‘প্রধানমন্ত্রীর সফরে চীন-মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফরের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব আনার জন্য দাঁড়িয়েছি। বিগ ত কয়েক বছর ফ্যাসিবাদী সরকার ছিল। গত চার মাসে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চীন এবং মালয়েশিয়া সফর করেছেন। এই সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি অনেকগুলো চুক্তি করেছেন। দুই দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বের পর আমাদের নেতা বৈশ্বিকভাবে সমাদৃত হয়েছেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিদেশ সফরে আমাদের নেতা কিছু খারাপ দৃষ্টান্ত এড়িয়ে চলেছেন। আপনারা দেখবেন, আগের প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশ সফরের আগে ও পরে বিরাট সংবর্ধনা দেওয়া হতো। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, বিদেশ সফরের আগে ও পরে কোনো ধরনের সংবর্ধনা দেওয়া যাবে না। তিনি নিজেই ফোন করে তা নিষেধ করেছেন। তার বিদেশ সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সফরের ফলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। দেশের অন্যতম প্রধান এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরুজ্জীবিত করা, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সেখানে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে। বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বড় অবকাঠামো খাতে নতুন বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে ১৭টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে চীন সহযোগিতা করবে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও চীন উদ্যোগ নেবে।
কালের আলো/এসআর/এএএন


আপনার মতামত লিখুন
Array