খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

মুজিববর্ষে পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগী সেনাবাহিনী, রোপণের টার্গেট তিন লক্ষাধিক বৃক্ষ (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
মুজিববর্ষে পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগী সেনাবাহিনী, রোপণের টার্গেট তিন লক্ষাধিক বৃক্ষ (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

ইতিহাসের মহাকাব্যের মহামানব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত, বঙ্গবন্ধু মরে নাই…’ বিখ্যাত এ গানের আকুতির মতোই বঙ্গবন্ধু মারা না গেলে এ বছর শতবর্ষী হতেন।

আদর্শ ও অনুপ্রেরণায় বাঙালির মননে গেঁথে আছে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির মহান পথপ্রদর্শক ও অবিসংবাদিত এ নেতার নাম।

জাতির চির আরাধ্য পুরুষের জন্মশতবর্ষে দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় উদ্যোগী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দেশবাসীকে গাছ লাগানোর প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি মুজিববর্ষে পরিবেশ রক্ষায় সারা দেশে তিন লক্ষাধিক বৃক্ষ রোপণের টার্গেট নিয়েছে দেশপ্রেমিক এ বাহিনীটি।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা সেনানিবাসের ‘আল্লাহু মসজিদ’ প্রাঙ্গণে একটি কাঠগোলাপ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্মারক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

পরে নিজেই পরিচর্যার অংশ হিসেবে নতুন বৃক্ষে মাটি ও পানি দেন।

চলতি বছর বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘সবুজ বৃক্ষ-নির্মল পরিবেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। পাশাপাশি একই সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সেনানিবাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও তিনি উদ্বোধন করেন।

শুধু গাছ লাগানোতেই সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, পরিপূর্ণভাবে গাছের যত্নও নিতে হবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের এমন নির্দেশনাও দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

তিনি মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সহজ মাধ্যম হচ্ছে বৃক্ষরোপণ। এ বৃক্ষরোপণ অভিযানে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী বৃক্ষরোপণ অভিযানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির বৃক্ষসহ সৌন্দর্য্যবর্ধক বিভিন্ন প্রকারের প্রায় তিন লক্ষাধিক গাছের চারা রোপন করবে।

সকল সেনানিবাস, স্বর্ণদ্বীপসহ সকল প্রশিক্ষণ এলাকা ও ফায়ারিং রেঞ্জ, সকল ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে মাসব্যাপী এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

সূত্র জানায়, দেশের সংগ্রামশীল জাতিসত্ত্বার দু:সময়ের সাথী হয়ে ত্যাগ ও বিশ্বস্ততার দৃষ্টান্ত স্থাপনের পাশাপাশি যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা, দেশের আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রেখেছে জেনারেল আজিজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন গৌরবদীপ্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

চলমান করোনা দু:সময়ে নানামুখী কর্মকান্ডের মাধ্যমে তারা মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। দেশের ক্রান্তিকালে তাদের অবদান ইতিহাসে অমর, অব্যয় হয়েই ঠাঁই নিয়েছে।

সূত্র মতে, জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০১৯ সালের রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসের ‘বোট ক্লাব’ শহীদ মোস্তফা কামাল লাইন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

ওই বছর তাঁর নির্দেশে দেশের প্রতিটি সেনানিবাসে প্রায় দু’লক্ষাধিক বৃক্ষ রোপণ করা হয়।  

সেদিন সেনাপ্রধান নিজ হাতে ছাতিম গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় সবাইকে বনজ ও ফলজ গাছ লাগানোরও অনুরোধ করেন তিনি।

এর আগের বছর নির্ঝর আবাসিক এলাকায় সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ‘রাধাচূড়া’ গাছের চারা রোপণ করেছিলেন।

মুজিববর্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির একটি বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে।

ইতিহাসের মহানায়ক, মহান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে পরিবেশের উন্নয়নে বৃক্ষরোপণকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি।’

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এ দেশকে অবারিত সবুজে পরিণত করার মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলা, পরিবেশের ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা থেকে রক্ষায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করেন সেনাপ্রধান।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে সবাইকে রক্ষা করতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কার্যকর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন জেনারেল আজিজ আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কবে যাবে, ভ্যাকসিন কবে আসবে এটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।

বেসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সেনাবাহিনী সারা দেশে করোনাভাইরাস থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত করতে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হবে।’

এ সময় সেনাবাহিনীর কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শামসুল হকসহ ঢাকা সেনানিবাসের উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/আরআই

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ