খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সামরিক সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-নেপাল, দুই সেনাপ্রধানের বৈঠকে সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
সামরিক সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-নেপাল, দুই সেনাপ্রধানের বৈঠকে সিদ্ধান্ত

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

নিজেদের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বাংলাদেশ সেনবাাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও নেপাল সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল পুর্না চন্দ্র থাপা।

আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পর সেনাপ্রধানের সফর; বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়

একই সঙ্গে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতামূলক বিভিন্ন বিষয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) নিজেদের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে তারা মতৈক্যে পৌঁছেন। বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ বিনিময়, শুভেচ্ছা সফর ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কথা হয়। দায়িত্বশীল সূত্র কালের আলোকে নিশ্চিত করেছে এসব তথ্য।

কালের আলোকে ওই সূত্রটি জানায়, সাক্ষাতের শুরুতেই প্রতিবেশী দুই দেশের সেনাপ্রধান পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন। দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের চলমান সম্পর্ক অন্য রকম এক উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

একই সূত্র জানায়, কাউন্টার টেরোরিজম, ইউএনপিএসওসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলেন দুই সেনাপ্রধান। নিয়মিতভাবেই দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোর্স ও নিয়মিত স্টাফ টকের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। ঢাকার সঙ্গে কাঠমান্ডুর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা বিনিময়েরও সিদ্ধান্ত হয়।

নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে কুশল বিনিময়কালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

বৈঠকে নেপালের সেনাপ্রধান বলেছেন, বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহায়তার সুযোগ বাড়ানো উচিত। তার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের নেপাল সফরে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বৃদ্ধি করায় নেপাল সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল পুর্না চন্দ্র থাপা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন।

দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কে সন্তোষ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী, প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঈশ্বর পোখরেল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাম বাহাদুর থাপা ও নেপালের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল পুর্না চন্দ্র থাপা। দুই পক্ষই ভবিষ্যতে এই সম্পর্ককে আরও জোরালো করার আশা প্রকাশ করেন।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে কুশল বিনিময়কালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

বাংলাদেশ ও নেপালের জনগণের মধ্যে সংযোগের ওপর জোর দিয়ে তারা বলেন, নেপালের কারনেলি হাইড্রো পাওয়ার প্রকল্প থেকে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদুৎ আমদানি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। আবার শীতের সময় নেপাল, ভুটান বাংলাদেশ থেকে বিদ্যুৎ নিতে পারে।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরের বছরেই বাংলাদেশকে সমর্থন দেয় প্রতিবেশী দেশ নেপাল। সেই থেকেই ভিত রচিত হয়েছিল বাংলাদেশ-নেপাল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের সেই দুর্দিনে নেপালের দেওয়া সমর্থন ও সহায়তার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।  

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়

বাংলায় জেনারেল আজিজকে শুভেচ্ছা
নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী, প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঈশ্বর পোখরেল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাম বাহাদুর থাপা ও নেপালের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল পুর্না চন্দ্র থাপা।

সবাই বাংলা ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশটিতে সফরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে। তারা হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি ও সঙ্গীতের প্রতি তাদের বিনম্র শ্রদ্ধার কথা জানান।

দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, ৫ দিনের সরকারি সফর শেষে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশে ফিরে এসেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। এর আগে গত শুক্রবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

নেপালের প্রভাবশালী দৈনিক সমূহে বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সফরটি। দ্যা হিমালায়ান নিউজ পেপারের অংশ বিশেষ

কালের আলো/এমএএএমকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ