খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিচারকরা স্বাধীন বলেই গ্রেফতারের পরদিনই তারা জামিন পান: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
বিচারকরা স্বাধীন বলেই গ্রেফতারের পরদিনই তারা জামিন পান: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা করা হবে। তবে দেশজুড়ে বিচারক ও আইনজীবী সংকটের কারণে অনেক সময় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

‘আইন মন্ত্রণালয় থেকে আদালত নিয়ন্ত্রণ করা হয়’ এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর এমন বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যা বলেছেন, তা আদালত অবমাননার শামিল। বিচারকরা বিচারকাজে সম্পূর্ণ স্বাধীন। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছেন বলেই তাদের (এনসিপি) নেতারা মামলায় গ্রেফতারের  পরদিনই জামিন পেয়েছেন।’

বাংলাদেশের বিচারকরা অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন দাবি করে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে মামলার জট রয়েছে। কারণ, বিচারকের সংকট আছে। একই সঙ্গে ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার মতো দক্ষ আইনজীবীর সংখ্যাও কম। ফলে মামলার জট কমানো যাচ্ছে না।

এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যকে রাজনৈতিক আখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি ঝিনাইদহে এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে যা ঘটেছে, সেখানে পুলিশের দায়িত্বশীলতার কোনো ঘাটতি ছিল না। বিচারকরাও স্বাধীনভাবে এ বিষয়ে কাজ করেছেন। কাজেই বিভ্রান্তি ছড়িয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা এসব কথা বলছেন।

এর আগে সকালে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাসিক সমন্বয় সভায় অংশ নেন আইনমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে মাগুরার ডিসিকে

মাগুরা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে মাগুরার ডিসিকে

মাগুরার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেল তিনটার দিকে তাকে ঢাকা নেওয়া হয়।

এর আগে রোববার (১৪ জুন) কয়েকটি সরকারি কর্মসূচি শেষে রাতে তিনি তীব্র অসুস্থতা অনুভব করেন। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবীর জানান, জেলা প্রশাসক শ্বাসকষ্ট, গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা এবং পেটের স্নায়ুজনিত কিছু জটিলতায় ভুগছেন। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমরা তাকে ঢাকায় প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিই।

জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, গত দুই দিন ধরেই তিনি কিছুটা অসুস্থ বোধ করছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসকের আকস্মিক অসুস্থতায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা : সংসদে সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হয়েছে ২১৩ কোটি টাকা : সংসদে সেতুমন্ত্রী

গত তিন বছরের বেশি সময়ে দেশের সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ও তাদের পরিবারকে মোট ২১৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সরকার। ২০২৩ সাল থেকে শুরু করে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সময়ে মোট ৫ হাজার ৮৪ জন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় সেশনের সপ্তম কার্যদিবসে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই তথ্য জানান। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।

সংসদে দেওয়া মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সরকারি এই আর্থিক সহায়তার আওতায় সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষের পরিবারগুলো। মোট ৩ হাজার ৮৮১ জন নিহত ব্যক্তির পরিবারকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৮২৯ জন এবং গুরুতর আহত আরও ৩৭৪ জন ব্যক্তি সরকারের এই কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

‘পাথর মেরে’ নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
‘পাথর মেরে’ নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক

Oplus_131072

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দিয়েছে সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, নেতানিয়াহু আসন্ন সাধারণ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারেন। আর এমনটি হলে তাকে ‘লাঠি ও পাথর’ মেরে ক্ষমতা থেকে বিতাড়ন করতে হবে বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। তার এই মন্তব্য ঘিরে ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। খবর বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

রোববার (১৪ জুন) ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বারাক বলেন, ‘আমার আশঙ্কা, নেতানিয়াহু নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারেন এবং তিনি খুব সহজেই তা করতে পারবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি তিনি এমন চেষ্টা করেন, তাহলে তাকে লাঠি ও পাথর দিয়ে মেরে সরিয়ে দেয়া ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় থাকবে না।’

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু ২০২২ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে বর্তমান সরকার পরিচালনা করছেন। তার নেতৃত্বাধীন জোটকে ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সবচেয়ে কট্টরপন্থি সরকারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের মেয়াদ চলতি বছরের অক্টোবরে শেষ হবে। সেই অনুযায়ী দেশটিতে আগামী নির্বাচন সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে হওয়ার কথা রয়েছে।

বারাকের দাবি, নেতানিয়াহু লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেন, যাতে হিজবুল্লাহ ও ইরান পাল্টা হামলা চালায় এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু অন্তহীন যুদ্ধ চান। কারণ তিনি বোঝেন, যুদ্ধ শেষ হলে তার বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এগোবে।’

এহুদ বারাক আরও অভিযোগ করেন, ‘যেভাবে তিনি (নেতানিয়াহু) হামাসের সঙ্গে কিছু বন্দি বিনিময় চুক্তি বাধাগ্রস্ত করেছেন, একইভাবে লেবানন ইস্যুতেও অগ্রগতির সম্ভাবনা আটকে দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহু ইসরায়েলে দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি রয়েছেন। এহুদ বারাক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গড়ে ওঠা সমঝোতারও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এক কথায়— খারাপ। দুই কথায়— (এই চুক্তি) খুবই খারাপ।’

তার মতে, ‘নেতানিয়াহুর ঔদ্ধত্য ও দূরদর্শিতার অভাবের মূল্য এখন ইসরায়েলকে দিতে হচ্ছে’। বারাকের দাবি, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কোনও লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি।’

এদিকে এহুদ বারাকের এই মন্তব্যের পরপরই নেতানিয়াহুর মিত্রদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। লিকুদ পার্টির আইনপ্রণেতা এবং নেসেটের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান বোয়াজ বিসমুথ বারাকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্তের দাবি জানান।

এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেছেন বারাক’। বিসমুথ আরও বলেন, ‘তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো উচিত। আর যদি মানসিকভাবে সুস্থ প্রমাণিত হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা উচিত।’

কালের আলো/এসএকে