খুঁজুন
                               
, ,
           

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২২৮

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৮ শিশু। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে এ সময়ে ৯৩৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৩১ শিশু। হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৭ জন। এ সময়ে ১ হাজার ২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৪০৪। এ সময়ে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সংবিধান ও নিয়ম মেনে যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন ঘোষণা: মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সংবিধান ও নিয়ম মেনে যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন ঘোষণা: মঈন খান

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং নিয়মকানুন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে সরকার যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী মঈন খান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, তার কিন্তু একটি সাংবিধানিক পদ্ধতি আছে। আজকে যদি বলে দেই যে অমুক দিন নির্বাচন হবে, এই কথার কোনো অর্থ থাকবে না।

কাজেই এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তরটা কিন্তু আমার দেওয়াটা যুক্তিযুক্ত হবে না। সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায়, নিয়মকানুন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে, ইনশাল্লাহ বিএনপি সরকার যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘোষণা করবে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনের কথা তুলে ধরে মঈন খান বলেন, দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আপনারা বিগত নির্বাচনগুলো দেখেছেন। আট (২০০৮) এর নির্বাচন, চৌদ্দ এর নির্বাচন, আঠার এর নির্বাচন এবং চব্বিশ এর নির্বাচন।

আট (২০০৮) কিন্তু বিশেষ করে বলছি। এই চারটি নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছা প্রতিফলিত করে নাই। দীর্ঘ দিন পরে আমরা সৌভাগ্যবান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সত্যিকারে অর্থে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আজকে আজকে আপনাদের সামনে এসেছি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, স্পষ্ট ভাষায় বলছি, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা আইনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা আইনের পথে যেতে চাই।

বিচার বিভাগ নিয়ে মঈন খান বলেন, এই দেশের বিচার ব্যবস্থাকেও তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। বিচারের রায়, জজ সাহেব লিখতো না, মন্ত্রণালয়ে লেখা হতো। কাজেই আমরা কোনো উইচ হান্টিংয়ে বিশ্বাস করি না। আমরা চাই এই দেশে, সত্যিকারের অর্থে গণতান্ত্রিক যে সিস্টেম, সেই সিস্টেমটাকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ফিরিয়ে আনার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আমরা সেই পথে হাঁটছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমার অগ্রাধিকার হলো জনগণ। আমাদের জনগণের সরকার, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা এই সরকার গঠন করেছি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সচিব মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএএন/এমডিএইচ

সেপ্টেম্বরে নবম পে স্কেলের গেজেট!

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বরে নবম পে স্কেলের গেজেট!

বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশকে ঘিরে আবারও আশার আলো দেখছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের আলোচনা থাকলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। এবার সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা—এই কয়েকটি বিষয় নিয়ে পর্যালোচনার কারণেই প্রক্রিয়াটি প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ হয়েছে। তবে এসব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

  • জুলাইয়ের বিলম্ব কাটিয়ে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি

  • অক্টোবর থেকে নতুন বেতন, কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই—তিন মাসের বকেয়া সমন্বয়ের পরিকল্পনা

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলেই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।

জুলাইয়ের আশা, সেপ্টেম্বরে নতুন লক্ষ্য
নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার আলোচনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

এবার সেপ্টেম্বরকে চূড়ান্ত সময়সীমা হিসেবে সামনে রেখে কাজ এগোচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে গেজেট প্রকাশ না হলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে হতাশা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কারণ পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধির বিষয় নয়; এর সঙ্গে যুক্ত থাকে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, উৎসব ভাতা, অবসর-সুবিধাসহ সরকারি চাকরিজীবীদের সামগ্রিক আর্থিক কাঠামো। ফলে নতুন বেতন কাঠামোর প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে লাখো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অর্থনীতিতে।

অক্টোবর থেকে নতুন বেতন, কার্যকর ১ জুলাই
সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল অক্টোবর থেকে বাস্তবে কার্যকর করার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে বেতন কাঠামোটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হতে পারে। এর অর্থ, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে। পরে ওই তিন মাসের বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে অথবা সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বকেয়া অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। তবে বকেয়া কীভাবে এবং কত ধাপে দেওয়া হবে, সেটিই হবে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

অর্থের সংস্থান নিয়ে সরকারের ভাবনা
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হচ্ছে অর্থের সংস্থান। বেতন-ভাতা বাড়ানোর ফলে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। তবে এটি কবে থেকে এবং কত ধাপে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের অর্থের সংস্থান করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ঋণ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকার শুধু রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপর নির্ভর করছে না; প্রয়োজন হলে ঘাটতি অর্থায়নের পথও খোলা রাখছে।

বেতন বাড়বে কত, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন
গেজেট প্রকাশের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি আগ্রহ বেতন কতটা বাড়বে তা নিয়ে। নতুন পে স্কেলে বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন কী হারে বাড়বে, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান কতটা পরিবর্তিত হবে এবং ভাতাগুলো কীভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হবে—এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা বাস্তবসম্মত বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন। অন্যদিকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বেতন বাড়ানোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদে এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা। অর্থাৎ, নতুন পে স্কেলে শুধু বেতন বৃদ্ধির হার নয়, সরকারের আর্থিক সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে উঠেছে।

জুডিশিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয়েও জটিলতা
নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ক্যাডার ও সার্ভিসের মধ্যে বেতন কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখা না গেলে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। ফলে একদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, অন্যদিকে বিভিন্ন সার্ভিসের মধ্যে সামঞ্জস্য এবং সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনা করেই চূড়ান্ত।

কালের আলো/এএএন/এমডিএইচ