খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পেট্রোল নেই, অকটেন নেই—পরিস্থিতি ওরকম না : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
পেট্রোল নেই, অকটেন নেই—পরিস্থিতি ওরকম না : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

পেট্রোল নেই, অকটেন নেই, একেবারে খারাপ অবস্থা—পরিস্থিতিটা ওরকম না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহজনিত কিছুটা সমস্যা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমাদের মধ্যে এই ভীতি বা সংশয় আছে যে, জ্বালানির সরবরাহ কি অনেক কমে গেছে? যে আমরা এত বড় লাইন দেখছি, এটা কি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না? কোয়েশ্চেন এটা। যদি আমরা তুলনা করি, ২০২৫ এবং ২০২৬-এর মধ্যে। ডিজেল ২০২৫ সালে সরবরাহ করা হয়েছিল ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮ টন। আর গত মার্চে সরবরাহ করা হয়েছিল ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫১২ টন। কিছুটা কমেছে তো বটেই, কিন্তু সেটা খুব সিগনিফিক্যান্টলি কমে গেছে তা না। অকটেন ৩৬ হাজার ৯৮২ টন ছিল ২০২৫ এর মার্চে। মানে আমরা দুটো বছরের মার্চকে তুলনা করছি।

অকটেনের সরবরাহ বরং খানিকটা বেড়েছে ৩৭ হাজার ৪৩৯ টন- এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, পেট্রোলে গত বছরের মার্চে ছিল ৪৬ হাজার ৩৭১ টন, এটা এই মার্চে হলো ৩৯ হাজার ৯৯৮ মেট্রিক টন। এটার সরবরাহ কিছুটা কমেছে। তার মানে আমরা এটা বলতে চাই আমাদের সরবরাহজনিত কিছুটা সমস্যা আছে, কিছুটা।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ৪৬ হাজার থেকে যখন ৩৯ হাজার হয়, ৭ হাজার কমে আসে। ৭ হাজার কমে এলে এটা ১০ পারসেন্টের খানিকটা বেশি, ১৫ পারসেন্টের মতো একটু কম সরবরাহ আছে। এটা বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় খুব আনইউজুয়াল না। কিন্তু এই যে পেট্রোল নেই, অকটেন নেই, একেবারে খারাপ অবস্থা—পরিস্থিতিটা ওরকম না।

তিনি বলেন, অনেকেই আশঙ্কার কথা বলেছেন, অবৈধ মজুত, যেটা হচ্ছে সেটার কারণ খারাপ উদ্দেশ্য আছে। কারোর খারাপ উদ্দেশ্য আছে, সেটা হচ্ছে তারা কেউ কেউ পাচার বা বেশি মূল্যে বিক্রি করতে চান। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বাড়ি বা বিভিন্ন স্থানে পণ্য বেশি মজুত থাকার বিষয়টি পাচারের সম্ভাবনার একটি পরিস্থিতিগত ইঙ্গিত হিসেবে ধরা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

উপদেষ্টা আরও জানান, অনেকেই যৌক্তিকভাবে প্রশ্ন তুলছেন—পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় আমাদের জ্বালানির দাম কম হলে পাচারের ঝুঁকি থাকে। তবে এর চেয়েও বড় বিষয় হলো মানুষের শঙ্কা; ভবিষ্যতের চিন্তায় অনেকেই অতিরিক্ত কিনে মজুত করছেন। অর্থাৎ মূলত এটি প্যানিক বায়িং ও মজুত করার প্রবণতা।

জ্বালানি তেল অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে অভিযানের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যে এপ্রিলে অভিযান সংখ্যা ৭৪টি, মামলার সংখ্যা ১১৪টি। অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এরকম আমরা প্রচুর পাচ্ছি।

তিনি বলেন, মজুত সংক্রান্ত তথ্য আপনাদেরকে একটু দিয়ে রাখ। এপ্রিলের ৬ তারিখ পর্যন্ত সকালের মজুতের ছিল ডিজেল ১ লাখ ১৪ হাজার ১২২ টন, অকটেন ১০ হাজার ১৫১ টন, পেট্রোল ১৩ হাজার ৮০৫ টন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের থেকেই বড় অঙ্কের ভর্তুকি জমা আছে। দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই এই খাতে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বোঝা ছিল, যা জ্বালানি মন্ত্রীও উল্লেখ করেছিলেন। এখনো এই ভর্তুকি চালু আছে এবং জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে আরও ভর্তুকি বাড়াতে হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে বকেয়ার পরিমাণও অনেক জানিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র (আইপিপি)-এর কাছে বকেয়া ২০ হাজার ২৭২ কোটি টাকা, আদানি পাওয়ার-এর কাছে ২ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা, জয়েন্ট ভেঞ্চারে ৬ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা, পেট্রোবাংলা-এর কাছে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকা এবং সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর কাছে ৭ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা।

সব মিলিয়ে বড় ধরনের ভর্তুকির চাপ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার চেষ্টা করছে এই চাপ ম্যানেজ করতে, যাতে সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব যতটা সম্ভব কম রাখা যায়—তবে কিছুটা চাপ থাকবেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখতে চাইছি। জ্বালানির মূল্য সারা পৃথিবীর অনেকে বাড়ালেও আমরা অন্তত আরও একমাসের জন্য বাড়াচ্ছি না। আমরা আরেকটু অপেক্ষা করতে চাইছি। নতুন সরকার জ্বালানির মূল্য বাড়িয়ে যে সংকটগুলো হতে পারে সেটা না করে দেখা। যদি সংকট বাড়তে থাকে এই অফিস বলেন বা মার্কেট বলেন সব ক্ষেত্রেই আমরা হয়তো আরও টাফার (কঠিন) সিদ্ধান্ত নেব বা নিতে হতে পারে। এটা গুরুত্বপূর্ণ কেন নিচ্ছি, নিয়ে কি অর্জন করছি এই বার্তাগুলো জনগণের কাছে ভালোভাবে কমিউনিকেট করতে হবে, আপনাদের মাধ্যমে আমরা সেই চেষ্টা অবশ্যই করবো।

কালের আলো/এসএকে

প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
প্রথম ধাপে ১ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে বিনামূল্যে জুতা

Oplus_131072

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় আকারের একটি সহায়তা কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। এর আওতায় প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে উন্নত মানের জুতা দেওয়া হবে। প্রতিটি উপজেলার দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় আসবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জুতা প্রস্তুতকারী ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যার মাধ্যমে প্রথম ধাপে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে মানসম্মত স্কুল জুতা বিতরণ করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশের বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিএসআর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারকে অনুদান দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই এই উদ্যোগটি শুধু একটি বিতরণ কর্মসূচি না হয়ে শিশুদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সমন্বিত সহায়তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এজন্য জুতার মান, স্টাইল ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জুতার গুণগত মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকলে সেটি শিশুদের মধ্যে অসম অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য মান নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক উপজেলায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের (প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী) জুতা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে সীমিত পরিসরে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পাইলট হিসেবে বাস্তবায়ন করা যায়।

এ সময় তিনি টেকনিক্যাল ও কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ, লেদার ইন্সটিটিউট ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সহযোগী প্রতিটি কোম্পানির একজন প্রতিনিধি রাখার নির্দেশনা দেন এবং ডিজাইন, কোয়ালিটি চেকিং, সার্টিফিকেশন সবকিছু যেন আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হয়, সেজন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সম্পৃক্ত রাখার কথাও বলেন।

কালের আলো/এসএকে

শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
শর্তে রাজি না হলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধই থাকবে : প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া শর্তে রাজি না হলে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর।

বুধবার (৬ মে) অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা ব‌লেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২-এ চালু হলে ২৪-এ বন্ধ হয়, যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিল, তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল; যে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫টি থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

নূরুল হক বলেন, পরবর্তীতে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম, যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই, তবে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবেই থাকবে।

তিনি ব‌লেন, আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছেন যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএকে

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে