খুঁজুন
                               
, ,
           

স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। সেই সংকটময় মুহূর্তে এক প্রান্ত আগলে রাখেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে উজ্জ্বল ছিলেন স্বর্ণা আক্তার। সাত নম্বরে নেমে তিনি ২২ বলে ৫ চারসহ অপরাজিত ৩৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। জ্যোতি করেন ৩৮ বলে ৩৬ রান।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে সাবধানী ব্যাটিং করে পাকিস্তান। কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন। নতুন বলে মারুফা আক্তার ইনিংসের প্রথম ওভারটি মেইডেন করে দারুণ সূচনা এনে দেন।

যদিও পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ৪৯ রান যোগ করে, অষ্টম ওভারে নাহিদা আক্তার সেই জুটি ভাঙার পর ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। এরপর দুই প্রান্ত থেকে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক জ্যোতি। রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার ও সানজিদা আক্তার মেঘলাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়তে থাকে পাকিস্তানের।

চাপ সামলাতে শেষদিকে বড় শট খেলতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা তুলতে পারে মাত্র ১০০ রান। ফলে ২৩ রানের দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে স্বর্ণা আক্তার এবং নেতৃত্বে জ্যোতির দায়িত্বশীল ইনিংসের পাশাপাশি বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ মঞ্চে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিল টাইগ্রেসরা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সিএস মানচিত্র অনুযায়ী নদ-নদী ও জলাধার পুনরুদ্ধারসহ ১৪ সুপারিশ বাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
সিএস মানচিত্র অনুযায়ী নদ-নদী ও জলাধার পুনরুদ্ধারসহ ১৪ সুপারিশ বাপার

সরকারের কাছে সিএস মানচিত্র অনুযায়ী নদ-নদী ও জলাধার পুনরুদ্ধারসহ ১৪ দফা সুপারিশসংবলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির কাছে স্মারকলিপিটি পেশ করেন বাপার নেতারা। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদও উপস্থিত ছিলেন। বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার, সহসভাপতি খুশি কবির, মহিদুল হক খান ও অধ্যাপক ড. এম. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক ড. হালিম দাদ খান, এস এম মিজানুর রহমান এবং খন্দকার আজিজুল হক মনিও উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাপার নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাপার পক্ষ থেকে দেশের নদ-নদীতে মেগা প্রকল্পের ফলে নদীর আকার-প্রকৃতির পরিবর্তন, স্লুইসগেটের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা, ফুলজোড় ও করতোয়া নদীর বর্তমান বাস্তব চিত্র, বুড়িগঙ্গা নদীর দখল ও দূষণ, বড়াল নদী ও চলনবিলের মাছ, জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্যের সমস্যা, বিল হরিণা ও ভবদহের দুর্ভোগ, নদ-নদীতে বাঁধ বা পোল্ডারের অপ্রয়োজনীয়তা, দেশের হাওরগুলোর সমস্যা এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজ প্রকল্প বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন বাপার নেতারা।

মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী বলেন, সরকারের একার পক্ষে কোনোভাবেই পরিবেশ ও নদী রক্ষা করা সম্ভব নয়। তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজ বিষয়ে সরকারের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বাপার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় চলনবিলের পদ্মা-যমুনা ও অভ্যন্তরীণ নদীপথের একমাত্র পতিতমুখ বন্ধ করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিবর্তে অন্যত্র করার বিষয়ে চিন্তা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা স্মারকলিপিতে যেসব সুপারিশ করা হয়—

১) নদ-নদীর প্রতি উন্মুক্ত নীতিকে সরকারি নীতি হিসেবে ঘোষণা করবেন; প্লাবনভূমিতে নদ-নদীর আসা-যাওয়ার পথে ইতিমধ্যে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করার জন্য পদক্ষেপ নেবেন; এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের নতুন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করবেন।

২) উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) অধীনে উপকূলের পোল্ডারগুলোর বাঁধ আরও নিশ্ছিদ্র করার পরিবর্তে সেগুলোকে অষ্টমাসী বাঁধে রূপান্তরের নির্দেশ দেবেন, যাতে পোল্ডারের মধ্যে বর্ষাকালে পলিযুক্ত পানি প্রবেশ করতে পারে এবং পলিপতনের মাধ্যমে ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত নিমজ্জনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৩) দেশের অভ্যন্তরে যেসব পোল্ডার নির্মিত হয়েছে, সেগুলোর বাঁধও ক্রমান্বয়ে অষ্টমাসী বাঁধে রূপান্তরের নির্দেশ দেবেন, যাতে বর্ষাকালে নদীর পানি পোল্ডারের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে এবং বর্ষা শেষে আবার নদীতে ফিরে যেতে পারে। এর ফলে পোল্ডারের ভেতরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না। এ ধারায় অগ্রসর হয়ে ভবদহসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতা কার্যকরভাবে নিরসন করবেন।

৪) পোল্ডারের সঙ্গে সম্পর্কহীনভাবে দেশের নদ-নদীর ওপর যেসব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, যেমন—স্লুইসগেট, ফ্ল্যাপগেট, রেগুলেটর, প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সংকীর্ণ সেতু ও কালভার্ট—সেগুলো অপসারণ করে নদ-নদীর প্রবাহ বাধাহীন করার নির্দেশ দেবেন।

৫) সিএস মানচিত্র অনুযায়ী দেশের সব নদ-নদী ও জলাধার পুনরুদ্ধার করবেন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।

৬) গঙ্গা ও যমুনার মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী চলনবিলের প্রধান নদী বড়ালকে অবমুক্ত করার অর্ধসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে আশু পদক্ষেপ নেবেন।

৭) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে যেসব নদী ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে মহেশখালীর কোহেলিয়া অন্যতম, সেগুলো পুনরুদ্ধারে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।

৮) নদ-নদী ও জলাশয়কে আবর্জনা ফেলার স্থানে পরিণত করার বর্তমান প্রবণতা রোধ করবেন এবং হবিগঞ্জের সুতাং, ঢাকার বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ, কক্সবাজারের বাঁকখালী, খুলনার ময়ূরসহ দেশের সব নদ-নদীকে দূষণমুক্ত করবেন।

৯) নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণের পরিবর্তে নদ-নদীর পাড়ভাঙন রোধ এবং পাড় স্থিতিশীল করাকে সবচেয়ে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হিসেবে গ্রহণ করবেন। সে লক্ষ্যে জিওব্যাগ পদ্ধতিসহ দেশীয় বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারের ভিত্তিতে অগ্রসর হবেন।

১০) জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে শক্তিশালী করবেন এবং নদ-নদীকে দখল ও দূষণের হাত থেকে রক্ষার জন্য কমিশনকে প্রয়োজনীয় নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

১১) আন্তর্জাতিক নদ-নদীর ওপর বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ে জোরালো পদক্ষেপ নেবেন এবং গঙ্গা চুক্তির নবায়ন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এ লক্ষ্যে ৫ ও ৬ জুন প্রথম আলোতে প্রকাশিত যথাক্রমে গঙ্গা চুক্তি নবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কীভাবে প্রস্তুত হতে পারে এবং সফল চুক্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে যা করতে হবে শীর্ষক নিবন্ধে উপস্থাপিত বিভিন্ন পরামর্শ বিবেচনায় নিতে পারেন।

১২) তিস্তা নদীর সংকট সমাধানে বিদেশি কোম্পানির প্রস্তুত করা প্রকল্পের পরিবর্তে দেশীয় পারদর্শিতা, দেশীয় প্রযুক্তি, দেশীয় অর্থায়ন ও উন্মুক্ত আলোচনার ভিত্তিতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন এবং তিস্তাপাড়ের মানুষ ও দেশবাসীর সহযোগিতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করবেন।

১৩) গঙ্গা/পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে জাতীয় পর্যায়ে আরও আলোচনার সুযোগ দেবেন এবং বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতিমধ্যে বর্ষাকালে গঙ্গার পানি হার্ডিঞ্জ সেতুর নিচে ১২ থেকে ১৪ মিটার উচ্চতায় পৌঁছানো সত্ত্বেও কেন তা গড়াই-মধুমতি, বড়াল ও অন্যান্য শাখানদীতে প্রবেশ করছে না, তা অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেবেন। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা বাধা হিসেবে কাজ করছে, সেগুলো অপসারণে পাউবোকে নির্দেশ দেবেন। কয়েক বছর ধরে বর্ষাকালে গঙ্গার পানি শাখানদীগুলোতে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হওয়ার অভিজ্ঞতা সঞ্চিত হলে প্রস্তাবিত গঙ্গা/পদ্মা ব্যারাজ সম্পর্কে আরও সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।

১৪) উপর্যুক্ত ধারায় আপনার ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের প্রতি বাপার সমর্থন থাকবে এবং বাপা সাধ্যমতো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত থাকবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ-মালদ্বীপের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-মালদ্বীপের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে মালদ্বীপ সফর শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এটি ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রথম সরকারি মালদ্বীপ সফর। এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া তিনি মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ, পর্যটন, শ্রম, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও তারা আলোচনা করেন। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সফরের অংশ হিসেবে ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদমের আয়োজিত ডিপ্লোম্যাটিক আউটরিচ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এছাড়া দেশটির ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি এবং রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজেও অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু কার্যক্রমে দুই দেশের যৌথ অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদম এবং পরিবেশমন্ত্রী আলী শরীফের সঙ্গে লোনুজিয়ারাই পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর উদ্যোগে গৃহীত ‘পাঁচ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’-এর অংশ। অনুষ্ঠানে পরিবেশগত স্থায়িত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের অভিন্ন অঙ্গীকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

মালদ্বীপ সফর শেষে ভেলানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে বিদায় জানান দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ আদেশ জারি করা আদেশে এ অনুমতি প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৯ জুলাই জারি করা এক নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।

ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটির জন্য কয়েকটি শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে।

এগুলো হচ্ছে, The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982–এর বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসক নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, লাইসেন্নসের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হাসপাতালটির লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হলো।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি