খুঁজুন
                               
সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু: আইনমন্ত্রী

১ জুন রামিসা হত্যা মামলার বিচারের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট হবে। আপনারা দেখেছেন, এক সপ্তাহ পূরণ হওয়ার আগেই চার্জশিট দাখিল করেছি। আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের এ প্রক্রিয়াকে ন্যায় বিচারের মানদণ্ডে যেমন স্বচ্ছতা রাখতে চেয়েছি, ঠিক একইভাবে যারা এ ধরনের অপরাধে জড়িত হয় তাদের সামনে একটি দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে নিরন্তরভাবে পথ চলছি, নিরলসভাবে চলছি।‘

বুধবার (২৭ মার্চ) বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে মেধা ও মনন মঞ্চ আয়োজিত দ্যা গ্রান্ড ফিনাল-২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ফাঁসির আসামিদের পেপার বুক তৈরির দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এর সঙ্গে শুধুমাত্র আমরা জড়িত নই, সরকার জড়িত না। এর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জড়িত। ইতিমধ্যেই আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি এবং ফাঁসির আসামিদের বিষয়ে শাস্তি ও বিচার এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার জন্য যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটাই পদক্ষেপ নেব। এইভাবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ধৈর্য ধরুন। ঠিক রামিসার মতো মাগুরার আসিয়াসহ যতগুলো ফাঁসির আসামি সেই নির্জন সেলে আছেন তাদের মামলার নিষ্পত্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে করব ইনশাল্লাহ।’

‘আমি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অবস্থায় দেশের সবচেয়ে সেনসেটিভ যে কয়টি হত্যা মামলা ছিল তার মধ্যে ছিল মেজর সিনহা হত্যা মামলা, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া হাইকোর্ট পর্যন্ত সমাপ্ত করে আসতে চেয়েছিলাম। আপিল বিভাগও আশা করি এ বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেবেন।’

মেধা ও মনন মঞ্চ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। এটাকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি চাই এ সংগঠনটি, এই মঞ্চটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, এই সোসাইটির ওয়াচডগ হিসেবে থাকুক।’

মেধা ও মনন মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ তুর্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডা. এ কে এম মতিনুর রহমান, রোজ সোয়েটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বিদ্যুৎ, শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শৈলকুপা থেকে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

 কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকারিভাবে নতুন পাটকল স্থাপন নয়, সব যাবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়: পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
সরকারিভাবে নতুন পাটকল স্থাপন নয়, সব যাবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়: পাটমন্ত্রী

Oplus_131072

দেশে সরকারি উদ্যোগে নতুন কোনো পাটকল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এ খাতে সরকারি নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এদিন বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

পাটমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) আওতাধীন ২৫টি মিলের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯টি মিল চালু আছে। সরকারঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বাকি মিলগুলোও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, সোনালি আঁশ পাট শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্ধ পাটকল চালুসহ নতুন পাটকল স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আছে কিনা?

জবাবে মন্ত্রী বলেন, সোনালি আঁশ পাটশিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি আগামী ৩০ জুন শেষ হবে। পরবর্তীতে একই ধরনের কার্যক্রম নিয়ে নতুন প্রকল্প রাজস্ব বাজেটের আওতায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

বিজেএমসির আওতাধীন ২৫টি মিলের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯টি মিল চালু আছে। ২০২০ সালের ১ জুলাইয়ের সরকারি সিদ্ধান্তে বিজেএমসি’র আওতাধীন ২৫টি মিলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং ২০টি মিলবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইজারা ভিত্তিতে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে ১৪টি মিলের ইজারা সম্পাদন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯টি মিল চালু করা হয়েছে।

অবশিষ্ট ৬টি মিল ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে, যার মধ্যে ৩টি মিলের বিপরীতে চূড়ান্ত প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে, একটি মিলের বিপরীতে দাখিল করা এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (আগ্রহপত্র) প্রস্তাব মূল্যায়নের কাজ চলছে, ১টি মিলের জন্য আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং ১টি মিলের ইজারা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। আর বাকি মিলগুলোও সরকার ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

মন্ত্রী বলেন, ইজারা বহির্ভূত ৫টি মিলের মধ্যে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়ায় ৩টি মিল এবং মামলাজনিত কারণে ২টি মিল লিজের বাইরে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থায় সরকারিভাবে দেশে নতুন কোনও পাটকল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই বরং সরকারি নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে এই সেক্টরে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

কালের আলো/এসএকে

ধর্ষণের শিকার ৪১৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
ধর্ষণের শিকার ৪১৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন

নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের দ্রুত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ডিএনএ প্রোফাইলিং কার্যক্রমে বড় সাফল্য এসেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে স্থাপিত ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং দেশের সাতটি বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরি থেকে এ পর্যন্ত সর্বমোট ৪১ হাজার ৫৫৫টি নমুনার ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে এক প্রশ্নের জবাবে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী সংসদে জানান, শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে বর্তমান সরকার বিভিন্ন জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করে চলেছে। এর আগে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান দেশে দীর্ঘদিন যাবৎ চলে আসা শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কিনা তা জানতে চেয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

তিনি আরও জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২৬ সংসদের ১ম অধিবেশনে পাস করা হয়েছে এবং এখন থেকে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের অপরাধসমূহের বিচার এই নতুন আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন ২০১৪-এর বিধান অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া ২০২৫ সালের বিশেষ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে অধিকতর গতিশীল ও দ্রুততর করা হয়েছে, যেখানে অভিযোগ গঠনের পর একটি নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার কঠোর বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

নারী ও শিশুর সার্বিক সুরক্ষার নিমিত্তে সরকারের বিভিন্ন আইন, বিধিমালা, নীতিমালা এবং কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নারী নীতি ২০১১, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২৬, ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন ২০১৪ ও বিধিমালা ২০১৭, বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা ২০১৮ এবং বাল্যবিবাহ নিরোধকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (২০১৮-২০৩০) প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানের পরিধি বাড়াতে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। বর্তমানে চালু থাকা ১৪টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের চিকিৎসা, আইনী সহায়তা, পুলিশী ও মনোসামাজিক কাউন্সিলিং, পুনর্বাসন, সামাজিক পুনঃএকত্রিকরণ এবং আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যার আওতায় ইতোমধ্যে ৮২ হাজার ৬৭৮ জন সেবা পেয়েছেন।

এ ছাড়া জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যায়ক্রমে স্থাপিত ৯৫টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার ৫২৩ জন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানকারী ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার-১০৯ (টোল ফ্রি)-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক ৮৮ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪০ জন নারী ও শিশুকে বিভিন্ন ধরনের জরুরি সেবা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আক্রান্তদের মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার এবং ৩৭টি রিজিওনাল ট্রমা কাউন্সিলিং সেন্টারের মাধ্যমে সেবার আওতা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ন্যাশনাল ও ৮টি রিজিওনাল সেন্টার থেকে মোট ৩৮ হাজার ৬১ জন নারী ও শিশুকে মনোসামাজিক কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হয়েছে, যেখানে সারভাইভারদের পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে তথ্য, আইনী পরামর্শ, উদ্ধার ও বাল্যবিবাহ বন্ধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জাতীয় থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সরকারি হেল্পলাইনের সময়োচিত হস্তক্ষেপে মোট ১৮ হাজার ৮২৪টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, লিঙ্গ বা জন্মস্থান নির্বিশেষে কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ রহিত করে পারিবারিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তির সুরক্ষা আরও সুসংহত করতে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে চলছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আমেরিকায় পা রাখল ইরান, কোচ বললেন, ‘আমরা রাজনীতির লোক নই’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
আমেরিকায় পা রাখল ইরান, কোচ বললেন, ‘আমরা রাজনীতির লোক নই’

অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আমেরিকায় পা রাখল ইরানের ফুটবল দল। রোববার দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হওয়ার দিনে লস অ্যাঞ্জেলস বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাদের বহনকারী বিমান।

দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের সবগুলো ম্যাচ হলেও তারা বেস ক্যাম্প গড়েছে মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। আমেরিকার উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার আগে তাদেরকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে মেক্সিকোতে বসবাসরত ইরানিরা।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলবে ইরান।

নানা শর্ত আর বাধাবিপত্তি ভেদ করে বিশ্বকাপ খেলতে নামছে টিম মেলিরা। ইতোমধ্যে ইরানি দর্শকদের টিকিট বাতিল করে সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মাঠের বাইরের সব ঘটনাকে ছাপিয়ে শুধু ম্যাচের দিকে মনোযোগ দলের।

স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে দোভাষীর মাধ্যমে ইরান কোচ আমির ঘালেনোয়ি বলেন, ‘মহান, গর্বিত ও শক্তিশালী ইরানের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি খুব খুশি। আমি আশা করি ফুটবল আনন্দ ও উপভোগ্য সময় বয়ে আনবে এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতিকে কাছাকাছি আনবে।’

লস অ্যাঞ্জেলস শহরেই সবচেয়ে বড় ইরানি জনগোষ্ঠী বসবাস করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে, টিম মেলির প্রথম ম্যাচ সামনে রেখে পাশের শহর ইঙ্গলউডের সোফাই স্টেডিয়ামের বাইরে হাজার হাজার ইরানি বিক্ষোভ করবে। এনিয়ে ইরানি কোচ বললেন, ‘আমি আপনাদের জানাতে চাই আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি।

এবং ইরানের সম্মানিত জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতেই এখানে আসা, সেটা হোক ইরানের অভ্যন্তরে থাকা ইরানি কিংবা প্রবাসী ইরানি। আমরা কেবল আমাদের দেশ সম্পর্কে ভাবি। আমরা রাজনীতির লোক নই। ইরানিয়ান জাতি হিসেবে আমরা প্রত্যেক ইরানিয়ানকে সম্মান করি।’

অধিনায়ক মেহদী তারেমিও একই সুরে কথা বলেছেন, ‘আমরা সব ইরানিয়ানকে সম্মান করি, সেটা হোক দেশের ভেতরের কিংবা দেশের বাইরের। আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি এবং ফুটবল সবসময় সব পক্ষকে এক করতে পারে।

আমাদের জনগণকে, ইরানের ভেতরের কিংবা বাইরের, সবাইকে আমরা ভালোবাসি। বহু বছর ধরে সভ্য দেশ ইরান ঐক্যবদ্ধ জাতি। আমরা সেই একতা দেখাতে চাই। আমরা বিশ্বকাপে এসেছি ইরানিয়ানদের আনন্দ দিতে, তারা যেখানকার হোক না কেন।’

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি