খুঁজুন
                               
, ,
           

শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত চান্দিনার কৃষকরা

কুমিল্লা সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত চান্দিনার কৃষকরা

শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লার চান্দিনায় আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতে বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় টমেটোসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন তারা। কেউ জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ চারা রোপণ করছেন, আবার কেউ ব্যস্ত রয়েছেন পরিচর্যায়। তবে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি বছর চান্দিনায় ১ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে ৪৩ হাজার ৭৫৫ মেট্রিক টন শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৫৮ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছে।

উপজেলার এতবারপুর, বাড়েরা, মাইজখার, চিলোড়া, এওয়াজবন্দ ও পূর্ব অম্বরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মাঠজুড়ে এখন কৃষকদের কর্মব্যস্ততা। টমেটো, শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপির আবাদে বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে জমিতে নেমে পড়ছেন পরিচর্যার কাজে।

কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়া যায়। এ সময় সরবরাহ কম থাকায় চাহিদাও বেশি থাকে। ফলে উৎপাদন ভালো হলে লাভের সম্ভাবনা তৈরি হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসতে শুরু করবে এসব সবজি। তবে বাড়তি উৎপাদন খরচের কারণে কাঙ্ক্ষিত লাভ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে তাদের।

বাড়েরা ইউনিয়নের চিলোড়া গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, এ বছর তিনি ২৫২ শতক জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তিনি। তবে সার ও কীটনাশকের দাম নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

টমেটোচাষি আবুল খায়ের বলেন, প্রতি শতকে টমেটো উৎপাদনে আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। ফলন ভালো হলে প্রতি শতকের উৎপাদিত ফসল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হতে পারে। তবে পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিলে লাভের পরিমাণ খুব সামান্য থাকতে পারে।

কেরণখাল ইউনিয়নের পূর্ব অম্বরপুর গ্রামের কৃষক তাজুল গাজী বলেন, ১২০ শতক জমিতে টমেটো চাষ করেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ফসলের অবস্থা ভালো। গত বছরের তুলনায় এবার আগেই জমি প্রস্তুত করতে পেরেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশা করছেন তিনি।

পূর্ব মাইজখার গ্রামের কৃষক শরীফ মোল্লা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আগাম শীতকালীন সবজি দ্রুত বাজারে আসবে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে কৃষকরা লাভবান হতে পারবেন।

চান্দিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোরশেদ আলম বলেন, আগাম শীতকালীন সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এ আবাদ বাড়ছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। উৎপাদন বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

লাউয়াছড়ার পাশে বেগুনি ফুলের মেলা, মুগ্ধ পর্যটকরা

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
লাউয়াছড়ার পাশে বেগুনি ফুলের মেলা, মুগ্ধ পর্যটকরা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসংলগ্ন এলাকায় প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য নজর কাড়ছে পর্যটক ও পথচারীদের। বড় বড় সবুজ পাতার ফাঁকে লম্বা মঞ্জরিতে ফুটে থাকা বেগুনি রঙের ফুলে সেজেছে সড়কের পাশের বনাঞ্চল। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকেই গাড়ি থামিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। উদ্ভিদটির নাম কুডজু। প্রতিবছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ফুলের দেখা মেলে। শরতের শেষভাগ থেকে শীতের আগমনী সময়ে লম্বা মঞ্জরিতে গুচ্ছাকারে ফোটা বেগুনি, গোলাপি-বেগুনি কিংবা লালচে-বেগুনি ফুল প্রকৃতিতে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। লাউয়াছড়া ভ্রমণে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও মুগ্ধ হচ্ছেন এ ফুলের সৌন্দর্যে।

সড়কের পাশে নজর কাড়ছে কুডজু ফুল
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের পথে ব্যাপকভাবে এ ফুলের উপস্থিতি চোখে পড়ে বছর দুয়েক আগে। এর আগে অনেকের কাছেই উদ্ভিদটি তেমন পরিচিত ছিল না। বর্তমানে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় সবুজ পাতার মধ্যে ফুটে থাকা বেগুনি ফুল সহজেই নজর কাড়ছে। কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে মুঠোফোনে ছবি তুলছেন, আবার কেউ ধারণ করছেন ভিডিও। বনাঞ্চলের সবুজ পরিবেশের সঙ্গে বেগুনি ফুলের রঙিন সমাহার পথচারীদের জন্য তৈরি করছে মনোরম দৃশ্য।

কুডজু কেমন উদ্ভিদ
বৃক্ষ গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, কুডজু শিম বা মটরশুঁটি পরিবারের একটি বহুবর্ষজীবী আরোহী লতা। যুক্তরাজ্যের রয়্যাল বোটানিক গার্ডেনস কিউয়ের ‘প্ল্যান্টস অব দ্য ওয়ার্ল্ড অনলাইন’ তথ্যভান্ডারে এ উদ্ভিদের বিস্তৃতি এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উত্তর অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশও এর স্বাভাবিক বিস্তৃতির অন্তর্ভুক্ত।

কুডজুর ফুল সাধারণত লম্বা মঞ্জরিতে গুচ্ছাকারে ফোটে। ফুলের পাপড়ি বেগুনি, গোলাপি-বেগুনি অথবা লালচে-বেগুনি রঙের হতে পারে। ওপরের বড় পাপড়ির গোড়ায় হলুদ অংশও দেখা যায়। শিমজাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফুলগুলোর আকৃতি অনেকটা প্রজাপতির মতো। ফুলে সাধারণত মিষ্টি সুবাসও থাকে।

দ্রুত বেড়ে ওঠে, ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়
ময়মনসিংহের মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং প্রকৃতিবিষয়ক লেখক-গবেষক চয়ন বিকাশ ভদ্রের মতে, কুডজু দ্রুতবর্ধনশীল একটি বহুবর্ষজীবী লতা। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও উপযুক্ত মাটি পেলে এটি দ্রুত বেড়ে উঠতে পারে।

এর কাণ্ড লম্বা ও নমনীয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাণ্ড কিছুটা কাষ্ঠল হয়ে ওঠে। উপযুক্ত পরিবেশে লতাগুলো প্রায় ১০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। মাটির ওপর ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি অন্য গাছের কাণ্ড ও বিভিন্ন অবলম্বন আঁকড়ে ধরে ওপরের দিকে উঠে যায়।

কুডজুর পাতা সাধারণত তিনটি প্রশস্ত পত্রক নিয়ে গঠিত। পত্রকগুলো ডিম্বাকার থেকে হৃদপিণ্ডের মতো আকৃতির হতে পারে। ফুল ফোটার পর চ্যাপ্টা শুঁটির মতো ফল তৈরি হয়, যার ভেতরে থাকে বীজ। তবে শুধু বীজ নয়, মাটিতে ছড়িয়ে পড়া কাণ্ড ও শিকড়ের মাধ্যমেও উদ্ভিদটি নতুন জায়গায় বিস্তার লাভ করতে পারে।

উপকারিতা যেমন আছে, তেমনি রয়েছে পরিবেশগত ঝুঁকি
কুডজুর রয়েছে নানা ব্যবহারিক গুরুত্ব। বিভিন্ন অঞ্চলে মাটির ক্ষয়রোধ, অনাবাদি জমি আচ্ছাদন এবং গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর শিকড় থেকে শ্বেতসারসমৃদ্ধ উপাদান সংগ্রহ করা হয়, যা পূর্ব এশিয়ার কিছু অঞ্চলে খাবার তৈরি ও ঘন করতে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া এর লতা থেকে আঁশ সংগ্রহ করে বস্ত্র, কাগজ ও ঝুড়ি তৈরির নজির রয়েছে।

তবে দ্রুত বিস্তারের কারণে উদ্ভিদটি পরিবেশগত চ্যালেঞ্জও তৈরি করতে পারে। ঘন পাতার আচ্ছাদন ছোট গাছ, গুল্ম ও অন্যান্য উদ্ভিদের ওপর সূর্যালোক পৌঁছাতে বাধা দেয়। ফলে দীর্ঘ সময় কুডজুর আচ্ছাদনে থাকলে স্থানীয় উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে এ উদ্ভিদের ব্যাপক বিস্তারকে এ ধরনের পরিবেশগত সমস্যার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।

প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগে বাড়ছে আগ্রহ
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসংলগ্ন সড়কের পাশে ফুটে থাকা কুডজু ফুল এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের বাড়তি আকর্ষণ। সবুজ বনভূমির পাশে বেগুনি ফুলের এই সমাহার পর্যটকদের ভ্রমণে যোগ করছে বাড়তি আনন্দ।

তবে সৌন্দর্যের পাশাপাশি উদ্ভিদটির বিস্তার ও স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। প্রকৃতির এই রঙিন দৃশ্য উপভোগের পাশাপাশি বনাঞ্চলের পরিবেশ ও উদ্ভিদবৈচিত্র্য সংরক্ষণেও সচেতন থাকা জরুরি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মোংলা বন্দর ও বেজা ইকোনমিক জোন দেখতে খুলনা-বাগেরহাটে তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
মোংলা বন্দর ও বেজা ইকোনমিক জোন দেখতে খুলনা-বাগেরহাটে তারেক রহমান

মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ, সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোনের কার্যক্রম ঘুরে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও বাগেরহাট সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনব্যাপী সফরে তিনি একাধিক সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে দুই জেলায় নিরাপত্তা জোরদারসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সকালেই হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা
সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সকাল ৯টায় সেখান থেকে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি।

সকাল ১০টার দিকে আকাশপথে হিরণ পয়েন্টসংলগ্ন সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন করবেন সরকারপ্রধান। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।

নৌপথে যাবেন মোংলা নৌঘাঁটিতে
নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে সড়কপথে লঞ্চঘাটে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে নৌপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। দুপুরে বানৌজা মোংলা জেটিতে পৌঁছে ওয়ার্ডরুমে যাবেন সরকারপ্রধান। সেখানে মধ্যাহ্নবিরতির পর দুপুর পৌনে ২টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত একটি সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে বিকেলে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) ইকোনমিক জোন এলাকা ঘুরে দেখার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।মোংলা বন্দরের কার্যক্রম ও সম্প্রসারণসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে খুলনা ও বাগেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সরেজমিনে দেখবেন সরকারপ্রধান।

বিকেলেই ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকেল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি জানানো হয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

নিরাপত্তায় বিশেষ প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে পোস্টে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, গ্রেপ্তার একজন

রাজশাহী সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে পোস্টে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, গ্রেপ্তার একজন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘স্নাইপার’ সংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগে মো. আবু বকর সিদ্দিক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) এডিসি মিডিয়া মো. গাজিউর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), এসআরবি ও আরএমপির যৌথ প্রচেষ্টায় আবু বকরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে একটি সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) একটি বাসে করে নগরীতে প্রবেশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত বাস নিয়ে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাস ব্যবহার না করে রুয়েটের বাস ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পোস্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাসের ছবিও যুক্ত করা হয়।

ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে আবু বকর সিদ্দিক লেখেন, ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিল, শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’ মন্তব্যটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা, গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি