খুঁজুন
                               
, ,
           

তারপরও থামে না ভয়ংকর যাত্রা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
তারপরও থামে না ভয়ংকর যাত্রা

প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাগরপথে বিদেশ যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা যায়। অনেককে বিদেশে আটকে রেখে দেশ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণ। কিন্তু তারপরও থামে না এই ভয়ংকর যাত্রা। আর প্রকৃত অপরাধীরা বরাবরই থেকে যায় রহস্যের অন্ধকারে। সাগরপথে অবৈধভাবে ইউরোপে মানব পাচারের ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশিরা শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ‘মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর ও পশ্চিম আফ্রিকার রুট দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী প্রাণ হারান। এর মধ্যে বাংলাদেশি অভিবাসীদের একটি বড় অংশ রয়েছে।

অবৈধভাবে সাগরপথে বিদেশে বিশেষ করে ইউরোপ ও মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে প্রতি বছর কত সংখ্যক বাংলাদেশি প্রাণ হারায় তার সুনির্দিষ্ট কোনো সরকারি পরিসংখ্যান জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এই বছরে এ সংখ্যা অর্ধ সহস্রাধিক। অন্যদিকে জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রকৃত সংখ্যা ও নিখোঁজের হার আরও অনেক বেশি।

আইওএম দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার থেকে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করে, যাদের মধ্যে ৮৯০ জনেরও বেশি প্রাণ হারায়। বিশেষ করে আন্দামান সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে ২০২৪ সালে মারা যান ৫৯৮ জন এবং ২০২৫ সালে মারা যান ৮৬০ জন। এক বছরে মৃত্যু এবং নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যা ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আন্দামান সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিকসহ প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ হয় বলে জানায় জাতিসংঘ। গত ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এ তথ্য জানায়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ গত ৯ এপ্রিল সাগর থেকে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে, যার মধ্যে একজন নারীও ছিলেন।

জানা যায় ঢাকা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের তরুণরা সাধারণত এসব ঝুঁকিপূর্ণ পথে বেশি পাড়ি জমান। সমুদ্রযাত্রায় মৃত্যুর পাশাপাশি এসব রুটে মানব পাচারকারী চক্রের হাতে অপহরণ ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার হারও অনেক বেশি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কাউকে কাউকে মাঝেমধ্যে গ্রেফতার করা হলেও মূল হোতারা সবসময়ই রয়ে যায় আড়ালে। আবার গ্রেফতারের পর অনেক সময় যথাযথ সাক্ষী না পাওয়া, মামলার দীর্ঘসূত্রতা, বাদীকে হুমকি-ধমকি কিংবা আদালতের বাইরে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা আর শেষ পরিণতি পায় না।

কালের আলো/এম/এএইচ

ডপলার রিসার্চের জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজের প্রতি সন্তুষ্টির হার সরকারের কাজের তুলনায় বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর কাজের প্রতি সন্তুষ্টির হার সরকারের কাজের তুলনায় বেশি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট দেশের ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ। ডপলার রিসার্চ বাংলাদেশ লিমিটেড পরিচালিত ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

জরিপে অংশ নেওয়া ২১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ভালো করছেন না। আর ১২ দশমিক ১ শতাংশ কোনো মতামত দেননি বা উত্তর দিতে চাননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কাজের প্রতি সন্তুষ্টির হার সরকারের কাজের তুলনায় বেশি। সরকারের কাজকে ভালো বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। অন্যদিকে ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ সরকারের কাজকে খারাপ বলেছেন।

দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে মনে করেন ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ। বিপরীতে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ মনে করেন দেশ ভুল পথে চলছে। এ প্রশ্নে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো মতামত দেননি।

জরিপে নাগরিকদের প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং ৫৯ দশমিক ১ শতাংশ নিত্যপণ্যের মূল্যকে দেশের বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা ও কর্মসংস্থানকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জরিপে আরও দেখা গেছে, ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ফ্যামিলি কার্ডকে সমর্থন করেন। করনীতির প্রতি সমর্থন রয়েছে ৭০ দশমিক ৭ শতাংশের এবং সরকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা উচিত বলে মনে করেন ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা।

জরিপের মাঠপর্যায়ের কাজ চলতি আগস্ট মাসে পরিচালিত হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের একটি প্যানেলের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জরিপের সময় মোট ১০ হাজার ৪১৩টি কল করা হয়েছিল। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির ভাষায়, সামগ্রিক ফলাফলকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে দেখা যায়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কোস্টগার্ডের নতুন মহাপরিচালক মঈনুল হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
কোস্টগার্ডের নতুন মহাপরিচালক মঈনুল হাসান

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ পেয়েছেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।

‎বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে প্রেষণে এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এজন্য তার চাকরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

‎অন্যদিকে, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব চালিয়ে আসা রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে নৌবাহিনীতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এজন্য তার চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রবাসী আয়ে বড় লাফ, ১৮ দিনে এলো ১৯৬ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
প্রবাসী আয়ে বড় লাফ, ১৮ দিনে এলো ১৯৬ কোটি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট মাসের প্রথম ১৮ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১৫০ কোটি ২০ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ৩১ শতাংশ বেশি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এমনটাই জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ আগস্ট একদিনেই দেশে ৮ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৪৮২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ের ৩৯৮ কোটি ডলারের তুলনায় ২১.৩ শতাংশ বেশি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ