবিধায় যেসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে, নতুন গেস্ট কলিং ও ক্যালেন্ডার ইন্টিগ্রেশন তারই অংশ। এসব সুবিধার লক্ষ্য হলো, ব্যবহারকারীরা যেন বিভিন্ন ডিভাইস ও পরিস্থিতিতে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন।

কালের আলো/এএন/এসএ

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নারায়ণগঞ্জে মাঠে ৬২ বিজিবি

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নারায়ণগঞ্জে মাঠে ৬২ বিজিবি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ শহরের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ১৬ অক্টোবর থেকে নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৬২ বিজিবি) সদস্যরা এ নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ৬২ বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিন নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়ায় রামকৃষ্ণ মিশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা মোহাম্মদ আরাফাত।

বিজিবি জানায়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ জন্য একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনার আওতায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপূজা ঘিরে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধেও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও প্রস্তুত থাকবেন বিজিবি সদস্যরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা, সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তিনি সবাইকে গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু নজরে এলে দ্রুত বিজিবি ব্যাটালিয়ন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দময় হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন ৬২ বিজিবির অধিনায়ক।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

উড়োজাহাজ থেকে বেল্ট পর্যন্ত লাগেজের গতিবিধি দেখবেন যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
উড়োজাহাজ থেকে বেল্ট পর্যন্ত লাগেজের গতিবিধি দেখবেন যাত্রীরা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহি বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এর অংশ হিসেবে বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো থেকে শুরু করে নির্ধারিত বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে পারবেন যাত্রীরা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেবিচক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লাগেজ ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুবিধার্থে বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় এসব ক্যামেরা ও মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত কার্যক্রমের দৃশ্য মনিটরে সরাসরি প্রদর্শিত হবে।

বেবিচক আশা করছে, এ ব্যবস্থার ফলে যাত্রীরা তাঁদের লাগেজের গতিবিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। একই সঙ্গে লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়বে। লাগেজ পেতে বিলম্ব কিংবা ব্যবস্থাপনার কোনো ধাপে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা পর্যবেক্ষণেও এ উদ্যোগ সহায়ক হতে পারে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি যাত্রীরা যাতে ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে নিজেদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবা সম্প্রসারণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বেবিচকের মতে, দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রধান তথ্য কমিশনার পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
প্রধান তথ্য কমিশনার পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম

তথ্য কমিশনের নতুন প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তাঁকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খাদিজা তাহেরা ববি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানকে প্রধান তথ্য কমিশনার পদে নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এ পদে তাঁর পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরকার নির্ধারণ করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান দুই দশকের বেশি সময় ধরে গবেষণা, শিক্ষকতা ও নীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে জার্মানির মারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশনীতি ও পরিবেশগত বিরোধ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এ ছাড়া অস্ট্রিয়ার বোকু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেন্ডার স্টাডিজে ডিপ্লোমা অর্জন করেন তিনি।

বর্তমানে অধ্যাপক নাহরিন মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ উন্নয়ন ও সম্পাদনার কাজে যুক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘হিট’ প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গবেষণা ও নীতিবিষয়ক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন অধ্যাপক নাহরিন। তিনি কানাডাভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘কনফ্লিক্ট অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিআরআরআইসি)-এর পরিচালক। এ ছাড়া বৈশ্বিক পরিবেশগত ন্যায়বিচারবিষয়ক প্রকল্প ‘রুলস অব ল অন আর্থ’-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গবেষণা ও শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে অনুষ্ঠান প্রযোজনা, উপস্থাপনা এবং লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন তিনি।

তাঁর এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে তথ্য কমিশনের নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব শুরু হতে যাচ্ছে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং নাগরিকের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধান তথ্য কমিশনারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি