খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামাননের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার মন্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুপক্ষের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগসহ বাংলাদেশি প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

এদিকে শিগগিরই শ্রমবাজারটি উন্মুক্তো হওয়া সম্ভাবনা থাকলেও কলিং সংক্রান্ত এটাস্টেশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়া দূতাবাসের শ্রম শাখার কাউন্সেলরসহ একাধিক কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

উল্লেখ্য, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৩১ মে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় যাওয়া বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের শেষ সুযোগ ছিল। এরপর থেকে মালয়েশিয়ায় কার্যত বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। শেষ মুহূর্তে যেতে না পারা প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর ব্যাপারে দফায় দফায় বৈঠক হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ড. ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলে সম্ভাবনা জোরালো হলেও মাত্র ৫০ জন শ্রমিক সে দেশে যেতে পেরেছিলেন।

বন্ধ থাকা শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকি মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। সে সময় দেশটি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে এজেন্সি গুলোকে ১০টি শর্ত জুড়ে দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শ্রমবাজারটি পুনরায় চালু করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয় ১০টি শর্ত শিথিলের অনুরোধ জানিয়েছেন মালয়েশিয়াকে। প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর গণমাধ্যমে এমনটাই জানিয়েছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় তেলের বাজারে এখন সরবরাহ ও চাহিদা নিয়ে আলোচনা বেশি। এ অবস্থায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। খবর : রয়টার্স

মঙ্গলবার (জিএমটি ০০:৪৬) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৮ সেন্ট বা ০.৩৯ শতাংশ বেড়ে ৭২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছায়। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৯ সেন্ট বা ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৮ দশমিক ৮৪ ডলারে ওঠে। এর আগের দিন দাম ইরান সংঘাত-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছিল।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, তেলের সরবরাহ পুনরুদ্ধারের ফলে তাৎক্ষণিক ঝুঁকির মানসিকতা কিছুটা কমেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের অনিশ্চয়তার কারণে বর্তমান যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে বাজার এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার এক বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ওয়াশিংটন হয় ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, নয়তো “কাজ শেষ করবে”। তার এই মন্তব্য নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নৌপরিবহন পরিস্থিতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাত জুন মাসে দৈনিক ৩৮ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছে, যা এপ্রিল ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ এবং ইরান সংঘাতের আগের সময়ের চেয়েও বেশি।

টিম ওয়াটারার বলেন, এখন বাজারের প্রধান নজর থাকবে চীনের চাহিদা পুনরুদ্ধারের ওপর। ইতোমধ্যে সরবরাহ বৃদ্ধির ইতিবাচক খবরের অনেকটাই দামে প্রতিফলিত হয়েছে। ফলে আগামী দিনে তেলের দামের গতিপথ নির্ভর করবে প্রকৃত চাহিদা সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে কি না।

অন্যদিকে, রাশিয়াসহ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস (OPEC+) আগস্ট থেকে দৈনিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা আরও ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুন ও জুলাই মাসেও একই ধরনের উৎপাদন বৃদ্ধি কার্যকর করা হয়েছিল।

এছাড়া সৌদি আরব এশিয়ার ক্রেতাদের জন্য আগস্ট মাসে তাদের প্রধান আরব লাইট ক্রুডের সরকারি বিক্রয়মূল্য (ওএসপি) ওমান/দুবাই গড় মূল্যের তুলনায় ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৫০ ডলার কমিয়েছে। আগের মাসের তুলনায় এটি ১ দশমিক ১০ ডলারের হ্রাস, যা দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মূল্যছাড়।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা ও কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী, বিশেষ করে অফিসগামী মানুষ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে নগরীর অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ভারী বৃষ্টির পর নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমতে শুরু করে। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও আবার এর চেয়েও বেশি পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, কাজির হাট, হালিশহর, চান্দগাঁও, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, আকমল আলী রোড, পতেঙ্গা ও কুয়াইশ এলাকার বাসিন্দারা। এসব এলাকার অনেক বাসা ও দোকানে পানি ঢুকে গৃহস্থালির জিনিসপত্র ও ব্যবসায়িক মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়। চকবাজারের বিভিন্ন অলিগলিও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়।

জলাবদ্ধতার কারণে অফিসগামী মানুষের দুর্ভোগ ছিল সবচেয়ে বেশি। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন মোড়ে যানজট দেখা দেয়। অনেককে প্যান্ট গুটিয়ে, জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকটও দেখা দেয়। ফলে অনেক কর্মজীবী নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেননি।

চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে অফিসে বের হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকতে হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বাকলিয়ার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, সকালে বৃষ্টির পর বাসার নিচতলায় পানি ঢুকে যায়। আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখতে হয়েছে। এত প্রকল্পের পরও জলাবদ্ধতার কোনো স্থায়ী সমাধান দেখছি না।

আগ্রাবাদের ব্যবসায়ী আবদুল কাদের বলেন, দোকানে পানি ঢুকে কিছু মালামাল নষ্ট হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ব্যবসায় লোকসান গুনতে হয়।

আকমল আলী রোড এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে অলিগলিতে পানি আর পানি। অনেকে ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন। অনেক বাসায় পানি ঢুকেছে। মানুষের ভোগান্তি কখন শেষ হবে জানি না।

মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকালের বৃষ্টিতে বাসার নিচতলায় পানি। এখন ঘরবন্দি হয়ে পড়েছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শুধু চলাচলই ব্যাহত হয় না, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নগরীর পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

আমবাগান আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ বিজন রায়  বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিনদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হলেন ড. ফাহমিদা খানম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমকে মন্ত্রণালয়টির ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে বর্তমান সচিব মোহা. রায়হান কাওছারকে ওই পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার(৬ জুলাই)  এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ড. ফাহমিদা খানম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। কর্মজীবনে তিনি পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

এর আগে তিনি জাতীয় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের (ন্যাকসিআই) নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি