খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা দিয়ে ঢাকায় ট্রাফিকের অটো মামলা শুরু

Oplus_131072

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় এখন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ডিজিটাল প্রসিকিউশন ব্যবস্থা কার্যকর হয়। এতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট মালিক ও চালকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, সড়কে আইন অমান্য করলেই এখন থেকে অটো মামলা রেকর্ড হবে। নোটিশ ডাকযোগে পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রক্রিয়া নেওয়া হতে পারে।

এর আগে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার স্বাক্ষরিত গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, লাল সিগন্যাল অমান্য, উল্টো পথে চলাচলসহ বিভিন্ন অপরাধে ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না। কোনো প্রতারণামূলক বার্তা পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে এআই-সমর্থিত ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

কালের আলো/এসএকে

নবজাতক বাঁচলেও ফিরলেন না মা, ভুল রক্ত প্রয়োগের অভিযোগ

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
নবজাতক বাঁচলেও ফিরলেন না মা, ভুল রক্ত প্রয়োগের অভিযোগ

বগুড়ায় সিজারের সময় ভুল রক্ত প্রয়োগ ও চিকিৎসাগত অবহেলার অভিযোগে অহনা (১৯) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে।তবে, মায়ের মৃত্যু হলেও নবজাতক বেঁচে আছে। শনিবার (৩০ মে) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত অহনা বগুড়া শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপালশা চৌকিরপাড় এলাকার বাসিন্দা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্তান প্রসবের জন্য অহনাকে শহরের খান্দার এলাকার সুস্বাস্থ্য নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। তবে, অপারেশনের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসার সময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রোগীর রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে ভুল তথ্য দেয়। বারবার জানতে চাইলেও রোগীর রক্তের গ্রুপ ‘বি’ পজিটিভ বলে জানানো হয়।

ওই তথ্যের ভিত্তিতেই রক্ত সংগ্রহ ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে রোগীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অহনাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে পরীক্ষা করে তার রক্তের গ্রুপ ‘ও’ পজিটিভ পাওয়া যায়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বাবা আব্দুস সালাম ও মা অভিযোগ করেন, ভুল রক্ত প্রয়োগ এবং চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই তাদের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

নিহতের স্বামী মৃদুল ইসলাম বলেন, আমার সুস্থ স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফেরার স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু চিকিৎসায় অবহেলার কারণে আমার স্ত্রীকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ঘটনার পর থেকে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে ক্লিনিকে গিয়ে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে বগুড়ার সিভিল সার্জন খুরশীদ আলম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখলেও তার মা আর সন্তানের মুখ দেখে যেতে পারলেন না।

ঘটনাটি ঘিরে স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পুরোনো রূপে ফিরছে ঢাকা, বেড়েছে গণপরিবহন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
পুরোনো রূপে ফিরছে ঢাকা, বেড়েছে গণপরিবহন

ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছু টি শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। ফলে ঢাকার সড়কে বাড়তে শুরু করেছে গণপরিবহন। আবারও নিজস্বরূপে ফিরতে শুরু করেছে রাজধানী।

রোববার (৩১ মে) ঢাকার কয়েকটি এলাকায় দেখা গেছে, সড়কে যান চলাচল সীমিত। তবে বিগত কয়েকদিনের তুলনায় আজ সড়কে যানবাহনে উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতিও বেড়েছে। তবে কোথাও কোনো যানজট ও সিগনালে গাড়ির দীর্ঘ অপেক্ষা চোখে পড়েনি। বাসের জন্য যাত্রীর অপেক্ষার দৃশ্যও সেভাবে চোখে পড়েনি।

বৈশাখী পরিবহনের চালকের সহকারী রশিদ বলেন, ঈ দের ছু টি শুরুর পর থেকে যাত্রী নেই। আজও যাত্রী কম। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ রাস্তায় গাড়ি বেড়েছে।

সাভার পরিবহনের চালকের সহকারী সবুজ বলেন, মানুষ ঢাকায় ফেরা শুরু করেছে। আজ অধিকাংশ মানুষ চলে আসবে। আশা করি কাল থেকে যাত্রীর চাপ বাড়বে।

শুভযাত্রা পরিবহনের চালকের সহকারী মারুফ বলেন, যেসব গাড়ি ঈ দের ছু টির কারণে বসেছিল, আজ অধিকাংশ গাড়িই বের হয়েছে। ঢাকার মধ্যে তো আজও যাত্রী নেই। বেশিরভাগ কোম্পানির গাড়ি আজ লোকাল ভাড়া মারবে। ফাঁকা গাড়ি নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে চলে যাবে, সেখান থেকে ফু ল গাড়ি ভর্তি যাত্রী নিয়ে চলে আসবে। সব গাড়ি ঢাকার মধ্যে চললে কি তে ল খরচ উঠবে। কাল থেকে ঢাকার ভেতরে যাত্রীর চাপ বাড়বে।

কালের আলো/এসএকে/এমএসআইপি 

নৌপথের পুরনো ঐতিহ্য ফেরাতে চায় সরকার: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ২:১০ অপরাহ্ণ
নৌপথের পুরনো ঐতিহ্য ফেরাতে চায় সরকার: নৌ প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

সরকার দেশের নৌপথের পুরনো ঐতিহ্য ফেরাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজিব আহসান বলেন, আমরা যদি লঞ্চঘাটের পন্টুনগুলোর আধুনিকায়ন করতে পারি ও সেই সঙ্গে ড্রেজিং করে নদী পথগুলো সচল রাখতে পারি, তাহলে নৌপথের পুরনো ঐতিহ্য ফিরে আসবে এবং এর সুফল জনগণই পাবে।

তিনি আরও বলেন, শতবছরের পুরনো স্টিমারগুলো বারবার মেরামত করা হয়েছে। বর্তমানে একটি সচল থাকলেও বাকিগুলো নৌপথে চলাচলের জন্য উপযোগী নয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হয়। তবে এসব ঐতিহ্যবাহী স্টিমারকে বিকল্প পদ্ধতিতে কীভাবে জনসেবায় কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই নৌপথ তার পুরনো ঐতিহ্যে ফিরে যাক। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার বাহন হিসেবে ফিরে আসুক। সে লক্ষ্যে নৌ মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, সদস্য প্রকৌশল রকিবুল ইসলাম তালুকদার, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী, জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান আকাশ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

কালের আলো/এসএকে