খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

শাপলা হত্যাকাণ্ড: ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
শাপলা হত্যাকাণ্ড: ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার যে হত্যাযজ্ঞ চালায়, এর তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকউটর আমিনুল ইসলাম। তদন্তে শুধু ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩ মে) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এই কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, তদন্তে শাপলা চত্বরের অভিযানে ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত শেষ পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

তিনি জানান, তদন্ত শেষ পর্যায়ে। ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এছাড়া এই ঘটনায় অর্থের যোগানদাতাদেরও আসামি করা হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

এক যুগের বেশি সময় আগে রাজধানীতে সংঘটিত আলোচিত সেই হত্যাকাণ্ডে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা এ অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় দুই মাস বাড়িয়েছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় ব্লগাররা ধর্মীয় অবমাননা ও হজরত মুহাম্মদ সা. সম্পর্কে কটূক্তি এবং আপত্তিকর লেখালেখি করার প্রতিবাদে হেফাজত ইসলাম ১৩ দফা দাবি সরকারের কাছে দেয়। সরকার দাবি না মানায় ২০১৩ সালে ৫ মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে রাস্তায় অবস্থান নেয় তারা। ওইদিন রাত ১১টা থেকে পরের দিন বেলা ১১টা পর্যন্ত রাস্তা ও বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে শেখ হাসিনার মদদে আসামিরা যোগসাজশে নিরীহ মাদরাসাছাত্র ও পথচারীদের ওপর গণহত্যা চালায়। তাদের হত্যা করে লাশগুলো সিটি করপোরেশনের গাড়িতে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে গুম করে। এসময় বহু মাদরাসাছাত্র হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাদের অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা ও জিডি করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা নেয়নি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

খাল খননের মাধ্যমে সারাদেশে অবৈধ দখল মুক্ত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

চাঁদপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
খাল খননের মাধ্যমে সারাদেশে অবৈধ দখল মুক্ত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অতিগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খাল খনন। জনস্বার্থে এ কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

সারাদেশে এ খাল খননের মাধ্যমে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখল মুক্ত হবে। অবৈধ দখলমুক্ত করতে গিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। ওইসব বিষয়গুলো আমরা জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মোকাবিলা করবো।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৬ মে সদরের শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে বিশ্ব খাল খনন উদ্বোধনী স্থান পরির্দশন করেন।

মন্ত্রী বলেন, সারাদেশের খালগুলো খালের স্থানেই রয়েছে। কেউ যদি অবৈধভাবে কোনো কিছু গড়ে তুলে, স্বাভাবিকভাবে তাকে ওই স্থান থেকে তা উঠিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাকি আইনগতভাবে মোকাবিলা আমরা করব। তবে আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য মহৎ। নতুন আঙ্গিকে ও নতুন উদ্যোমে একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এর জন্য সবার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউ রহমান খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। যা ছিলো একটি আন্দোলন ও বিপ্লব। সেই ধারাবাহিকতায় তার জ্যেষ্ঠ সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের কয়েকটি স্থানে খালন খনন উদ্বোধন করেছেন। আবার অনেক জেলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরা কার্যক্রম শুরু করেছেন। একযোগে এই খাল খনন জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং জনগণ এর সুবিধা পাচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ বছর এই খাল খনন কর্মসূচি পড়েছিলো। কোনো সরকার এসব কর্মসূচির উদ্যোগ নেননি। যার ফলে অনেক জায়গায় খালের পাড়ে জমি দখল হয়েছে। খালের মধ্যে বর্জ্য কিংবা আবর্জনা স্তূপ হয়ে আছে। এগুলোকে আমরা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ দখল বলতে পারি।

এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমাসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর চাঁদপুর সফর উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মার্কিন দূতাবাসের কূটনীতিকের সঙ্গে এনসিপির বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ
মার্কিন দূতাবাসের কূটনীতিকের সঙ্গে এনসিপির বৈঠক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কার্যালয়ে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট।

বুধবার (৬ মে) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এনসিপি জানিয়েছে, বৈঠকে দেশের বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় পক্ষ পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অ্যাসিস্ট্যান্ট পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট মো. ইকবাল মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এনসিপির পক্ষ থেকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আয়মান রাহাত এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সদস্য সচিব আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধিদলকে এনসিপির কার্যালয় ঘুরে দেখান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে : বিমান প্রতিমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে : বিমান প্রতিমন্ত্র

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ও সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বগুড়া বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। বগুড়াবাসী সত্যিই ভাগ্যবান। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও এভিয়েশন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে বগুড়া বিমানবন্দরকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি ও কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজকের এই পরিদর্শন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসএকে