খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

Oplus_131072

জুলাই মাস শেষ হতে চললেও এ মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোনো সাধারণ ছুটি ছিল না। তবে আগস্টের শুরুতেই এক দিনের ঐচ্ছিক (নৈমিত্তিক) ছুটি নিলেই টানা চার দিনের ছুটি উপভোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সরকারি অফিস খোলা থাকবে।

তবে কেউ যদি ৬ আগস্ট এক দিনের নৈমিত্তিক বা ঐচ্ছিক ছুটি নেন, তাহলে ৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি, ৬ আগস্টের ঐচ্ছিক ছুটি এবং শুক্র ও শনিবারের (৭ ও ৮ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন।

যাদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ বেসরকারি অফিসে সাধারণত ছুটি পালন করা হয়। তবে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের ক্ষেত্রে এ ছুটি প্রযোজ্য হয় না।

এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা।

অন্যদিকে, ওই সময় ব্যাংক খোলা বা বন্ধ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কালের আলো/এসএকে

বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর রেফারিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন স্লাভকো ভিনচিচ। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের বিশ্বকাপ ফাইনালে তিনি প্রধান রেফারির দায়িত্বে ছিলেন। আর্জেন্টাইনরা সম্ভবত তাকে ‘খলনায়ক’ হিসেবেই সারাজীবন মনে রাখবে।

ভিনচিচ আর্জেন্টিনার জন্য ‘অপয়া’ রেফারি। গত দুই বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেরা মাত্র দুটি ম্যাচ হেরেছে। ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে হারে। আর এবার ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তারা। আর এই দুটি ম্যাচেই ভিনচিচ ছিলেন রেফারি।

নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গত ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে পাঁচটি হলুদ কার্ড ও একটি লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন ভিনচিচ। সবগুলোই পেয়েছেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা। এই স্লোভেনিয়ান রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আর্জেন্টিনা।

৪৬ বছর বয়সী ভিনচিচ ২০১০ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্যের তালিকায় রয়েছে ২০২২ সালের উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনাল (আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বনাম রেঞ্জার্স) এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান ভিনচিচ। সেখানে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের ম্যাচসহ দুটি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফাইনালসহ চার ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। আর অবসর নেওয়ার কারণে সেই ফাইনাল ম্যাচ হয়ে থাকল তার ক্যারিয়ারের শেষ। স্লোভেনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবসরের ঘোষণা দিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে মোট ১২টি হলুদ কার্ড ও দুটি লাল কার্ড দেখান ভিনচিচ। এর মধ্যে প্রথম লাল কার্ডও ছিল আলোচিত। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনকাপিকে মার্চিং অর্ডার দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্নিগ্ধার মামলা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্নিগ্ধার মামলা

এ প্রজন্মের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় তিনি এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে স্নিগ্ধা অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে একটি হাসপাতালে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ না নিলেও পরে ন্যায়বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামে অন্য এক নারী ভেবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্নিগ্ধার দাবি, ওই নারী অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন। ভুল পরিচয়ের কারণে তাকেই মারধরের শিকার হতে হয়।

এছাড়া, ইমন নামে উপস্থিত একজন ব্যক্তি পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে তাকে ওই নারীর পরিচয় স্বীকার করার জন্য চাপ দেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্নিগ্ধা।

মামলায় তিনি আরও দাবি করেন, নির্যাতনের সময় তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। তার গলা চেপে ধরা, চুল টেনে ধরা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়েছে।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

কালের আলো/এসএ

মানহানির অভিযোগে আদালতে ডিপজল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
মানহানির অভিযোগে আদালতে ডিপজল

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন তার খালাতো ভাই ও এ ওয়ান ট্রেডিং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান টাইগার। এ মামলায় ডিপজলের পাশাপাশি তার ম্যানেজার আব্দুল গণি এবং ব্যক্তিগত সহকারী খোকনকেও আসামি করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যবসায়িক বিরোধ ও সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বাদীর বিরুদ্ধে মানহানিকর কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন ডিপজল। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৩ আগস্ট ডিপজলের ম্যানেজার দারুস সালাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে দাবি করা হয়, আজিজুর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সাইনবোর্ড অপসারণ করে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করেন এবং সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন।

তবে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ওই জিডির তদন্তে আজিজুর রহমানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাদীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির প্রকৃত মালিক তিনি। এছাড়া ডিপজল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পত্তিটি নিজের বলে দাবি করে পোস্ট দেওয়ায় তার সামাজিক মর্যাদা ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় তিনি আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ডিপজল বা তার প্রতিনিধিদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম এগোবে।

কালের আলো/এসএ