খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পথে পথে সেনাবাহিনীর জীবাণু নাশক স্প্রে কার্যক্রম (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২০, ৬:০১ অপরাহ্ণ
পথে পথে সেনাবাহিনীর জীবাণু নাশক স্প্রে কার্যক্রম (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

ঘরে থাকার এক যুদ্ধ। ফলে সব নীরব, নিস্তব্ধ। জনশুন্য সড়ক, মহাসড়ক। পুরো দেশজুড়ে চলছে কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ।

আরও পড়ুন: বক্সের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

একজনের সঙ্গে আরেকজনের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে দেশের ৬১ টি জেলায় সক্রিয় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

ঘরের মধ্যে নিজেদের বন্দি রেখে জীবনযুদ্ধে প্রত্যেককে জয়ী করতে সরকারের নির্দেশে বেসামরিক প্রশাসনকে কার্যকর সহায়তা দিচ্ছে সেনা সদস্যরা। কেবল বাঙালির একা এই যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেই না কথা ছিল! একই রকম যুদ্ধ চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেশে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত; করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মাঠে সেনাবাহিনী

জরুরি প্রয়োজনে যারা রাস্তায় বেরিয়েছেন তারা পথে পথে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছেন। বাধ্য হচ্ছেন ঘরে ফিরতে। রাজপথ ও অলিগলিতেও রাজ্যের নীরবতা।

বাসস্ট্যান্ডগুলোতে থমকে আছে গাড়ির চাকা। সেখানে সারি সারি দাঁড়িয়ে দুরপাল্লার বাস। এ যেন অচেনা এক বাংলাদেশ। যেখানে থেমে গেছে সব কোলাহল।

ইতোমধ্যেই আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর ২৯০টি দল ৬১ জেলায় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করেছে।

আরও পড়ুন: করোনা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা, ডিসিরা রিকুইজিশন দিলে হবে ‘ক্যাম্প’ স্থাপন

বাইরে কোন ক্যাম্প স্থাপন না করে স্থানীয় সেনানিবাস থেকেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সারাদেশে এই কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর আড়াই হাজারের অধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

করোনার ভয়াল সংক্রমণ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সেনাবাহিনীর টহল গাড়িতে ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করুন’ ‘বিদেশ ফেরত সকলে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করুন, ‘নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন’ লেখা স্টিকারও দেখা গেছে।

এই মহামারি ঠেকাতে সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড হাতে মাইকিং করা হচ্ছে। তাদের প্ল্যাকার্ডে শোভা পাচ্ছে- ‘আতঙ্ক না ছড়াই, সতর্ক থাকি সাহায্য করি’, ‘বিদেশ থেকে এসেছি যারা, কোয়ারেন্টাইনে থাকবো তারা’, ‘ঘন ঘন হাত ধুই, করোনা থেকে নিরাপদ রই।’

আরও পড়ুন: বক্সের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের পাশাপাশি পথে পথে জীবাণুনাশক স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন সেনা সদস্যরা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সেনাবাহিনীর খোলা জিপে প্লাস্টিকের পানির ট্যাঙ্কি বসিয়ে জীবাণুনাশক ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত পানি ছেটানো হচ্ছে।

সড়ক জীবাণুমুক্ত করার এমন তৎপরতা বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে জোরেশোরে।

প্রতিদিন নিয়ম করেই জীবাণু ধ্বংসকারী রাসায়নিক স্প্রে ছেটানো হবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটির দায়িত্বশীল বিভিন্ন সূত্র। ভাইরাস ধ্বংস করতে সেনাবাহিনীর এমন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর টহল দলের গাড়ি থামিয়ে নির্ধারিত পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে গাড়ির চারপাশে স্যানিটাইজার ছিটানোর দৃশ্যও চোখে পড়েছে।

সূত্র জানায়, চীনের উহাইন ও ভারতেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করে উপকারিতা পাওয়া গেছে। সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সেনাবাহিনীর কারোনাভাইরাসের জীবাণু বিনাশ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পানি ও ব্লিচিং পাউডার মিশ্রণ করে ছেটানোর এই পদ্ধতিতে প্রতিটি সড়ক জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সেনা কর্মকর্তারা।

এই কার্যক্রম চলমান রাখতে ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দিয়েছে সেনা সদর দপ্তর। সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে, নভেল করোনাভাইরাসে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকা ও হোম কোয়ারান্টাইনের নিয়ম মেনে চলার উদ্দেশ্য জনস্বার্থে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় যা সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) আইইডিসিআরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও চার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪৮ জন। এর মধ্যে পাঁচ জন মারা গেছেন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১১ জন।

https://www.facebook.com/KalerAlo365/videos/538062410444371/

কালের আলো/এমএএএমকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ