খুঁজুন
                               
, ,
           

‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে বেড়েছে সাড়ে ছয় গুণ

এনআইডি সংশোধনে বছরে ১০ লাখ আবেদন

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
এনআইডি সংশোধনে বছরে ১০ লাখ আবেদন

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংশোধন করতে প্রতি বছর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিভিন্ন কার্যালয়ে ছুটছেন প্রায় ১০ লাখ নাগরিক। দিনে গড়ে এই সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য কাউকে উপজেলা, কাউকে জেলা কিংবা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেতে হচ্ছে। কোনো কোনো নাগরিককে আসতে হচ্ছে ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনেও।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এনআইডি সংশোধনের ছয় ক্যাটাগরি—ক-১, ক, খ-১, খ, গ ও ঘ—মিলে চলতি বছরের ১১ আগস্ট পর্যন্ত মোট আবেদন রয়েছে ৪৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৮টি। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই এ সংখ্যা ছিল ৪২ লাখ ৯২ হাজার ২৬২টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আবেদন বেড়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৬টি।

এদিকে, এনআইডি সংশোধনের সবচেয়ে জটিল হিসেবে বিবেচিত ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদনের সংখ্যা এক বছরে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ছয় গুণ। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এ ক্যাটাগরিতে আবেদন ছিল ৬ হাজার ৮৭টি। চলতি বছরের জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৭৩টিতে।

সারা দেশের ‘ঘ’ ক্যাটাগরির এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষমতা এককভাবে এনআইডি মহাপরিচালকের (ডিজি) হাতে থাকায় আবেদন জমে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে নাগরিকদের ভোগান্তিও বাড়ছে।

নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের শুরু থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় বছরে এনআইডি সংশোধনের আবেদন জমা পড়েছে বিপুলসংখ্যক। এ সময়ে বছরে গড়ে প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজার আবেদন পড়েছে। মাসে গড়ে আবেদন জমা পড়েছে ৮০ হাজারের বেশি। আর দিনে গড়ে আবেদন পড়েছে প্রায় ২ হাজার ৭০০টি।

কর্মকর্তারা বলছেন, জন্মতারিখ, নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন বাড়লেও অনলাইন সেবা সম্প্রসারণ ও দ্রুত নিষ্পত্তির কারণে দীর্ঘসূত্রতা আগের তুলনায় কমেছে।

তবে নাগরিকদের ভোগান্তি আরও কমাতে বয়স সংশোধনের কিছু ক্ষমতা শর্তসাপেক্ষে মাঠপর্যায়ে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে গত ১৩ আগস্ট একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক বা উপপরিচালক নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রমাণাদি গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘এসওপি’ অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশোধনের আবেদন ইলেকট্রনিকভাবে অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে ‘সিএমএসে’ আবশ্যিকভাবে নোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৭ আসনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন তিনি।

বিএনপি মিডিয়া সেল জানায়, দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতার অংশ হিসেবে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা। এ আসনের মধ্যে রয়েছে গুলশান, বনানী, নিকেতন, মহাখালী, কড়াইল বস্তি, বারিধারা, শাহজাদপুর, কালাচাঁদপুর, ভাষানটেক, মাটিকাটা ও ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মাছের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকারি মৎস্য খামারগুলোর উন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আটপুকুর পাড় এলাকায় অবস্থিত সরকারি মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকারি মৎস্য খামারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে। উন্নত ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে মৎস্যবীজ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সরকারি খামারগুলোতে সৌরবিদ্যুতের মতো পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হলে উৎপাদন কার্যক্রম আরও টেকসই হবে।’

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী খামারে ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম উদ্বোধন ও খামারের ব্রুড মাছের পুকুরে মাছ পর্যবেক্ষণ এবং খামার প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সময় মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, বিদ্যমান সরকারি মৎস্য খামারসমূহের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মশিউর রহমান, টাঙ্গাইলের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান কবীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

রাজবাড়ী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৪টি জেলার অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বাড়বে। একই সঙ্গে কৃষি খাতেও ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।

তিনি জানান, আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজবাড়ীতে এসে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের সমীক্ষা করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

পানিসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার সারা দেশে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি