খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট আবেদন হাইকোর্টে খারিজ হওয়ার পর এবার আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) আবেদনকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করার কথা জানান।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে আদেশ দেন।

গত ১৩ আগস্ট জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

রিটকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দের দাবি, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন না, যা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ব্যাহত করে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হয়ে যায়।

এদিকে পূর্বনির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোট দেবেন জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য। চট্টগ্রাম-৪ আসনটি বর্তমানে শূন্য থাকায় ভোটার সংখ্যা একজন কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪৯-এ।

ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের নাম থাকবে। সংসদ সদস্যরা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে স্বাক্ষর করে ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দেবেন।

ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ কক্ষেই ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোটগ্রহণের শুরুর অংশ সরাসরি সম্প্রচার করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পদটি শূন্য হয়।

পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকারি বরাদ্দে নির্মিত রাস্তা কেটে ফেলায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

কেন্দুয়া ( নেএকোনা) প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সরকারি বরাদ্দে নির্মিত রাস্তা কেটে ফেলায় দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রায়পুর পাছপাড়া এলাকায় সরকারি অর্থে উন্নয়ন করা একটি রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে গ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ ও স্বেচ্ছাশ্রমে রায়পুর জিপিএস থেকে চুচিয়া বিল পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় সরকারি বরাদ্দের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কৃষক, শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ চলাচল করতেন। সম্প্রতি রাস্তা কেটে দেওয়ায় তাঁদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহন এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি বেড়েছে।

ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, সরকারি অর্থে উন্নয়ন করা রাস্তা কেটে ফেলার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এলাকার বাসিন্দা ও কেন্দুয়া পৌর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক রনি বলেন, প্রথমে স্বেচ্ছাশ্রমে এবং পরে সরকারি বরাদ্দের অর্থে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। রাস্তাটি পাকাকরণের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রাস্তা কেটে ফেলায় এলাকার বহু পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে রাস্তা কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. শরীফ হাসান ভূঞা। তাঁর দাবি, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর সাময়িকভাবে চলাচলের জন্য রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। পাশের সরকারি হালট একসময় ব্যক্তি দখলে থাকায় ওই পথ দিয়ে স্থানীয়দের চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকারি হালট উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বেলায় রাস্তাটি কাটা হয়েছে। তাঁর দাবি, কাটা রাস্তাটির কোনো আইডি নম্বর নেই এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় অবস্থিত।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল চৌধুরী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়েছিল। কিন্তু রাস্তা কাটার বিষয়টি তাঁকে জানানো হয়নি। এতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, রাস্তা নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় হয়ে থাকলে সেটি কেটে ফেলার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ নিরসনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

‘অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে’- সিমন্স

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
‘অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে’- সিমন্স

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। এবার সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে টাইগাররা। তবে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।

দ্বিতীয় টেস্টকে সামনে রেখে ম্যাকাইয়ে নিয়মিত অনুশীলন করছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দলীয় অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সিমন্স।

ডারউইনে জয়ের পর দলের আত্মবিশ্বাস সম্পর্কে তিনি বলেন, টেস্ট ম্যাচ জিতলে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাস বাড়ে। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং একটি ভালো টেস্ট ম্যাচ জিতেছে। ফলে দলের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক বেশি।

তবে ডারউইনে হারলেও ম্যাকাইয়ে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের আরও শক্তিশালী রূপে ফিরবে বলে মনে করেন সিমন্স। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া অনেক শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। তাই বাংলাদেশকে নিজেদের মান ধরে রাখতে হবে, প্রয়োজনে আরও উন্নতি করতে হবে।

বাংলাদেশের কোচ আরও বলেন, দল যদি সামান্যও উন্নতি করতে পারে, সেটি মাঠে বাস্তবায়ন করতে হবে। কারণ অস্ট্রেলিয়া নিজেদের খেলার ধরন পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে চাপে রাখার চেষ্টা করবে- এমনটাই মনে করছেন তিনি।

ডারউইনে পাওয়া জয়টি নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা টেস্ট জয় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সিমন্স বলেন, অবশ্যই এটি তার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা টেস্ট জয়।

অন্য ফরম্যাটে তার কোচিংয়ে আরও কিছু বড় জয় থাকলেও টেস্ট ক্রিকেটকে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।

দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এখন ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার অপেক্ষায়।

কালের আলো/এসএ

মিরপুরে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
মিরপুরে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরের পর হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে মিরপুর ১০ নম্বর ও কাজীপাড়ার প্রধান সড়কসহ আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরা মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন অফিসগামী মানুষ ও কর্মজীবী নিম্নআয়ের পেশাজীবীরা। জলাবদ্ধতার কারণে সড়কগুলোতে মাঝে মধ্যে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

মূল সড়কের পাশে পার্ক করে রাখা যানবাহনের অর্ধেকেরও বেশি পানিতে তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে কাজীপাড়া ও মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় অনেক মোটরসাইকেলের অধিকাংশ পানির নিচে ডুবে গেছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সড়কগুলোতে গণপরিবহনের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা কয়েক গুণ বাড়তি ভাড়া হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এতে সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে চরম দুর্ভোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।
মিরপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী রিয়াজ বাংলানিউজকে বলেন, অল্প বৃষ্টিতেই মিরপুরের কাজীপাড়া ও ১০ নম্বর মোড় এলাকায় দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার কারণে পানি জমে যায়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হলে ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করবে।

পথচারী মোছাম্মদ নাসরিন বেগম বাংলানিউজকে বলেন, দুপুর ১২টার দিকে কাজীপাড়া মেট্রোরেলের পাশে শোরুমগুলোতে এসেছিলাম সংসারের কিছু জরুরি জিনিস কেনার জন্য। শোরুম থেকে বেরিয়ে দেখি রাস্তায় পানি জমে গেছে, এখন গাড়ি পাচ্ছি না। আর সিএনজি পানির মধ্যে যেতে চাচ্ছে না। অনেকক্ষণ ধরে এখানে আটকে আছি।

পাঠাও মোটরসাইকেলচালক মো. মাহমুদ বাংলানিউজকে বলেন, এভাবে একটু বৃষ্টি হলেই যদি রাস্তায় পানি জমে যায়, তাহলে ঢাকা শহরে চলাচল আমাদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি