খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ট্রাফিক জটমুক্ত লালমনিরহাটের আকাশ; আনন্দমুখরতায় উদ্বোধন আর্মি এভিয়েশন স্কুলের (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
ট্রাফিক জটমুক্ত লালমনিরহাটের আকাশ; আনন্দমুখরতায় উদ্বোধন আর্মি এভিয়েশন স্কুলের (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো, লালমনিরহাট থেকে :

মাথার ওপর গনগনে সূর্য। তাঁতানো গরমের ভেতরেও উচ্ছ্বাস-আনন্দে ভরপুর এক পরিবেশ। সোমবার (০২ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে উল্লাসমুখর এমন আবহেই দেশের উত্তরে অবস্থিত সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে এক সুইচে আর্মি এভিয়েশন স্কুলের নতুন ভবন, আর্মি অফিসার্স মেস, এসএম ব্যারাক-এর ভিত্তি প্রস্তর, লালমনিরহাট মিলিটারি ফার্মের জন্য একটি অত্যাধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় মিল্কি পার্লারের উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

আরও পড়ুন: স্বপ্ন অ্যাটাক হেলিকপ্টার; নতুন সংযোজন হচ্ছে ৬ হেলিকপ্টার : সেনাপ্রধান (ভিডিও)

সঙ্গে সঙ্গেই মুহুমুর্হু করতালি। সেনাপ্রধান সুইচ বাটন চাপার পর পরই সবার চোখ পশ্চিমের আকাশে। প্রায় একশ’ ফুট উঁচুতে আকাশে উড়ছে দু’টি এয়ারবাস ডৌফিন হেলিকপ্টার। তাদের এখান থেকে নেমে এসেছে পুষ্পবৃষ্টি! খানিক সময় নিয়েই একইভাবে ফ্লাইপাস করে যাচ্ছে তিনটি ডায়মন্ড বিমান।

এবার সব চোখ যেন লাল-সবুজের নিশান উড়িয়ে আসা তিনটি ছেচনা ১৫২ বিমানের দিকে। স্বাধীনতার মাসে উদিত সূর্যে রক্তের রঙ সবুজ বাংলায় মিশে যেন তৈরি হলো বাংলার লাল সবুজ পতাকা। এমন দৃশ্যকাব্য রচনা করেই জাতীয় পতাকার রঙ লাল-সবুজ ধোঁয়া ছিটিয়ে চলতে থাকলো ছেচনা বিমানগুলো।

এভাবেই বিনম্র অভিবাদন জানানো হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক এই বাহিনীটির প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এভিয়েশন গ্রুপের পরিচালনায় এই স্কুলটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব বৈমানিক, প্রকৌশলী এবং বিমান ক্রুদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিমান চালানোয় দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

একই সূত্র জানায়, এই স্কুলে ১৪টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের সৈনিকরা। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৈনিকদের দক্ষতা বাড়াতে সেনাবাহিনীর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আর্মি এভিয়েশন স্কুলটি ট্রাফিক যটমুক্ত আকাশের লালমনিরহাট বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয় বলে জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

লালমনিরহাট বিমানবন্দরে এই স্কুল স্থানান্তরের মাধ্যমে সেনাবাহিনী এভিয়েশনে সক্ষমতা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান বলেন। এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপে নোয়াখালীর স্বর্ণদ্বীপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বর্ণদ্বীপের এক্সারসাইজে গিয়েছিলেন।

সেখানে আপনারা দেখেছেন যে যুদ্ধকালীন সময়ে, আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের কত দায়িত্ব থাকতে পারে, কত ধরণের সাপোর্টিং রোলে তাদের আসতে হয়। সেই প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আমরা দেখেছি যে, ঢাকাতে আমাদের এই এভিয়েশন স্কুলটা তেজগাঁও থেকে কাজ করতো।

তেজঁগাও এখন এয়ার ফোর্স, সিভিল এভিয়েশন ও সিভিল এয়ার লাইনার ব্যবহার করে। এত কনজেশন হয়ে গেছে সেখানে এত প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব না। সার্বিক বিবেচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম লালমনিরহাটে আমাদের এভিয়েশন স্কুলটি স্থানান্তরিত করার। তারই ফলশ্রুতিতে এখানে আর্মি এভিয়েশন স্কুলের উদ্বোধন করা হলো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু কিছু প্রশিক্ষণ আগে ঈশ্বরদীতে হতো। সেখানে আমাদের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্রজেক্ট চলে আসছে। যখন সেটি অ্যাক্টিভেট করা হবে তখন ঈশ্বরদী এয়ার ফিল্ড চলে আসবে নো ফ্লায়িং জোনের ভেতরে।’

এ সময় সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সামছুল হক, এভিয়েশন গ্রুপ কমান্ডার মেজর জেনারেল আলমগীর হোসেন, মাস্টার জেনারেল অব অর্ডন্যন্স মেজর জেনারেল মো. আবু সাঈদ সিদ্দিক, রংপুর সেনানিবাসের ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত লালমনিরহাটের ডেইরি ফার্মে মিল্কিং পার্লার পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান। এই ফার্মে ২ হাজার ২শটি গরুর মধ্যে ৬শটি দুগ্ধজাত গাভি রয়েছে।

এসব গাভি থেকে দৈনিক সাড়ে ৬ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন করা সক্ষম। মিল্কিং পার্লারের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট মিলিটারি ফার্মটি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে আরও এক ধাপ এগিয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে সকাল ১১টায় লালমনিরহাট বিমানবন্দরে অবতরণ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। এরপর আর্মি এভিয়েশন স্কুল, মিল্কিং পার্লার উদ্বোধন করে সেনাবাহিনী পরিচালিত লালমনিরহাটের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করে দুপুরে একই হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় ফিরেন তিনি।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ