খুঁজুন
                               
, ,
           

দীপু মনির স্বামীর জানাজা বৃহস্পতিবার বাদ জোহর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
দীপু মনির স্বামীর জানাজা বৃহস্পতিবার বাদ জোহর

সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাদ জোহর রাজধানীর গুলশান আজাদ মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

পারিবারিক সূত্র ও আইনজীবীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বামীর শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ইতোমধ্যে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি পেয়েছেন বর্তমানে কারাবন্দি ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন।

দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ১২ ঘণ্টার সময় মঞ্জুর করেছেন। আবেদন অনুযায়ী তিনি আগামীকাল ভোরে কারাগার থেকে বের হবেন এবং স্বামীর জানাজা ও দাফন শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় কারাগারে ফিরবেন।’

এর আগে বুধবার সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান দীপু মনির মেয়ে তানি দীপাবলী নেওয়াজ। সেখানে প্যারোলে মুক্তির আইনি প্রক্রিয়া ও দাফনের বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। ২০১৯ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৯ আগস্ট রাতে ঢাকা থেকে গ্রেফতার হন ডা. দীপু মনি। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। বর্তমানে তাকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রাখা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্বাধীন বাংলাদেশে গণমাধ্যম কখনো এতটা স্বাধীনতা ভোগ করেনি: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
স্বাধীন বাংলাদেশে গণমাধ্যম কখনো এতটা স্বাধীনতা ভোগ করেনি: তথ্যমন্ত্রী

বর্তমান সরকারের শাসনামলে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি এও বলেছেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণমাধ্যম বর্তমানে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে।’

বুধবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তথ্য ভবনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে এরআগে গণমাধ্যম কখনো এতটা স্বাধীনতা ভোগ করেনি।’

তবে এই স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যেন ‘অপসাংবাদিকতা বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সংস্কৃতি’ তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভুয়া নিউজ পোর্টাল ব্যবহার করে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির বিষয়ে প্রতিনিয়ত অভিযোগ আসছে। পেশাদার সাংবাদিকদের স্বার্থেই এই অপসংস্কৃতি রোধ করা প্রয়োজন।’

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
এসময় রাজনীতি ও সাংবাদিকতার সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘রাজনীতির মূল কাজ হলো জনগণের সেবা করা, আর সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো সেই ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। কিন্তু বিগত দিনে যারা সাংবাদিকতার আড়ালে ফ্যাসিবাদের দালালি করেছে, গুম-খুন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের সহযোগী হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।’

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ সব ক্ষেত্রে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুস্থ ডিজিটাল মিডিয়া ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকতাকে আধুনিক শ্রম ও শিল্প আইনের আওতায় এনে একটি শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়া প্রয়োজন। এই পেশার মর্যাদা ও সাংবাদিকদের কল্যাণ সুরক্ষায় ফাউন্ডেশনটিকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমির সঞ্চালনায় সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহসভাপতি ওমর ফারুক জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ বক্তব্য দেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখী উদ্যোগ, দ্রুত কাটবে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখী উদ্যোগ, দ্রুত কাটবে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সাময়িক, এই সংকট দ্রুততম সময়ে সমাধানে সরকার নানাভাবে চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ নেই। এ সংকট মোকাবিলায় সরকার গ্যাস আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাচ্ছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে আমরা কাজ করছি। সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে, এটা দূর করা হচ্ছে। প্রয়োজন মেটাতে আমরা গ্যাস আমদানি করছি। তবে শুধু গ্যাস আমদানি করলেই সংকটের সমাধান হবে না, আমদানি করা গ্যাস ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও তৈরি করতে হবে। এলএনজি স্টেশন স্থাপনেও সময় প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে বয়লার বা কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেটি সমাধান হয়েছে। তবে দেশের গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এখনো পর্যাপ্ত নয়।’

এই সংকট মোকাবিলায় সরকার একই সঙ্গে কয়েকটি পথে এগোচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার কাজও চলছে।’

এর আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান, ভোলার গ্যাস ব্যবহার, গ্যাস আমদানি এবং সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিল সরকার। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু আমদানিনির্ভরতার ওপর নির্ভর করলে হবে না। দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদনও বাড়াতে হবে।

এ সময় দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে প্রায় এক মাসের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। দ্রুত এটি তিন মাসে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মজুত ছয় মাসে উন্নীত করতে চায় সরকার।

সাকি বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা শুধু বর্তমান সংকট মোকাবিলার বিষয় নয়, ভবিষ্যতের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে। সে কারণে তেলের মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প উৎস তৈরি করা হচ্ছে। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় সেই সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ অবস্থায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘গ্যাস আমদানির পাশাপাশি এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের সংকট কাটানোর চেষ্টা চলছে। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই স্বেচ্ছাসেবক দলের লক্ষ্য: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই স্বেচ্ছাসেবক দলের লক্ষ্য: রিজভী

বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, প্রবীণ ও নবীনদের একসঙ্গে নিয়ে আদর্শিক সংগ্রামে উদ্দীপ্ত হতেই নেতাকর্মীরা আজ এখানে সমবেত হয়েছেন।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুস্থ, দরিদ্র ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই বিএনপি ও এর পতাকাতলে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছিলেন।

বন্যা, জলোচ্ছ্বাস কিংবা ভূমিকম্পের মতো যেকোনো জাতীয় দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দল মানুষের সেবায় এগিয়ে যাওয়ার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, বর্তমান সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসানের নেতৃত্বেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। সাবেক সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও মীর সরফত আলী সপুদের নেতৃত্বেও অতীতে একইভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দলের মূল প্রত্যয় দুটি-প্রথমত, রাষ্ট্র ও সমাজে গণতান্ত্রিক চর্চা ও অনুশীলনকে শক্তিশালী করা; দ্বিতীয়ত, জনগণের কল্যাণে কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে সামাজিক সুরক্ষা, কৃষক ও নারীদের সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক নীতি বাস্তবায়নে স্বেচ্ছাসেবক দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারে।

তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যা আশ্বাস হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির প্রতিশ্রুতি রক্ষার সংস্কৃতির কথা তুলে ধরেন।

পাশাপাশি হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাদান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত বিষয়ে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, সংগঠনটির সাবেক সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি