খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

‘বর্তমান সরকারের মেয়াদেই ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ
‘বর্তমান সরকারের মেয়াদেই ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ’

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারের মেয়াদকালেই বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির একটি দেশে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব অঙ্গীকার সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিরোধীদলের সমালোচনা করে বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। জনগণ বিএনপিকে আইন প্রণয়নের ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই সবকিছু আইনি কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে।

গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। পরবর্তীতে কার্য-উপদেষ্টা কমিটি ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য ৫০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করে। চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু তা সমর্থন করেন ।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রায় দুই দশক পর জনগণ প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চার উপযোগী একটি সংসদ পেয়েছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান অভিযোগ করে বলেন, বিরোধী দল জুলাই অভ্যুত্থানকে পুঁজি করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা ১৪ এপ্রিল এক বিবৃতিতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ১২০০ শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বললেও গেজেট অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৪।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে সরকার কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায় না। তাই বিরোধীদলকেও এ বিষয়ে নতুন কোনো বিভ্রান্তিকর বর্ণনা তৈরি না করার আহ্বান জানান।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য সংসদ গঠিত হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকারের ভেতরে ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি দেখা যাচ্ছে।

ঢাকা-১৬ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল বাতেন তার নির্বাচনী এলাকায় বসবাসরত বিপুলসংখ্যক উর্দুভাষী মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৭), আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৭), মোরশেদ মিল্টন (বগুড়া-৭), বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (নড়াইল-১), রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ-১), আহাম্মদ সোহেল মনজুর (পিরোজপুর-২), তামিজ উদ্দিন (ঢাকা-২০), নূরুল ইসলাম (ভোলা-৪), মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (নারায়ণগঞ্জ-১), জামায়াতে ইসলামীর এম আবদুল আলিম (বাগেরহাট-৪), আবদুল করিম (গাইবান্ধা-২), এম তাজউদ্দিন খান (মেহেরপুর-১), এম নজমুল হুদা (মেহেরপুর-২), আবুল কাউসার এম নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩), আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬), মো. ইজ্জতুল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), মুহাম্মদ আবদুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মোহাম্মদ উল্লাহ (ময়মনসিংহ-২) এবং স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমর (ময়মনসিংহ-১)।

কালের আলো/ এসাআর/ এএএন 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে দেখা দিয়েছে যানজট। সন্ধ্যার পর থেকেই এ পথে বাড়তে থাকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। এতে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় পেরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাইপাস পর্যন্ত যানজটে নাকাল হচ্ছে ঘরমুখী হাজার হাজার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকে এ যানজটের চিত্র দেখা গেছে। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে চন্দ্রা বাস স্টেশন এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা গেছে। ধীরে ধীরে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত যানজট ছাড়িয়ে গেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত।

জানা গেছে, সন্ধ্যার পর উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাকসহ ছোট বড় যানবাহন রাজধানী ঢাকা, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। এতে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় তীব্র জটলা সৃষ্টি হয়।

যার ফলে সেখানকার যানজট ছাড়িয়ে গেছে জেলার ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত। এছাড়াও চন্দ্রার পর থেকে উত্তরের পথে বাড়ছে যানজট। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও শেষ হচ্ছে না সড়ক।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, দিনভর এ জেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যানবাহন অবাধে ও নির্বিঘ্নে এ সড়ক পাড় হয়ে গেছে।

তবে, রাত ৯টার পর থেকে কালিয়াকৈর থেকে মির্জাপুর অংশে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা পর্যন্ত যানজট রয়েছে।

এর আগে, শিল্প নগরী গাজীপুরে মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সব শিল্প কারখানা ছুটির পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। এরমধ্যে দুই ঘণ্টার মুষলধারের বৃষ্টিতে জবুথবু হয়ে যায় হাজার হাজার যাত্রীরা।বৃষ্টির পর একযোগে সড়কে অবস্থান করে লাখের অধিক যাত্রী। এতে সড়কে দেখা দেয় যানবাহনের সংকট। এতে ঘরমুখী এসব মানুষ দিশেহারা হয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে পড়েন যানবাহনের জন্য।

চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ইতিহাস পরিবহন বাসের চালক সুমন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এক ঘণ্টায় এক কিলোমিটার জায়গা এসেছি। চন্দ্রা এলাকা পার হতে পারলে রক্ষা পাই। যাত্রীরা অনেকেই যানজটে বসে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

বগুড়াগামী একতা পরিবহনের যাত্রী সামির হোসেন বলেন, যানজটের কথা আর বলতে চাই না। সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর থেকে ছেড়ে রাত সাড়ে ৯টায় চন্দ্রা পৌঁছলাম। বাকি পথ আরও কয় ঘণ্টা লাগে বলা মুশকিল।

সোহান ট্রাভেলস বাসের চালক মুজাহিদ মিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, উত্তরা থেকে বিকেলে ছেড়ে এসে এই মাত্র চন্দ্রা পৌঁছলাম। যানজটের কারণে বিভিন্ন স্থানে গাড়ি বন্ধ করেও বসে থেকেছি। যানজট না থাকলে আমাদের খরচ ও কমে যাত্রীদের ভোগান্তিও কম হয়।

এ ব্যাপারে গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, শেষ মুহূর্তে মানুষ ও যানবাহনের চাপে পরিস্থিতি একটি বেসামাল হয়ে গেছে। তবে, সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা রয়েছে। অন্তত ২০ লাখ মানুষ গাজীপুর ছাড়ছেন। এছাড়াও কয়েকশত দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহন তো আছেই। যার ফলে এই সড়কের চন্দ্রা এলাকায় চাপ রয়েছে। তবে, আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

আর মাত্র একদিন পরই মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে। এ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

তারেক রহমান লিখেন, ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। এ শুভক্ষণে তিনি দেশ ও বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদ মোবারক জানান।

তিনি আরও লিখেন, ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইসলামের এই উৎসব কেবল আনন্দের নয়, বরং স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন ও ত্যাগের চিরন্তন বার্তা বহন করে। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত এই দিবসকে মুসলিম উম্মাহর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

তিনি ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন, সবার ত্যাগ কবুল হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও বিশ্বে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হোক।

তারেক রহমান বলেন, এই পবিত্র ঈদুল আজহা ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তাঁর রহমত ও বরকতে জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মী, সম্পাদক ও সংবাদপত্র শিল্পের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, জাতির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি ধাপে তাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান যুগে প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে তথ্যপ্রবাহ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, বিকৃত ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের অপতৎপরতা রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও সত্য যাচাইয়ের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

বার্তায় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান- এর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আপোষহীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাদের অবদান দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদুল আজহা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র উৎসবের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা যদি সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পথে অবিচল থাকতে পারি, তবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি দেশের সকল গণমাধ্যমকর্মী ও তাদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ