খুঁজুন
                               
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। একইসঙ্গে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি: বাংলাদেশ পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি রুটে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) এবং ঢাকায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মিশন প্রধান অংশ নেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় আনতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে নতুন বিধিমালা চালু করতে যাচ্ছে।

নতুন এ বিধানে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হবে।
সভায় নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণে দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা ও বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে দক্ষতা প্রশিক্ষণকে যুক্ত করা এবং গন্তব্য দেশের নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান-নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও বেশি রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে দেশের উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা অবৈধ অভিবাসন রোধ, নিয়মিত অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং মানবিক ও অধিকারভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৫০ শয্যার সব হাসপাতালকে ১০০-তে রূপান্তর করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাদারীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
৫০ শয্যার সব হাসপাতালকে ১০০-তে রূপান্তর করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সব হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরকার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে হঠাৎ করে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামীম আক্তার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওহাব আলী মিয়া ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান লেবু কাজীসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যবলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে অধিকাংশ ডাক্তারই হাসপাতালে উপস্থিত থাকে। তবে দুই-একজন দুষ্টুমি করে, তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হবে।

এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যসেবা শতভাগ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি। কোনো চিকিৎসক যদি দায়িত্ব অবহেলা করেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতারের বেড়া ভয় পায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারও কাঁটাতার ভয় পায় না। যেখানে আমাদের কথা বলার দরকার, আমরা কথা বলব।’

সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) জমি হস্তান্তরের ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশকে এখন আর ডর দেখানোর মতো জায়গা নাই।তিনি আরও বলেন, ‘যদি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চান, বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না। বাংলাদেশ সরকারও কাঁটাতার ভয় পায় না। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এখানে তো অনেকগুলো মানুষ হত্যা করা হয়। যেগুলো আগে দেখেছি আমরা হাসিনার সময়। ওই নমুনায় আর বর্ডার ইনশাআল্লাহ কোনোদিন আসবে না। আর ওই নমুনায় যদি কেউ বর্ডার করতেও চায়, এই বাংলাদেশ ওই গোলামির দেশ নয় যে, বসে দেখবে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চায়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভারতে থেকে তাকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য যাতে স্পেস না দেওয়া হয়; আমরা আশ্বস্ত হয়েছি, ভারতের সরকারের কাছ থেকে তারা তাকে ওই স্পেসটা দেবে না।’

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই। দুই দেশের নেতৃত্বের মানসিকতা হতে হবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।’

তিস্তা ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার একই রাজনৈতিক দলের অধীনে এসেছে। এতে আলোচনার ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাজশাহীতে আম সংগ্রহ শুরু ১৫ মে

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে আম সংগ্রহ শুরু ১৫ মে

রাজশাহীর আমবাগানে চলতি মৌসুমের গুটি জাতের আম সংগ্রহ আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে জেলার বিভিন্ন জনপ্রিয় ও সুস্বাদু আম সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করেছে জেলা প্রশাসন।

রবিবার (১০মে)  বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। এ সময় আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ২২ মে থেকে গোপালভোগ, ২৫ মে থেকে রানীপছন্দ ও লক্ষণভোগ, ৩০ মে থেকে হিমসাগর বা খিরসাপাত বাজারজাত করা যাবে। এছাড়া ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও বানানা ম্যাংগো, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি সংগ্রহের অনুমতি থাকবে।

পরবর্তী ধাপে ৫ জুলাই থেকে বারি আম-৪, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা এবং ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি আম নামানো যাবে। অন্যদিকে কাটিমন ও বারি আম-১১ জাতের আম সারা বছরই সংগ্রহ করা যাবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, কিছু গুটি আম আগেই পেকে যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে সেসব আম নির্ধারিত সময়ের আগেও সংগ্রহ করা যাবে।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, অপরিপক্ব আম বাজারে আসা ঠেকাতে এবং ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত আম নিশ্চিত করতে প্রতিবছরের মতো এবারও সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে গাছ থেকে আম নামিয়ে বাজারজাত করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

কালের আলো/এসআইপি