খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

কোমলমতিদের সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের অন্যরকম একদিন, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
কোমলমতিদের সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের অন্যরকম একদিন, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

কলেজের আঙিনায় নতুন পাঠ্য বইয়ের ঘ্রাণ। আহ কী সুন্দর! বছরের প্রথম দিন সব শিশুর হাতে নতুন বই। শিক্ষার্থী থেকে অভিভাবক সবার চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ যেন এক নীরব শিক্ষা বিপ্লব। নতুন বইয়ের গন্ধে উচ্ছ্বসিত প্রধান অতিথি থেকে শুরু করে বিশেষ অতিথিরাও।

মাতোয়ারা মনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। বই উৎসবে শামিল হয়ে ঝকঝকে চার রঙা নতুন বই নিয়ে তিনি তুলে দিয়েছেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে। বিমান বাহিনী প্রধানের হাত থেকে বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা পরম আনন্দে বই বুকে জড়িয়ে পথ ধরেছে বাড়ির।

বুধবার (০১ জানুয়ারি) সকালে বগুড়ার বিএএফ শাহীন কলেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন দৃশ্যপ্রবাহের অবতারণা হয়। স্থানীয় বারপুরে অবস্থিত কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত বই উৎসবে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা, ছবি তোলার পাশাপাশি তাদের হৃদয়-মস্তিষ্কে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার প্রেরণার বার্তা গেঁথে দেন।

সুশৃঙ্খলভাবে নতুন বই হাতে নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে হাসিমুখে বাড়ির পথ ধরে শিক্ষার্থীরা। এর আগে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কলেজের নবনির্মিত ভবনের ফলক উন্মোচন ও একাডেমিক কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে দেখা যায়, একসেট বই হাতে নিয়েই সঙ্গে আসা বাবা-মায়ের দিকে ভোঁ দৌড় দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে দেখা গেছে পরম যত্নে নতুন বই বুকে চেপে রাখতে। কেউ কেউ নতুন বই হাতে নিয়ে ছবি তুলেছে। যেন আনন্দের ভেলায় ভাসছে এসব শিক্ষার্থীরা।

বগুড়ার বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থীরা কালের আলোকে বলেন, ‘নতুন বই পেয়েছি, খুব ভালো লাগছে। নতুন বই পাওয়ার মজাই আলাদা। মনে হচ্ছে আজই বাড়িতে গিয়ে সব বই পড়ে ফেলি।’

অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজের বক্তব্যে নবনির্মিত এই প্রতিষ্ঠানের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও তিনি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও নিবেদিতপ্রাণ হয়ে এই শিক্ষাঙ্গনকে একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে রূপান্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীকে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানেরও আহ্বান জানান।

উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানে উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিমান বাহিনী প্রধান কলেজে এসে পৌঁছালে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, প্রকল্প পরিচালক ও কলেজ অধ্যক্ষ তাঁকে স্বাগত জানান।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বগুড়ার বিএএফ শাহীন কলেজের অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। কলেজটিতে আধুনিক সুবিধাদিসহ শিশু শ্রেণি হতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১ হাজার ৯০০ শিক্ষার্থী মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

নবনির্মিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণ, দারিদ্র-বিমোচন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দেশের টেকসই উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদী উচ্চারণ করেছেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি থেকে শুরু করে বিশেষ অতিথিরাও।

কালের আলো/এসআর/এএ

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ