খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

যে কোন কল্যাণমূলক কাজে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক: সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:১২ অপরাহ্ণ
যে কোন কল্যাণমূলক কাজে  প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক: সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কোন কল্যাণমূলক কাজে আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘যখনই কোন বিষয় আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়ে যাই তিনি দ্রুততার সাথে তা বাস্তবায়নের জন্য সবসময় সহায়তা করেন।’

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালীস্থ ডিওএইচএস এ সেনা কল্যাণ সংস্থার নবনির্মিত চারটি স্থাপনা উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। এদিন সেনাপ্রধান রাজধানীতে অবস্থিত এস কে এস টাওয়ার ও এস কে বিজনেস মার্ট এবং চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনা কল্যাণ ট্রেড সেন্টার ও সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান এবং সেনা কল্যাণ বোর্ড অব ট্রাস্টি ও ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্যসহ সেনা কল্যাণ সংস্থার বিভিন্ন স্তরের সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেনাবাহিনী প্রধান ও সেনা কল্যাণ সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জেনারেল আজিজ আহমেদ নিজের বক্তব্যের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘এই সংস্থা সম্পর্কে বলার শুরুতেই আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যিনি আমাদের দিয়ে গেছেন স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।’

সেনা কল্যাণ সংস্থা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কল্যাণে দীর্ঘ ৪৭ বৎসর যাবৎ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংস্থার বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও উৎপাদনমূলক প্রতিষ্ঠান জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এ বিষয়টির কথা জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সেনা কল্যাণ সংস্থা মূলত যে উদ্দেশ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে, এই সংস্থা থেকে যে আয় হবে সেটা সেনাবাহিনী, নৌ বা বিমান বাহিনীকে আয় সরাসরি শেয়ার করা হয় না বা দেওয়া হয় না।

তবে এই তিন বাহিনীর যারা অবসরপ্রাপ্ত আছে তাদের গৃহীত কল্যাণমূলক কাজে যে আয় আছে সেটা ব্যবহার হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে আমি বলবো ইনডিরেক্টলিভাবে তিনটি বাহিনীকে সেনা কল্যাণ সংস্থা প্রতিনিয়ত যথেষ্ট সহায়তা প্রদান করে থাকে।

সেনা কল্যাণ সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের জন্য চাকরির ক্ষেত্রও তৈরি করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য আমরা সেনা কল্যাণ সংস্থার কাছে প্রেরণ করি। সেনা কল্যাণ সংস্থা থেকে তাদেরকে যথাসম্ভব সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।’

নবনির্মিত স্থাপনাসমূহের মানের প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে স্ট্রাকচারটি উদ্বোধন করা হলো এখানে যে ফ্যাসিলিটিজগুলো ডেভেলপ করা হয়েছে পুরোটা ঘুরে দেখলাম। অত্যন্ত আধুনিক মানের করা হয়েছে। এবং আমি নিশ্চিত যে উদ্দেশ্য নিয়ে এ এসকেএস টাওয়ার করা হয়েছে এ উদ্দেশ্য শতভাগ সফল হবে।’

সেনাকল্যাণ সংস্থার কাছে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন,‘সেনাকল্যাণ সংস্থা যত আয় করবে ততো আমাদের তিন বাহিনী বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বেশি সহায়তা প্রদান করতে পারবো। সেনাকল্যাণ সংস্থার প্রোডাক্টগুলো তুলে ধরে আমরা সেগুলোকে কিনবো। কিন্তু দেখা যায় আপনার মার্কেটের সাথে প্রতিযোগিতা করে পারছেন না।

আপনাদের কাছে একটা যুক্তি থাকে আমাদের কোয়ালিটি খুব ভালো সেজন্য কিন্তু আমরা দাম বেশি চাই। কিন্তু মার্কেটে যে পণ্যটি কম দামে পাই তাদের কোয়ালিটি যে খারাপ তা বলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বিজনেস সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক একটা ক্ষেত্র। এক্ষেত্রে আপনাকে টিকে থাকতে হলে মাইন্ড সেট যেমন থাকতে হবে তেমনি সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা থাকতে হবে। প্রচেষ্টা না থাকলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। আপনি বিজনেস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন না।’

সেনাকল্যাণ সংস্থার অনেক উদ্যোগের বিষয়ে সেনা কল্যাণ সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘কিছু কিছু উদ্যোগ নিয়ে আমি যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাই তিনি জিজ্ঞেস করেন। এক্ষেত্রে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তোমাদের এডিবল অয়েলের কি প্রগ্রেস? এখন কোন প্রগ্রেস আছে, মার্কেটের বিস্তারিত পরিস্থিতিটা বা মার্কেটের ইত্যাদি ইত্যাদি।’

সেনাকল্যাণ সংস্থার পণ্যের ব্র্যান্ড নেইমের তাৎপর্য তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আপনাদের যে সুযোগটা আছে বাইরের কোন বিজনেস অর্গানাইজেশনের এই সুযোগ নেই। তাঁরা এই সুযোগ পাবে না। আমাদের প্রোডাক্টের একটি ব্র্যান্ড নেইম রয়েছে, সেনা কল্যাণ সংস্থা। একটা সশস্ত্র বাহিনীর একটি সংস্থা।

এই যে মানুষের আস্থার যে একটা ব্র্যান্ড নেইম এটাই কিন্তু কোন বিজনেস এনটিটি সেটা ভোগ করেন এটা মাথায় রাখতে হবে। সেটা কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে আপনি টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করতে পারবেন না।’

https://www.facebook.com/114977312532189/posts/425487038147880/

কালের আলো/এসআর/এএমএ

যমুনা সেতু দিয়ে পার হলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ হাজারের বেশি যানবাহন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
যমুনা সেতু দিয়ে পার হলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ হাজারের বেশি যানবাহন

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। এতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও, যেখানে দিন দিন বাড়ছে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা।

স্বাভাবিক সময়ে যেখানে প্রতিদিন ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন পারাপার হয়, সেখানে ঈদযাত্রার ব্যস্ততম সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুটি দিয়ে চলাচল করেছে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন। অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৩১ হাজার বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সোমবার (২৫ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা।

অন্যদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন। এ খাত থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।

দুই প্রান্ত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন যমুনা সেতু ব্যবহার করেছে। একই সময়ে মোট টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।

এর আগের দিন রবিবার (২৪ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুটি দিয়ে ৩৯ হাজার ৯১৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ৩ কোটি ২৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৫০ টাকা। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে যানবাহন পারাপার বেড়েছে ১৩ হাজার ৩২৭টি এবং টোল আদায় বেড়েছে ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা।

সোমবার রাত পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড় ও নলকা এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, যানবাহনের চাপ ক্রমাগত বাড়লেও কোথাও যানজট নেই। বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে করে মানুষ বাড়ির পথে

মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহে চাঁদা না পেয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলার অভিযোগ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে চাঁদা না পেয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলার অভিযোগ

ময়মনসিংহে “চাঁদনী ফুড প্রোডাক্টস” নামের একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৫ মে) নগরের কোতোয়ালী থানাধীন মধ্যবাড়েরা ২৬ নম্বর ওয়ার্ড হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই সহোদর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ফ্যাক্টরির ম্যানেজার এনামুল হক সুমন (৩২) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে মধ্যবাড়েরা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আপন মিয়া কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফ্যাক্টরির ম্যানেজার এনামুল হক সুমন (৩২) এর বড় ভাই মোঃ হুরমুজ আলী দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় “চাঁদনী ফুড প্রোডাক্টস” নামে বিস্কুট ফ্যাক্টরি পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় ফয়সাল আহমেদ বাবু (৩০), শাহ আলী (৪০), জুনাইদ, আলমাছ, আকাশ মিয়া, রিয়েন, হৃদয় মিয়া, নাহিদ মিয়া, শামীম মিয়া ও আসিফ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজন দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাক্টরিতে এসে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করত।

অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করে গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় আপন মিয়ার ছোট ভাই এনামুল হক সুমন প্রতিবাদ করলে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তাকে আহত করে এবং শ্বাসরোধের চেষ্টাও চালায়।

এ সময় ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী হুরমুজ আলী এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ফ্যাক্টরির ক্যাশ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার এবং ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত এনামুল হক সুমনকে (৩২) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগকারী আপন মিয়া বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এলাকায় মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার দুই ভাইকে আহত করেছে এবং ফ্যাক্টরিতে ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুট করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

তবে এসব ঘটনা অস্বীকার করেছেন ফয়সাল আহমেদ বাবু। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা আমরা করিনি, আপনারা এলাকায় এসে তদন্ত করে দেখেন।

মারামারির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফ্যাক্টরির কারিগর উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আজ সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত একজন ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি আছেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ছুটির দিনে ৩ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
ছুটির দিনে ৩ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি

সরকারি ছুটির দিনে সরকারের তিনজন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান একজন সচিবকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত (সচিব) করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ফারাহ্ শাম্মীকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির-উদ-দৌলাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) করা হয়েছে।

পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত সচিব করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি