খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ব্যথিত ম্লান মুখচ্ছবির মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, ‘জনগণের সেনাবাহিনী’র প্রত্যয়ী কন্ঠ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
ব্যথিত ম্লান মুখচ্ছবির মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, ‘জনগণের সেনাবাহিনী’র প্রত্যয়ী কন্ঠ সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ব্যথিত ম্লান মুখচ্ছবি ওদের। একেবারেই অসহায় ও বিপন্ন। অশীতিপরকে পরম শ্রদ্ধা বা শীর্ণ কাউকে মমতার পরশে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে উষ্ণতার অবলম্বন শীতবস্ত্র। ক্লান্ত ও দু:খের ভারে নত এসব ভাগ্যবিড়ম্বিত অসহায়ের পাশে মানবতার ঝুলি হাতে পাশে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আকাঙ্ক্ষিত ‘জনগণের সেনাবাহিনী’ উপহার দিতেই সুনামগঞ্জ থেকে সুন্দরবন; কুতুবদিয়া থেকে তেতুলিয়ায় একেকটি মানবিক মোহনীয় স্বপ্নের রচনা করছেন জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ’র নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী— এটাই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা। সুখে-দু:খে সব সময় দেশের মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে’ অবিসংবাদিত আন্তরিকতা আর নিজেদের চেতনার নির্যাসে প্রত্যয়ী কন্ঠ সেনাপ্রধানের।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) ১১ পদাতিক ডিভিশন এবং ৬৬ পদাতিক ডিভিশন’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ডুগডুগিরহাট এলাকা ও ফুলবাড়ী উপজেলার চকচকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ১ হাজার ৮০০ অসহায় ও দু:স্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে বিজয়ের মাসে মানবিক অনুভূতির গভীরতায় দৃঢ় সংকল্পের বার্তাই ছড়িয়ে দেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

জানা যায়, দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের বিশ্বমানের সেনাবাহিনীতে উন্নীত করতে শীতকালীন প্রশিক্ষণে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সেনা সদর ও সকল ফরমেশন পূর্ণাঙ্গরূপে মোতায়েন রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শনের পর মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ১১ পদাতিক ডিভিশন এবং ৬৬ পদাতিক ডিভিশন’র দায়িত্বপূর্ণ শীতকালীন প্রশিক্ষণ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আক্ষরিক অর্থেই মানসপটে ‘জনগণের বন্ধুু’ চিত্রপট এঁকে দিতে সেখানকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক করে তুলেছেন আরও ‘নিবিড়’।

দিনাজপুরেও সেনাপ্রধান স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ‘প্রশিক্ষণকালীন সময়ে সেনাবাহিনী তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে অসহায়, দুঃস্থ ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দিনাজপুর অঞ্চলের অসহায়, দু:স্থ ও গরীব-দু:খী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রশিক্ষণ এলাকায় অসহায়, দু:স্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণের এই মানবিক কার্যক্রম সর্বস্তরের মানুষের মাঝে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।’ তিনি মেধা, প্রজ্ঞা আর পেশাদারিত্বের গভীর অনুরণনে মানবিক পথচলায় উদ্দীপ্ত ও উজ্জীবিত করে তুলেছেন নিজ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শীতকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় অসহায়, দু:স্থ ও গরীব-দু:খী মানুষের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদানে ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে ওষুধ। ডায়াবেটিক, হাইপার টেনশন, সংক্রমিত চর্মরোগ, বায়ুবাহিত বিভিন্ন রোগ, গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসা সেবা ও বিশেষ পরামর্শ প্রদান এবং অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে চোখের ছানিসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেছে। পরিচালিত হচ্ছে বিনামূল্যে ‘কৃষক বান্ধব ভেটেরিনারি সেবা ক্যাম্পেইন’। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগীর বিনামূল্যে টিকা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি খামারীদের গবাদিপশু পালন, ব্যবস্থাপনা ও খামার স্থাপন সংক্রান্ত কারিগরি বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। সেবামূলক এই ক্যাম্পেইনটি খামারীদের মাঝে গবাদিপশু পালনে উৎসাহের সৃষ্টি এবং বেসামরিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলে মনে করছে আইএসপিআর।

সুসংগঠিত সেনাবাহিনীর আত্মপ্রকাশ, প্রস্তুত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়
সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সৈনিকদের দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে ‘কঠিন প্রশিক্ষণ সহজ যুদ্ধ’ নীতিতে জোর দিয়েছেন। শীতকালীন প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উচ্চারণ করেছেন ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা রক্ষার পাশাপাশি দেশ গঠনমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ড, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে সুখ্যাতি ও প্রভূত সুনাম অর্জন করেছে।

তিনি সৈনিকদের মনোবল উন্নত রেখে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকারও নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, ১১ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও বগুড়ার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. খালেদ-আল-মামুন, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও রংপুরের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

ফ্রান্সে গেলেন ড. ইউনূস, পেলেন ভিআইপি প্রোটোকল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সে গেলেন ড. ইউনূস, পেলেন ভিআইপি প্রোটোকল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সোয়া ৭টায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন। পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ট্রানজিট নিয়ে তার প্যারিসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিমানবন্দরে তিনি ভিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঢাকা পোস্টকে জানান, সকালে ড. ইউনূস টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

বিমানবন্দর সূত্র তার প্যারিসে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। তবে তার এ সফরের উদ্দেশ্য বা নির্ধারিত কর্মসূচি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬০ জনে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৭২ জন শিশু এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে দুইজন ঢাকা বিভাগে, দুইজন ময়মনসিংহ বিভাগে এবং একজন রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

একই সময়ে নতুন করে ৯৩৩ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৮৫ জন ঢাকা বিভাগের। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৬ জন, বরিশাল বিভাগে ১৪০ জন এবং খুলনা বিভাগে ৯৮ জন শিশু ভর্তি হয়েছে।

তবে আশার খবর হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১০৩ জন শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর গত ৭৩ দিনে মোট ৬৭ হাজার ৭৯ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬৩ জন। নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮৩৪ জনের শরীরে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৯ হাজার ৯০৩ জন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

২৭ রুটের ২৬টিতেই বাড়তি ভাড়া, অতিরিক্ত আদায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
২৭ রুটের ২৬টিতেই বাড়তি ভাড়া, অতিরিক্ত আদায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা

ঈদযাত্রাকে ঘিরে দেশের ২৭টি দূরপাল্লার রুটের মধ্যে ২৬টিতেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনটি বলছে, এসব রুটে বাস ও মিনিবাসের প্রায় দুই লাখ ৩৪ হাজার যাত্রীর কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে। যার পরিমাণ ৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

বুধবার (২৭ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিটিসার্ভিস ও দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। একই ধরনের নৈরাজ্য নৌপথের বেশিরভাগ রুটেও দেখা যাচ্ছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, সংগঠনটির পর্যবেক্ষকদের কাছে বিভিন্ন বাসের চালক ও হেলপাররা অভিযোগ করেছেন, ‘পরিবহন শ্রমিকদের বেতন ও ঈদ বোনাস কার্যকর না থাকায় তারা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে বাধ্য হচ্ছেন।’

সমিতি বলছে, ঈদযাত্রা মনিটরিং কমিটিতে বাস মালিক সমিতি ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাব থাকায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সত্ত্বেও যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিভিন্ন রুটে নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে। ঢাকা-খুলনা রুটে ৫৪১ টাকার ভাড়া ১,০০০ টাকা, ঢাকা-বরিশাল রুটে ৫৯২ টাকার ভাড়া ৮৫০ টাকা এবং একই রুটে বিআরটিসির দোতলা বাসে ৭০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে ৫৭০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১,০০০ টাকা এবং ঢাকা-শরীয়তপুর রুটে ২৩৩ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৫০০ টাকা।

এছাড়া চট্টগ্রাম-বরগুনা রুটে ১,১৯৭ টাকার ভাড়া ১,৮০০ টাকা, ঢাকা-মাদারীপুর রুটে ২৫০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা, ঢাকা-ফরিদপুর রুটে ৩০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা এবং ঢাকা-দিনাজপুর রুটে ৬০০ টাকার ভাড়া ৯০০ টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম-বগুড়া রুটে ১,০০০ টাকার ভাড়া ১,৮০০ টাকা এবং চট্টগ্রাম-গাইবান্ধা রুটে ১,১০০ টাকার ভাড়া ২,২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ফেনী, ঢাকা-কুমিল্লা, ঢাকা-যশোর, ঢাকা-ঝিনাইদহ, ঢাকা-মাগুরা, ঢাকা-কুষ্টিয়া, ঢাকা-ভাঙ্গা, ঢাকা-পিরোজপুর, ঢাকা-টেকেরহাটসহ বিভিন্ন রুটেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলছে, ৫২ আসনের বাসে জালিয়াতির মাধ্যমে ৪০ আসনের ভাড়ার তালিকা টানানো হয়েছে। আবার স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের কাছ থেকেও শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পূর্ণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

তবে সরকারের কঠোর অবস্থান এবং বাস মালিক সমিতির কিছু তৎপরতার কারণে গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবারের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনটি আরও বলছে, নিম্ন আয়ের মানুষ কম ভাড়ায় যাতায়াতের জন্য বাস ও ট্রেনের ছাদে, পণ্যবাহী ট্রাক কিংবা খোলা ট্রাকে ভ্রমণে বাধ্য হচ্ছেন। এতে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বাড়ছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গণপরিবহনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাড়া আদায় চালু, নগদ লেনদেন কমানো, চালকদের বেতন ও ঈদ বোনাস নিশ্চিত, সড়ক-মহাসড়কে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ই-প্রসিকিউশন চালু এবং আইনের সুশাসন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে যাত্রীকল্যাণ সমিতি।

এছাড়া ঈদযাত্রা মনিটরিং কমিটি থেকে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনকে বাদ দিয়ে পুরো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সরকারের হাতে রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

কালের আলো/এসআর/এএএন