খুঁজুন
                               
, ,
           

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের

চলমান যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানকে নতুন হুমকি দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষ্যাপাটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, ‘ইরান যদি এবারের ‘অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তসঙ্গত চুক্তি’ গ্রহণ না করে, তাহলে আর ‘ভদ্রলোক’ থাকব না।’

মার্কিন নৌ অবরোধের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ ঘোষণা করায় দেশটির প্রতিটি সেতু এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টের মাধ্যমে এই হুমকি দেন ট্রাম্প।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আবারও বৈঠকে বসার কথা। সে লক্ষ্যে মার্কিন কর্মকর্তারা দুটি বিমানে করে এরইমধ্যে পাকিস্তানে রওনা হয়েছেন। তারই মাঝে ট্রাম্পের এই হুমকি।

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালীতে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন! এর মধ্যে একটি ফরাসি জাহাজ এবং যুক্তরাজ্যের একটি মালবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি, তাই না? আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন আলোচনার জন্য, তারা আগামীকাল সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।’

তিনি লেখেন, ইরান সম্প্রতি প্রণালিটি (হরমুজ) বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা বেশ অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধের কারণে এটি ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে এবং এই নৌপথ বন্ধ থাকায় তাদেরই ক্ষতি হচ্ছে, প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার! যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষতিই হচ্ছে না।’

অনেক জাহাজ এখন মালামাল বোঝাই করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, লুইজিয়ানা এবং আলাস্কার দিকে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমরা অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত একটি প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা (ইরান) তা গ্রহণ করবে। যদি তারা তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু ধ্বংস করে দেবে। আর কোনো ভদ্রতা নয়! তাদের পতন হবে দ্রুত, সহজভাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি তারা এই চুক্তি গ্রহণ না করে, তবে যা করা দরকার তা করতে পারাটা আমার জন্য সম্মানের হবে, যা গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য প্রেসিডেন্টদের ইরানের প্রতি করা উচিত ছিল। ইরানের এই হত্যাযন্ত্রের (কিলিং মেশিন) অবসান ঘটানোর সময় এসেছে!’

আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি সত্ত্বেও চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি এখনো ‘অনেক দূরে’ রয়েছে বলে ইরানের সংসদ স্পিকার ইঙ্গিত দেওয়ায় কৌশলগত হরমুজ প্রণালী রোববারও বন্ধ ছিল।

পাকিস্তানে সম্প্রতি উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার মধ্যেই তেহরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত তারা এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথটি পুনরায় খুলতে দেবে না।

এদিকে সরকারি অনুমতি ছাড়া বা নৌবাহিনীর সতর্কতা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারী যেকোনো জাহাজকে ইরানি বাহিনী ‘লক্ষ্যবস্তু’ করবে বলে সতর্ক করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণকে ইরানের সার্বভৌমত্বের অংশ উল্লেখ করে আইআরজিসি নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার সতর্ক করে বলেছেন, ইরানি জাহাজের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের জবাব হবে ‘কঠোর ও তাৎক্ষণিক’, যা ওয়াশিংটনের চিন্তার বাইরে।

ওই নৌ কমান্ডার সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে, ইরানের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করার তার পূর্ববর্তী হুমকির গুরুত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি বলেন, ট্রাম্প যদি তার হুমকি নিয়ে সিরিয়াস হন, তবে তিনি কেন শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছেন না? সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে মার্কিন নৌবাহিনীর অনাগ্রহ ইরানের প্রতিরোধ কৌশলের কার্যকারিতাই প্রমাণ করে।

পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এসব মন্তব্য এলো, যেখানে ইরান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বাহ্যিক চাপের জবাবে হরমুজ প্রণালিকে একটি কৌশলগত চাপ প্রয়োগের কেন্দ্রস্থল হিসেবে ব্যবহারের ইচ্ছার কথা বারবার জানিয়ে আসছে।

ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছে আইআরজিসি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানায়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথ হামলা চালাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলে হামলাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইরান। বন্ধ করে দিয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিও।

এক মাসেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় গত ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই যুদ্ধবিরতিকে আরও ৪৫ দিন বাড়ানোর জন্য ফের পাকিস্তানে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

রাজধানীর মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭জুলাই) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের ফলপট্টি-সংলগ্ন চৌরঙ্গী মার্কেটের দক্ষিণ পাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম সিজু (৪০) মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী সাইদুল জানান, রাতে মুন্সি বাড়ি রোডে সাইফুল ইসলাম সিজু তার নিজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জাকির হোসেনের শান্তর (২৭) নেতৃত্বে ৩/৫জন এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে সাইফুলের কোমরে এবং দুই পায়ে গুলি লাগে।

সিজু গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ​গোলাগুলির শব্দে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরা দিকবিদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু জনতা ধাওয়া করে এক যুবককে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করে। পরবর্তীতে তাকে মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, পূর্বশত্রুতার জেরে শান্ত ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সাইফুল ইসলাম সিজুকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্ত ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
দুই গোল পিছিয়ে থেকেও শেষ সময়ে জয় পেল আর্জেন্টিনা

দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে (শেষ আট) জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল মিশরের পক্ষে। প্রথমার্ধেই ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় তারা। এরপর মোস্তফা জিকো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে বড় অঘটনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে মিশর।

তবে পিছিয়ে পড়ে হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে প্রথমে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর গোলে ব্যবধান কমায় তারা। এরপর দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

এর আগে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেও মেসি শেষ পর্যন্ত নিজের অষ্টম গোল তুলে নেন। এই গোলের মাধ্যমে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও নিজের অবস্থান শক্ত করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ে আসে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত। লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ হেডে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

গোলের আগে ফাউলের অভিযোগ তুলে ভিএআরের কাছে আবেদন করে মিশর। কিন্তু পর্যালোচনার পর গোল বহাল রাখেন কর্মকর্তারা। প্রতিবাদের কারণে মিশরের কোচিং স্টাফের এক সদস্য লাল কার্ড দেখেন।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয় বিশ্বকাপ। ০-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করবে।

শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি