খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বাংলাদেশকে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিশ্ববাজারে সার ও জ্বালানির দাম এবং সরবরাহে অস্থিরতা মোকাবেলা, খাদ্যনিরাপত্তা টেকসই রাখা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশে দুটি প্রকল্পে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ সহায়তার পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাংক। ধান উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থায়ন দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর আমন মৌসুম এবং আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশে মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশিই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক, যার অর্ধেকই ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান উৎপাদন সহায়তা পাবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, ‘বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা আমন ও বোরো ধান মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। এ দুই মৌসুম মিলিয়ে দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। এ ছাড়া দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী কৃষি খাতে কর্মরত। তাই সার সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে না, দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলবে।’

এছাড়া ৭১৩ মিলিয়ন ডলারের ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় দ্রুত ছাড়যোগ্য জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তা ও জীবিকা সহায়তা। সংকটকালে আয় স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এ সহায়তা ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহেও অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং পানির মতো অপরিহার্য সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রকল্পের অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার টুলকিট বা ব্যবস্থার মাধ্যমে এ প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল পাওয়ার সুযোগ দেবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সম্পদ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আকস্মিক ধাক্কার প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এসএকে

স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, চীন ও মালয়েশিয়া সফরেও বাংলাদেশ একই বার্তা তুলে ধরেছে।

শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) আয়োজিত প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে এক সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূতকে মন্ত্রী মর্যাদা দেয়ায় নতুন করে বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক চাপ তৈরি হবে না, বরং এটি দ্বিপাক্ষিক ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া এবং চীন দুই দেশের সরকারই বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বার্থ বজায় রেখেই তাদের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

তিনি আরও বলেন, যারা চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করতে চান, সরকার সব সময় তাদের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতেও সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিসিটিআই-এর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের বিষয়েও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

কালের আলো/এসএকে

গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, এজন্য বিশেষ প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যাচ্ছে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, এ নিয়ে বড় প্রকল্প প্রস্তুত ও প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৩০ জুনে পাস হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসের জন্য সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘সিএসএফ সেন্টার’ এর সেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনার বিকাশে প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ, পুনর্বাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কেন্দ্রটি তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।

সমাজের প্রতিটি পিছিয়ে পড়া মানুষের মানবিক উন্নয়ন ও সম-অধিকার নিশ্চিত করাই আসল অগ্রগতি বলে মন্তব্য করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তার নীতি প্রণয়ন, বাজেট এবং ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন এনে দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষকে অন্য সকল নাগরিকের সমতুল্য অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক সময় উন্নয়ন বলতে বুঝি অনেক টাকা হওয়া কিংবা বড় বড় বিল্ডিং বানানো। কিন্তু শুধু বিল্ডিং দিয়ে তো সমাজের আসল উন্নয়ন হবে না, মানবিক উন্নয়ন হবে না।

মানুষ হিসেবে যদি আমরা উন্নত হতে চাই, তবে সমাজে যে মানুষটির সামান্য অসুবিধা বা প্রতিবন্ধিতা আছে, তার প্রতি আমাদের মমত্ববোধ থাকতে হবে। অন্যথায় কেবল ইটের দালানকোঠার উন্নয়ন হবে, সমাজের প্রকৃত রূপান্তর ঘটবে না।

সরকারকে একটি অত্যন্ত ‘মানবিক সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জন্মগতভাবে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত শিশুরা যাতে অবহেলায় হারিয়ে না যায় এবং সমাজের মূলস্রোতে মিশে লেখাপড়া, কর্মসংস্থান ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে, সেজন্য রাষ্ট্র তার কাঠামোতে স্থায়ী পরিবর্তন আনছে। আগামী ৩০ জুনে পাস হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসের জন্য সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ অর্থনৈতিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ইতিমধ্যে একটি সমন্বিত প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শেষ করেছে, যার মূল লক্ষ্য হলো শহর, নগর কিংবা দূরবর্তী গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে থাকা প্রতিটি বিশেষ শিশু যেন সরাসরি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, একই সাথে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কেবল স্বাস্থ্যসেবাই নয়, বরং শিক্ষাক্ষেত্রেও সম-অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা যাতে অন্য সব স্বাভাবিক শিশুদের মতোই সমান মর্যাদা নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পায়, সেজন্য শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই স্কুলগুলোর পরিবেশ ও অবকাঠামো বিশেষ শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

কড়াইল বস্তির সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান এই কড়াইলে এসে যে ‘শিশু স্বর্গ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন, সেই মানবিক উদ্যোগটি বছরব্যাপী সচল থাকবে। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্র ও ইনস্টিটিউট থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা নিয়মিত এই সিএসএফ সেন্টারে এসে প্রান্তিক শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী ও সিএসএফ সেন্টারের জেনারেল সেক্রেটারী আবু ঈসা মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৭৮৯ জনের মধ্যে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদফতরের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬১৫ জন মারা শিশু মারা গেছে।

প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭৮৯ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৪৫ জন এবং উপসর্গ রয়েছে ৭৪৪ জনের শরীরে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৪ জন। অন্যদিকে একই সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ জন শিশু আর হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এই সময়ে ৮৬০ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো হলো- অতিরিক্ত জ্বর, সর্দি ও কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস), মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পটস), শরীর ও মুখমণ্ডলে লাল ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ ওঠা।

হামের কারণে শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা মূলত এ কারণেই ঘটে।

কালের আলো/এসআর/এএএন