খুঁজুন
                               
, ,
           

সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক কারাগারে, ডিআরইউর নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক কারাগারে, ডিআরইউর নিন্দা

সংবাদ প্রকাশের জেরে করা মামলায় ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। একইসঙ্গে পত্রিকাটির আরও পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনাকেও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২০ জুন) ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বগুড়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় পত্রিকাটির প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসানের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনের বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য দেশে প্রচলিত আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মানহানির অভিযোগে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে যার মানহানি হয়েছে কেবল তিনিই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। অন্য কেউ তার পক্ষে মামলা করতে পারেন না। এছাড়া কোনো অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা উদ্বেগজনক।

ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশের মতো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করা প্রয়োজন। মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হয়।

বিবৃতিতে অবিলম্বে সাংবাদিক মো. রেজানুর ইসলামের মুক্তি এবং এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপদ, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইতিহাসে প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
ইতিহাসে প্রথমবার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে

সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তাতে ইতিহাস তৈরি হয়েছে। ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠেছে।

সবার আগে ফ্রান্স মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে। তারা ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের তিনে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। তারপর স্পেন ২-১ গোলে বেলজিয়ামকে হারায় আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে। তারা র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বরে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল। ইংল্যান্ড ২-১ গোলে নরওয়েকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে। চার নম্বরে থেকে তারা বিশ্বকাপ খেলতে নেমেছিল। আর আর্জেন্টিনা ছিল শীর্ষে।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফার নিয়মে একটি পরিবর্তনের কারণে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের জন্য এই পথটি সহজ হয়েছিল। তাদের ড্রয়ের আলাদা আলাদা কোয়াড্রেন্টে রাখা হয়েছিল। যাতে সেমিফাইনালের আগে তারা একে অপরের মুখোমুখি না হতে পারে। সেটা ঘটার জন্য তাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হতে হতো, হয়েছেও।

ড্রয়ের এই ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ফাইনালের আগে স্পেনের সাথে আর্জেন্টিনার দেখা হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এছাড়া, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সকে নকআউটের বিপরীত পাশে রাখা হয়েছিল। যাতে তারা সবাই এগিয়ে গেলে সেমিফাইনালে স্পেন অথবা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে পারে।

এখন সেমিফাইনালে মঙ্গলবারে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন এবং বুধবারে লড়বে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা।

উল্লেখ্য, ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৯৪ সালে চালু হলেও সে বছরের টুর্নামেন্টে এটি ব্যবহার করা হয়নি। এর আগে বেলজিয়াম (২০২২), জার্মানি (২০১৮), স্পেন (২০১৪), ইতালি (২০১০) ও ফ্রান্স (২০০২) শীর্ষ চারে থাকা সত্ত্বেও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। ১৯৯৮ সালের পর থেকে বাকি বিশ্বকাপগুলোতেও শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংয়ের সব দল একসাথে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক, ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক, ভোগান্তি চরমে

সারাদেশের ন্যায় রাজধানী ঢাকাতেও টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক। মূল সড়ক থেকে শাখা সড়ক- সবখানে শুধু থইথই পানি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী, পথচারী, কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে মিরপুর ১০, ১১, মিরপুর ২, কাজীপাড়া রোড, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁওসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক হাঁটু থেকে কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়।

জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল পানিতে বিকল হয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। অফিসগামীদের অনেকেই বৃষ্টির পানিতে হেঁটে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হওয়ায় সড়কে রিকশা ও গণপরিবহনের সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিতেই মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, খাল ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বছরের পর বছর এই দুর্ভোগ চললেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

‎কাজীপাড়ার এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক রিপন বলেন, ‘একটু ভারী বৃষ্টি হলেই মিরপুর ১০ থেকে শুরু করে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়ক ডুবে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও কর্মজীবী মানুষদের।

তিনি আরও বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানি আটকে থাকে সড়কে। সরকারের কাউকে এ নিয়ে কোনো ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। সরকার চাইলে এর স্থায়ী একটি সমাধান করে নগরবাসীকে ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতে পারে।’

‎শনিবার দিবাগত রাত থেকে হওয়া ভারী বৃষ্টিতে নিচতলার অনেক দোকানে বৃষ্টির পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে পানি প্রবেশ করায় বাসিন্দারাও পড়েছেন চরম বিপাকে।‎‎

নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবীব বলেন, কেবল ড্রেন পরিষ্কার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। রাজধানীর প্রাকৃতিক জলাধার ও খাল রক্ষা, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে প্রতি বর্ষায় রাজধানীবাসীকে একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হবে।

‎তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়গুলো আমরা গত কয়েক বছর ধরে সরকারকে বলে আসছি। নগর সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য সংস্থাকে বলছি। এরপরও কেউ শক্তভাবে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বিশেষ করে রাজধানীতে যেসব খাল দখল করা হয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে নগরীতে জলাবদ্ধতা দূর হবে।’

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও দুই দিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ ছড়ালো রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তা। সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচে হট ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল সুইসরা। শুরুতেই গোল করে এগিয়েও গিয়েছিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। লিওনেল মেসির কর্ণার কিক থেকে দুর্দান্ত এক হেডারে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়ে ম্যাচের ১০ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর প্রথমার্ধে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ইউরোপিয়ানরা। গোলের পর দশ জনের দলে পরিণত হলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আর জালের দেখা পেতে দেননি গ্রানিত শাকারা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুহূর্মুহু আক্রমণ সামলে ম্যাচ টাইব্রেকারে নেওয়ার আভাস দিচ্ছিল সুইসরা। তবে ১১ তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত এক শটে লিড পায় স্কালোনির শিষ্যরা। পরে আরও এক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এ দুজনের গোলের শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছেন মেসিরা।

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুরুতেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।  সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছেন ম্যাক আলিস্টার। মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বলকে হেডে জালের ঠিকানা দেখান এই লিভারপুল মিডফিল্ডার।

এদিকে শুরতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া সুইসরা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে লড়াই করেছে। তবে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ড এবং রক্ষণভাগ সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ সফল হতে দেয়নি।

ফলে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের খুব বেশি পরীক্ষা নিতে পারেনি সুইসরা। বল দখলে বেশ এগিয়ে থাকলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে গোলের লক্ষ্যে কেবল ১টিই শট নিতে পেরেছে সুইসরা। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি ইউরোপিয়ান দলটি।

এদিকে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর সমতায় ফিরতে আবার মরিয়া লড়াই শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দারুণ এক সুযোগও পেয়েছিল দলটি। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইসরা।

এরপর ৬৭ মিনিটে গোলের খাতা খোলে সুইসরা। রুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। তবে সমতায় ফেরার পরই দুঃসংবাদ পায় ইউরোপিয়ান দলটি।

৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে প্রতিপক্ষ দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পর সুইসদের উপর ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাকি সময়টা একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে জমাট রক্ষণে গোলের দেখা পায়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের প্রথমার্ধেও সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ শাণিয়েছেন মেসিরা। তবে কোনোভাবেই সুইস রক্ষণ ভেঙে গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ডেডলক ভাঙেন আলভারেজ। লোপেজের পাস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে জালের দেখা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার। লিড নেওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আরও এক গোল করেন মার্তিনেজ। এই গোলে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন