খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বৃত্তের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
বৃত্তের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

জরুরি সেবা সার্ভিসের গাড়ি ছাড়া সড়কে নেই কোন গণপরিবহন। স্বভাবতই সড়কগুলো ফাঁকা, জনমানবশুন্য। নেই চিরচেনা যানজট বা কর্মচাঞ্চল্য। কী রাজধানী বা দেশের মফস্বল এলাকার কোন শহর, অদ্ভুত নীরবতাই চারদিকে।

আরও পড়ুন: পথে পথে সেনাবাহিনীর জীবাণু নাশক স্প্রে কার্যক্রম (ভিডিও)

সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রাণঘাতী করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জিততে নিজেদের ঘরে আটকে রাখতেই হচ্ছে মানুষজনকে।

আর হবেই বা না কেন? প্রতি মুহুর্তে জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্ল্যাকার্ড ও মাইক হাতে সেনা সদস্যরা বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। একজনের সঙ্গে আরেকজনের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে জানাচ্ছেন আহ্বান।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত; করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মাঠে সেনাবাহিনী

অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হলেই কড়াকড়ির মুখে পড়তে হচ্ছে। কখনও বুঝিয়ে ঘরে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তবে তেড়েমেড়ে নিয়ম মানতে বাধ্য করানোর মতো কোন দৃশ্য দেশের ৬১ জেলায় সেনাবাহিনীর তৎপরতায় দেখা যায়নি।

নিত্যপণ্য আর ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে বাজার আর নিত্যপণ্যের দোকানগুলোতেই কেবল মানুষের খানিকটা আনাগোনা রয়েছে।

ফলে কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকানগুলোতে মানুষের উপস্থিতির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এসব দোকানে কেনাবেচার ক্ষেত্রে কীভাবে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে সেই পদ্ধতিও বাতলে দিচ্ছেন সেনা সদস্যরা।

আরও পড়ুন: করোনা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা, ডিসিরা রিকুইজিশন দিলে হবে ‘ক্যাম্প’ স্থাপন

আর এ ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লা জেলা শহরে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এই জেলার প্রধান প্রধান সড়কে মাইকিং’র পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সেনাবাহিনী।

এ সময় সেনা সদস্যরা রঙ তুলির আচড়ে প্রতিটি দোকানের সামনের সড়ক বা ফুটপাতে সাদা বৃত্ত আঁকেন।

ক্রেতার সঙ্গে বিক্রেতার এবং ক্রেতা টু ক্রেতার দূরত্ব নিরূপণ করে আঁকা এক একটি বৃত্তের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত করে দেওয়া হয়। এমন কর্মযজ্ঞের নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব আলম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুভাশীষ ঘোষ।

মূলত এর মাধ্যমে একজনের সঙ্গে আরেকজনের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পদ্ধতি শেখানো হয় সবাইকে।

আরও পড়ুন: পথে পথে সেনাবাহিনীর জীবাণু নাশক স্প্রে কার্যক্রম (ভিডিও)

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর ওই টহল দলটি কুমিল্লা শহরের রাজগঞ্জ, চকবাজার, নিউ মার্কেট, কাঁসারিপট্টি চৌমুহনী, তেলিকোনা, ছাতিপট্টি, কান্দিরপাড় এলাকায় জরুরি প্রয়োজনে খোলা দোকানপাট, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকানের সামনে এমন রঙ দিয়ে বৃত্ত এঁকে দেন।

পরবর্তী সময়ে এই নিয়ম অনুসরণ করা না হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্ক সংকেতও দেওয়া হয় ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে রীতিমতো থমকে দাঁড়িয়েছে ষোল কোটির বাংলাদেশ। এই লড়াইয়ে সরকারের নির্দেশে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা জেলায় জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

প্রায় প্রতিটি জেলায় সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকা হ্যান্ড মাইকে আহ্বান জানাচ্ছেন সেনা সদস্যরা। কোথাও হাম কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন ফলমূল। দেশজুড়ে সেনাবাহিনীর এমন কর্মযজ্ঞে স্বস্তির সুবাতাস বইয়ে চলেছে। সেনা সদস্যদের নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপে দেশের সাধারণ মানুষের কন্ঠেও বিশ্বাসের প্রতিধ্বনি।

সবাই একবাক্যে বলছেন, কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বেই করোনাভাইরাস এখন মহাআতঙ্কের আরেক নাম। ফলে বিচ্ছিন্নতার চর্চাই যে একমাত্র সমাধানের পথ।

নিয়মতান্ত্রিক ওপায়ে নিজেদের এই দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করে সেনা সদস্যরা সাধারণ মানুষের ভেতর বহমান আতঙ্ক, ভয়-ভীতি একেবারেই উবে দিয়েছেন। নিজেদের ঘরবন্দি রেখে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতির সত্যিকার অর্থেই এ যেন অন্য রকম এক লড়াই।

আমাদের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত  

রাঙ্গামাটিতে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি করছেন। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

হাট-বাজার থেকে শুরু সব জায়গায় যাতে একের অধিক মানুষ এক সঙ্গে যেন থাকতে না পারে সে বিষয়ে কাজ করছে প্রশাসন।

শরীয়তপুরে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন মাঠে। জেলার নড়িয়া উজেলায় ইতালী প্রবাসীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেখানে দেওয়া হচ্ছে বাড়তি গুরুত্ব। কুড়িগ্রামেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করছে সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকে শহরের পৌর বাজার, শহিদ মিনার চত্বর, জিয়া বাজার, পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়াসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হ্যান্ড মাইকে জনগণকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয় তাদের পক্ষ থেকে।

শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তিন-চার জনকে একসঙ্গে জড়ো হতে দেখলে তাদের সরিয়ে দিয়েছেন তারা। পুলিশ সদস্যরাও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

ঝালকাঠিতে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর টহল শুরু হয়। সকালে পটুয়াখালীর লেবুখালী শেখ হাসিনা সেনানিবাস থেকে দু’টি গাড়িতে করে ঝালকাঠিতে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর একটি দল। জেলা শহরের বাজার রোড, লঞ্চঘাট, ব্যাকমোড়, কলেজ মোড়, সাধনের মোড়, চাঁদকাঠী মোড়সহ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে টহল দেন সেনা সদস্যরা।

এছাড়া রাজশাহী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, নওগাঁ, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া, নড়াইল, মাগুরা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ অন্যান্য জেলাগুলোতেও একই রকম তৎপরতা চালিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

https://www.facebook.com/KalerAlo365/videos/2631491200462089/

কালের আলো/এমএএএমকে

কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
কোরবানির দুয়ার থেকে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন চিড়িয়াখানায়

ভাগ্য কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তা যেন আরও একবার মানব জাতিকে ভাবতে বসালো নারায়ণগঞ্জের খামারের আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পে’র ঘটনা। কোরবানির দুয়ার থেকে পশুটির ঠিকানা এখন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নাম রাখায় রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছিল অ্যালবিনো জাতের এই মহিষটি। চেহারা এবং চুলের ঢং অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় সেটির নামই রেখে দেওয়া হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্যাপক আলোচনায় আসার ফলে দ্রুতই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল মহিষটি। কিনেছিলেন কেরাণীগঞ্জের এক ক্রেতা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিনে কোরবানি দেওয়ার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চড়া দামে কিনেছিলেন ওই ক্রেতা।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে মহিষটি ফিরিয়ে নিয়ে বুধবার (২৭ মে) কেরানীগঞ্জের জিনজিরার ইসলামপুর থেকে মহিষটি বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কেরানীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সেখানে থেকে নেওয়া হয়েছে চিড়িয়াখানায়।

বুধবার (২৭ মে) রাতে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ট্রাম্প নামের মহিষটাকে রাতেই চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছে। আমরা একটা শেডে ওটাকে রাখার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তার খাওয়ার সব ব্যবস্থা করেছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।’

সূত্রে জানা যায়, মহিষটিকে ঘিরে অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় কেরানীগঞ্জের ক্রেতাকে টাকা ফেরত দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে আগের মতোই লালন-পালন করা হবে।

মূলত সম্ভাব্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে ক্রেতার কাছ থেকে সেটি ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত মহিষটিকে আগের মতোই নিবিড় পর্যবেক্ষণে লালন-পালন করা হবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, মহিষটিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও নাকি সেটিকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। কিন্তু পরে জানা যায়, পোস্ট দেওয়ার খবর ভুয়া।

তবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়, এবারের কোরবানির হাটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামেও একটি মহিষ আছে। এছাড়া বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার নেইমারের নামে রয়েছে একটি গরুও।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের একটি প্রাথমিক খসড়া নথি পেয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ইরানের আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার। এর বিনিময়ে ইরান ৩০ দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অনুমতি দেবে।

তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল ইরান ও ওমানের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কাঠামো এখনও চূড়ান্ত হয়নি এবং বাস্তব যাচাই ছাড়া ইরান কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে না।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও উত্তেজনার কারণে সেখানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এম/এএইচ