খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

উজানে ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেল ৩টায় তা বিপৎসীার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে এই মুহুর্তে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানা গেছে, উজানের ঢলে শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর কিছুটা কমে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২ট পর্যন্ত ১৩ সেণ্টিমিটার এবং বেলা ৩ টায় ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় ওই পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেখানে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেণ্টিমিটার।

এদিকে, তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে তিস্তাপাড়ের নিমঞ্চলের মানুষ।

জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল গ্রামে পানি বাড়ছে। তবে এখনো চরাঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি ওঠেনি। যে কোনো সময়ে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে মানুষ।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন,উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেলা ৩টায় বিপৎসীমার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হলেও এই মুহুর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই।

কালের আলো/এসএকে

আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের

দক্ষিণ লেবাননে সবশেষ ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার জেরে আবারও হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

তেহরান বলছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যে চুক্তি হয়েছে তা লঙ্ঘনের শামিল।

ইরানের সামরিক বাহিনী বলছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। এটি চুক্তির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জবাবে প্রথম পদক্ষেপ।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ। জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালীর কাছে না আসার ব্যাপারে সতর্ক করেছে এবং বলেছে, এমনটা করলে তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি নেভি লেবাননে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড এবং ওয়াশিংটনের যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘনকে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসআর/এএএন

মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ
মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশেই লিওনেল মেসি, রোনালদো ও এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, শিশুদের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা করব। শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা দিয়েও বাংলাদেশকে সবাই চিনবে। শিশুদের মেধা বিকাশে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার। যে গান করতে চায়, ছবি আঁকতে চায় বা কোরআন তিলাওয়াত করতে চায়—সব ব্যবস্থা সরকার করবে।’

শিশুদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, ‘তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনা এবং সংস্কৃতি চর্চায় পারদর্শী হতে হবে। তাহলেই সুন্দর, শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে পারব। মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তোমাদের মধ্যে থেকেই তৈরি হবে। অলিম্পিকে আরো ভালো অবস্থান তৈরি করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিকে ‘প্রাইম মিনিস্টার’স কাপ’ চালু হবে। অ্যাম্বাসাডর হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা)’ ফাইনালে খেলে।

চূড়ান্ত পর্বে বালিকা বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী লড়াই হয় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে। আর বালক বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ত্রিশালের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

চূড়ান্ত পর্বের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ অন্য অতিথিরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক কারাগারে, ডিআরইউর নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক কারাগারে, ডিআরইউর নিন্দা

সংবাদ প্রকাশের জেরে করা মামলায় ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একইসঙ্গে পত্রিকাটির আরও পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনাকেও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২০ জুন) ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বগুড়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় পত্রিকাটির প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসানের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনের বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য দেশে প্রচলিত আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মানহানির অভিযোগে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে যার মানহানি হয়েছে কেবল তিনিই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। অন্য কেউ তার পক্ষে মামলা করতে পারেন না। এছাড়া কোনো অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা উদ্বেগজনক।

ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশের মতো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করা প্রয়োজন। মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হয়।

বিবৃতিতে অবিলম্বে সাংবাদিক মো. রেজানুর ইসলামের মুক্তি এবং এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপদ, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ