খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জামায়াত গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল

মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ
জামায়াত গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জনগণের সমর্থনে বিএনপি দুই তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সুতরাং বিএনপির গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন করতে গেলে সেটি সমীচীন হবে না। জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি। তারাতো গণতন্ত্রই বিশ্বাস করে না।’

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ শহরের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় কাঠেরপুল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বিশ্বাস করে না। বিএনপি একমাত্র দল, যারা গত ৫০ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই, সংগ্রাম করে আসছে। প্রতিদিন প্রতি মুহূর্ত বিএনপি লড়াই করেছে। বিএনপির নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপি নেতা তারেক রহমান এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় ছিলেন।’

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে, শক্তিশালী হবে। উভয় পক্ষের দুই দেশের মর্যাদা রক্ষা করে, স্বার্থ রক্ষা করে চুক্তি সম্পন্ন হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রম বাজার খুলে দেওয়ার বিষয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে কথা হবে।’

এর আগে বিএনপি মহাসচিব স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, ‘বিএনপি সরকারের মাত্র তিন মাস সময় হয়েছে। এই তিন মাস সময়ের মধ্যে বহু কাজ সরকার শুরু করেছে। আপনারা দেখেছেন ফ্যামিলি কার্ড করেছে, কৃষক কার্ড করেছে। এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশব্যাপী খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করেছে।’

তিনি স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জের কালীদাস নদীর ওপর নির্মিত উত্তর ইসলামপুর-মোল্লারচর কাঠের পুলের স্থলে সেতু নির্মাণ করা হবে।’ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেন তিনি।

এর আগে তিনি মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় আসেন এবং তিনি স্থানীয়দের দীর্ঘ দিনের নানা দুর্ভোগ ও দুর্দশার খোঁজ নেন।

পরে মন্ত্রী উত্তর ইসলামপুর সামাজিক কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। দুপুরের মুন্সীগঞ্জ সার্কিট হাউজে একটি মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রীর।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রধানমন্ত্রী তিন মাসে যা করেছেন অন্যরা তিন বছরেও পারত না: সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তিন মাসে যা করেছেন অন্যরা তিন বছরেও পারত না: সালাউদ্দিন টুকু

মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, তিন মাসে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন অন্যরা তিনবছরেও তা করতে পারত না।  তিনি সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অফিস করেন। জনগণের কল্যাণে রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছেন।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের শোকসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যে জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে তার নজির পৃথিবীর আর কোথাও নেই। সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে জিয়া পরিবার। ১৭ বছর ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পৃথিবীতে এমন রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার আর কোথাও হয়নি।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাংলাদেশের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কেউ নির্যাতনের বাইরে ছিল না। জেলা-উপজেলা লেভেলে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে গোপালপুর-ভূঞাপুরের মানুষ। এমনকি ষড়যন্ত্রও বেশি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। নেতাকর্মীদের আমরা সবসময় পরিবার মনে করি। আমরা জিয়া পরিবারের লোক। দেশ নিয়েও ষড়যন্ত্র চলছে, সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে সে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল- ২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান গিয়াসসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এসএকে

গ্যালারিতে বসে দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
গ্যালারিতে বসে দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)’-এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের এই ফাইনাল ম্যাচ ও তাদের নৈপুণ্য গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করতে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছেন। পরে তিনি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে মোট চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলার গৌরব অর্জন করেছে।

টুর্নামেন্টের বালিকা ও বালক বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বালিকা বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী আসার আগে বালক বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর মডেল সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই খেলায় দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিমধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

২২ লাখ শিক্ষার্থীর মহাযজ্ঞ
গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন টুর্নামেন্টের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ৬ এপ্রিল শুরু হওয়া এই বিশাল প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১লাখের বেশি ছাত্র ও ১১লাখের বেশি ছাত্রী অংশ নিয়েছে।

তিনি আরও জানান, একেবারে গ্রাম পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ধাপ পেরিয়ে দীর্ঘ লড়াই শেষে সেরা দলগুলো ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবল প্রতিভা খুঁজে বের করার এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে। আগামী আসরে অন্তত ৫০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আ.লীগ যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
আ.লীগ যেনো মাথাচাড়া দিতে না পারে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তারা নানা কর্মসূচি পালন করে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। দলটি যোনো মাথাচাড়া না দিতে পারে এজন্য সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত বার্ষিক পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইশরাক এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার বিদায় নিলেও তাদের রেখে যাওয়া অপকর্ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যের সংস্কৃতি পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে। কোনোভাবেই যাতে সেই শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

ইশরাক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূর করা এবং একটি স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে সব সময় থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট যেন আরও শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে কাজ করে যাবেন।

ইশরাক বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়ার পরিচয় সব সময় সাহস ও প্রেরণা দিয়েছে। জীবনের নানা প্রতিকূল সময়ে, বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় এই পরিচয় থেকেই শক্তি পেয়েছি। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেয়ার কারণে আমাকে কারাগারে যেতে হয়েছে, বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু এসব বাধা-বিপত্তি আমাকে অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছিলেন, তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, নির্যাতন করা হয়েছিল। একই সময়ে দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচারের অভিযোগও ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রসমাজ উপলব্ধি করেছিল যে বৈষম্য ও নিপীড়নের অবসান ঘটাতে হলে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ