খুঁজুন
                               
, ,
           

পারিবারিক আদালতে মামলা জট

আদালত প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
পারিবারিক আদালতে মামলা জট

পারিবারিক আদালতে সাধারণত বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও হেফাজত এবং মুসলিম পারিবারিক আইনের অধীনে উদ্ভুত অন্যান্য বিরোধের নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মাত্র তিনটি পারিবারিক আদালত ছিল। সেটি এখন বেড়ে উন্নীত হয়েছে ১৪টিতে। কিন্তু মামলার জট কমেনি, উল্টো বেড়েছে। আদালতে ১১ হাজার ৯৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। একেকটি আদালতে গড়ে ৮৫২টি মামলা বিচারাধীন। এতে করে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তির অবসান হচ্ছে না।

পারিবারিক আদালতে মামলা বাড়ার বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফারহানা জামান বলেন, ‘সমাজে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা বেড়েছে। নারীদের শিক্ষা ও তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও বিবাহবিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ এখন নিজের ইচ্ছাকে বেশি প্রাধান্য দেয়। আপস করার মানসিকতা কমে গেছে। এতে পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব কমছে।’

আদালত সূত্র জানায়, বর্তমানে পারিবারিক আদালত-১-এ এক হাজার ২৭টি, আদালত-২-এ এক হাজার ৭৮৩টি, আদালত-৩-এ এক হাজার ১৮টি, আদালত-৪-এ ২৯১টি, আদালত-৫-এ ৫১টি, আদালত-৬-এ ২ হাজার ৮৭০টি, আদালত-৭-এ ৯৯৬টি, আদালত-৮-এ এক হাজার ১০৪টি, আদালত-৯-এ ৩৯২টি, আদালত-১০-এ ৭৬৭টি, আদালত-১১-এ ৬২৯টি, আদালত-১২-এ ১৫২টি, আদালত-১৩-এ এক হাজার ৮৭টি এবং আদালত-১৪-এ ৫৯৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পারিবারিক বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য পাঁচটি আপিল আদালতও রয়েছে। বিচারকরা ছুটিতে থাকায় বা পদ শূন্য থাকার কারণে প্রায়ই মামলা বিলম্বিত হয়। অন্যদিকে বিবাদীরা বিচারিক কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করতে বারবার সময়ের আবেদন করেন, যা বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তির কারণ হয়। একটি মামলা শেষ করতে জীবন থেকে হারিয়ে যায় এক-দুই দশক। সময় বেশি লাগে দেনমোহর ও ভরণপোষণের মামলাগুলোতে। বিবাদী পক্ষ উচ্চ আদালতের দোহাই দিয়ে সময় ক্ষেপণ করে। মামলার দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির জন্য উভয়পক্ষের সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অ‌ভিনন্দন তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অ‌ভিনন্দন তারেক রহমানের

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) এক চিঠিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তি‌নি অভিনন্দন জানান।

চি‌ঠি‌তে তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে, লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যের (গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনার এই নির্বাচন আপনার দল এবং যুক্তরাজ্যের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক ও বহুমুখী অংশীদারত্ব বিদ্যমান, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, কমনওয়েলথ নীতি এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে।

চি‌ঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাজ্য-প্রবাসী প্রাণবন্ত বাংলাদেশি সম্প্রদায় বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলেছে এবং উভয় দেশের সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যময়তায় অমূল্য অবদান রাখছে।

আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং উভয় দেশ ও জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে সম্প্রসারিত করতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করি।

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তা‌রেক রহমান। তি‌নি বলেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমি আপনাকে সশ্রদ্ধ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

আপনার সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ এবং আপনার পদের গুরুদায়িত্ব পালনে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কামনা করছি। আমি যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। মহামান্য, অনুগ্রহ করে আমার গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও সর্বোচ্চ বিবেচনার বিষয়টি গ্রহণ করুন।

উল্লেখ্য, সোমবার যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রান্তিক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবেন—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম তিনি মন্ত্রণালয়ের অডিটোরিয়ামে গিয়ে বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকের শুরুতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জবাবে তাঁরা স্বাস্থ্য খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অতীতের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সরকারের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি ও সেবার মান নিয়ে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যেকোনো উপায়ে গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। তাঁদের জন্য সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা ও পর্যাপ্ত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ সহজে চিকিৎসা পান এবং চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে না হয়। সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের প্রধান ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে।

কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণেও বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, জেলা পর্যায়ের ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে দেশের সব উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরি এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, জনবল নিয়োগ এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
আরএমপি কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের মতবিনিময়

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উদ্যোগে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় এডিটরস ফোরামের নেতারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজশাহী মহানগরের ট্রাফিকজট, ফুটপাত দখল, অটোরিকশার আধিক্য, মাদক ও জুয়া, সড়কে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা এবং কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন জনদুর্ভোগের বিষয়ও আলোচনায় আসে।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং উত্থাপিত প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যৌক্তিক সমস্যাগুলোর দ্রুত, কার্যকর ও টেকসই সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের মতবিনিময় সভা পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের পক্ষে বক্তব্য রাখেন  সভাপতি ও দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, সহসভাপতি ও আমাদের রাজশাহীর সম্পাদক আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সংবাদের সম্পাদক আহসান হাবীব অপু, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সানশাইনের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ও গণধ্বনি প্রতিদিনের সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার, নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক সোনার দেশের সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত এবং উত্তরা প্রতিদিনের সম্পাদক এনায়েত করিম।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পদে কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. নূর আলম সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) ও আরএমপি’র মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমানসহ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি