খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

লাল-সবুজের ঔজ্জ্বল্যে ব্রিজবেন, বাঙালি জাতির গৌরব-বীরত্বের অনন্য উপস্থাপন (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ণ
লাল-সবুজের ঔজ্জ্বল্যে ব্রিজবেন, বাঙালি জাতির গৌরব-বীরত্বের অনন্য উপস্থাপন (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

স্টোরি ও ভিক্টোরিয়া নামের নির্বাক দু’টি ব্রিজ। এখন সেখানেই ঝলমল করছে লাল-সবুজের আলো। যেন এক মোহনীয় রূপ। এই আলোর ঔজ্জ্বল্যই মনে করিয়ে দিচ্ছে বাঙালি জাতির জীবনের সবচেয়ে আলোচিত, শৃঙ্খলমুক্তির অহঙ্কারের শাশ্বত স্মৃতি।

আরও পড়ুন: দাঁড়িয়ে শিল্পীদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, কন্ঠ মেলালেন শেখ রেহানা

হ্যাঁ, ভিন্ন আমেজের, ভিন্ন সাধের আর ভিন্ন অনুভূতির গৌরব ও বীরত্বগাঁথার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে লাল-সবুজের চোখধাঁধানো আলোকচ্ছ্বটায় উচ্ছ্বল-প্রাণবন্ত করে তোলা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের রাজধানী ব্রিজবেনের এই দু’টি ব্রিজকে।

হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙা ও বিশ্বের বুকে স্বাধীন অস্তিত্ব ঘোষণার উদ্বেলিত আনন্দের মাত্র চারদিন আগে বিজয়ের আলোয় রাঙিয়ে তোলা হয়েছে স্টোরি ও ভিক্টোরিয়া ব্রিজটিকে। সোমাবার (২২ মার্চ) স্থানীয় সন্ধ্যার আগে লাল-সবুজ রঙের আলোয় ঐতিহাসিক এই দু’টি স্থাপনা হয়ে উঠেছে নয়নাভিরাম।

ব্রিজ দু’টির দুই পাশে শুধুই সবুজ আর মাঝখানে লাল রঙের বাতি। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীন বাংলার আত্নমর্যাদার পতাকাকেই যেন নান্দনিক ও মোহময়তার আবেশে উপস্থাপন করা হয়েছে বৈশ্বিক পরিমন্ডলেও।

‘লাইট আপ ব্রিজবেন’ শীর্ষক আলোকসজ্জার এই নিখাদ কর্মযজ্ঞটির বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিজবেন (ব্যাব)। মূল কনসেপ্ট ও উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড: যীশু দাস গুপ্ত। অনিন্দ্যসুন্দর এমন আয়োজনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্রিজবেন সিটি কাউন্সিল।

ঐতিহাসিক ব্রিজ দু’টিকে ঘিরে লাল-সবুজের আলোর দৃশ্য পথচলতি মানুষকেও একপলকের জন্য থমকে দাঁড় করাচ্ছে। আলো ঝলমলে এমন বাস্তবিক উপাখ্যান নির্ভার আনন্দধারায় ভাসিয়েছে বীরের জাতি বাঙালি প্রবাসীদেরও। হৃদয়ের মর্মমূলের প্রাণোচ্ছলতাকে স্মৃতির পাতায় ধরে রাখতে যে যার মতো করে স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণ করতে ছুটছেন স্টোরি আর ভিক্টোরিয়ায়।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিজবেনের (ব্যাব) সাধারণ সম্পাদক তাহসিন আলী কালের আলোকে বলেন, ‘অষ্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে এমন আয়োজন এবারই প্রথম। এখানকার স্থানীয় সরকারের সহায়তায় আড়ম্বরপূর্ণ এমন আয়োজন প্রবাসী বাঙালিদের জীবনে মহান স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার বার্তা দিচ্ছে।’

২৬ মার্চ ব্রিজবেনে উড়বে লাল-সবুজের পতাকা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ধারক লাল-সবুজের সমুজ্জ্বল পতাকা। ইতিহাসের পৃষ্ঠা রক্তে রাঙিয়ে, আত্মত্যাগের অতুলনীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জীবনপণ সশন্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে বীর বাঙালি জাতি পেয়েছে লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সঙ্গে যুগপৎভাবেই এবার পালিত হচ্ছে পিতা মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী।

প্রাণের সেই আবেগকে ধারণ করেই এবার অষ্ট্রেলিয়ার মাটিতেও মহান স্বাধীনতা দিবসে উড়বে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার প্রতীকী প্রাণপ্রিয় পতাকা। শহীদের রক্তঋণে কেনা পতাকার গৌরবে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে গোটা ব্রিজবেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিজবেনের (ব্যাব) সাধারণ সম্পাদক তাহসিন আলী কালের আলোকে জানান, ব্রিজবেনে রাষ্ট্রীয়ভাবে ২৬ সে মার্চ উত্তোলন করা হবে বাংলাদেশের পতাকা। এই পতাকা উত্তোলন হবে ব্রিজবেরে প্রাণকেন্দ্র ব্রিজবেন টাউন হলে। এরই মাধ্যমে বাঙালি জাতির সূর্য সন্তানদের অষ্ট্রেলিয়ার মাটিতেও গভীর শোক আর বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হবে।’

কালের আলো/এমএএএমকে

শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
শাড়ি-রঙিন চুড়িতে বৈশাখী সাজে মিম

ঢাকায় সিনেমার চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, টেলিফিল্ম, বিজ্ঞাপনে কাজ করে গেছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। এবার বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একগুচ্ছ ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী সাজে করা ফটোশুট ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।

শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, হালকা গোলাপি আভাযুক্ত শাড়ির সঙ্গে গাঢ় রঙের ব্লাউজে ধরা দিয়েছেন মিম। ছবি শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন, নতুন শুরু।’ সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ভালোবাসার ইমোজি।

পাড়ের লাল আভা এবং হাতে রঙিন চুড়ির সমন্বয় তার লুকে এনেছে উৎসবের আবহ। খোলা চুল, কপালে ছোট লাল টিপ আর সোনালি গয়নায় ফুটে উঠেছে বাংলাদেশি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য।

এদিকে কমেন্ট বক্সে নেটিজেনরা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মিমের রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো! সবাইকে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শুভ নববর্ষ, নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

কালের আলো/এসএকে

দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
দেশের সংস্কৃতিতে নব দিগন্তের সূচনা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, বাংলাদেশের সাহিত্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে একটা নব দিগন্তের সূচনা হবে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে আমরা গোটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনকে অনেক বেশি বেগবান করে তোলার জন্য কাজ করছি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের আজাদী ময়দানের মুক্তমঞ্চে বৈশাখ উদযাপন পর্ষদ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের অনেক বেশি উন্নত ও সুস্থ সংস্কৃতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে। একটা অসুস্থ সংস্কৃতির ধারা চলছে গোটা বাংলাদেশ ধরে। এখান থেকে আমাদের অবশ্যই বের করে নিয়ে আসতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে। বাঙালির এই ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে সুস্থ ও সাবলীল ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আমরা আগামী বছর ইনশাআল্লাহ অন্যরকম একটা পহেলা বৈশাখ পালন করবো। প্রতি বছরই রাজবাড়ীতে সংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে, আমরা সেই চেষ্টা করবো।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বর্ষবরণ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

জানা গেছে, দ্বিতীয়বারের মতো রাজবাড়ীর ৪২টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন একত্র হয়ে বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করেছে। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে তারা। পরে নববর্ষের গান হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য নাটিকা, আদিবাসী সংস্কৃতিবিষয়ক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন