খুঁজুন
                               
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৬ শিশুর

সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৭৮৯ জনের মধ্যে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদফতরের প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬১৫ জন মারা শিশু মারা গেছে।

প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭৮৯ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৪৫ জন এবং উপসর্গ রয়েছে ৭৪৪ জনের শরীরে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৪ জন। অন্যদিকে একই সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ জন শিশু আর হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এই সময়ে ৮৬০ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো হলো- অতিরিক্ত জ্বর, সর্দি ও কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস), মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পটস), শরীর ও মুখমণ্ডলে লাল ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ ওঠা।

হামের কারণে শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা মূলত এ কারণেই ঘটে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর চাপানো বাজেট’ সংসদে রফিকুল ইসলাম খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর চাপানো বাজেট’ সংসদে রফিকুল ইসলাম খান

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘জনবান্ধব নয়’ বরং ‘গরিবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টিকারী’ বলে দাবি করেছেন বিরোধী দল

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ভ্যাটের বিস্তার, অবাস্তব প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা, উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে ধীরগতি, ব্যাংক খাতে ভয়াবহ ঋণ খেলাপি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এবং অর্থ পাচার—সব মিলিয়ে সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় গভীর সংকটের প্রতিফলন ঘটেছে এবারের বাজেটে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৬তম দিনে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। চাল, ডিম, মুরগি, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে মুদি পণ্যে ভ্যাট আরোপের কারণে দরিদ্র মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহকারী মানুষও বাজার থেকে পণ্য কিনতে গিয়ে ভ্যাট দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে চতুর্থ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এতে স্পষ্ট হয়, বর্তমান বাজেট তাৎক্ষণিকভাবে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম নয় এবং আগামী তিন বছর দেশের মানুষকে কষ্টের মধ্য দিয়েই চলতে হবে।

ব্যাংকিং খাতের অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট ঋণের প্রায় ৩২ শতাংশ। অথচ ২০০৯ সালের শুরুতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধির কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ এনে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মানুষের জানমাল ও সম্ভ্রম রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। তিনি এ জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৮৩ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে নতুন আইন প্রণয়নকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, মাদকের উৎস এবং সীমান্ত দিয়ে এর প্রবেশ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলেই দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

রফিকুল ইসলাম খান কওমি মাদ্রাসার ১২ থেকে ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর উন্নয়নে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানান। একইসঙ্গে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য সম্মানজনক ভাতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিদেশে অবস্থানরত অন্য মামলার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আহ্বান জানান রফিকুল ইসলাম খান। একইসঙ্গে আলোচিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও দেশে ফিরিয়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

বক্তব্যের শেষদিকে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, দুর্নীতিবাজ কোনো দলের নয়, তারা দেশের শত্রু। তাই দলমত নির্বিশেষে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারমুক্ত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএকে

আসিয়ানে যোগ দিতে সমর্থন দেবে মালয়েশিয়া, চীন সহায়তা করবে তিস্তায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
আসিয়ানে যোগ দিতে সমর্থন দেবে মালয়েশিয়া, চীন সহায়তা করবে তিস্তায়

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে সমর্থন দেবে মালয়েশিয়া। একইসঙ্গে তিস্তা প্রকল্পে সর্বোচ্চ সহায়তা করবে চীন। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে একমত হয়েছে দুই দেশ।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাবেক প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের চেয়েও প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর অনেক বেশি ফলপ্রসূ। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ ছিল খুবই কম। আর বিএনপির নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে। বিগত বছরের সফরের যেগুলো স্বপ্ন ছিল, সেগুলোর বাস্তবায়ন বড় আকারে এই সরকারের সফরের মাধ্যমে সামনে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে চীন শক্তিশালী সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যা আগে দুইবারই বিএনপি সমাধান করেছে, এবারও এই সমস্যা বিএনপি সরকারই সমাধান করবে।

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হূমায়ুন কবির বলেন, বিএনপি এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও সুসম্পর্ক তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন বিভিন্নভাবে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হতেও তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে চীন ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, চীন বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সম্পূর্ণ নিজেদের বিনিয়োগে বাংলাদেশে একটি গ্রিন সিটি নির্মাণেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির বিনিয়োগকারীরা। কত দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই সফরের ভিত্তিতে আগামী তিন মাসের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সুদূরপ্রসারী ও শক্তিশালী পদক্ষেপ দেখবে দেশবাসী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, হচ্ছে প্রকল্প : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, হচ্ছে প্রকল্প : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশুকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে বিশেষ প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বড় পরিসরে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘সিএসএফ সেন্টার’-এর সেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনার বিকাশে প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ, পুনর্বাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা’ প্রতিপাদ্যে কেন্দ্রটির কার্যক্রম শুরু হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মানবিক উন্নয়ন ও সম-অধিকার নিশ্চিত করাই প্রকৃত অগ্রগতি। সরকার নীতি প্রণয়ন, বাজেট ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এনে দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। উন্নয়ন বলতে শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বা বড় বড় স্থাপনা নির্মাণ বোঝায় না। সমাজের যেসব মানুষ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে, তাদের প্রতি মমত্ববোধ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, জন্মগত বিভিন্ন অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধিতা নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুরা যেন অবহেলায় হারিয়ে না যায়, সে জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ৩০ জুনে পাস হতে যাওয়া নতুন জাতীয় বাজেটে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধিতা নিরূপণ ও হ্রাসের জন্য সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি সমন্বিত প্রকল্প প্রণয়ন করেছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত বিশেষ শিশুরা সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

কড়াইল বস্তির সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমানের উদ্বোধন করা ‘শিশু স্বর্গ’ কর্মসূচি বছরব্যাপী চলবে। দেশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্র ও ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা নিয়মিত এই সিএসএফ সেন্টারে এসে প্রান্তিক শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেবেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী এবং সিএসএফ সেন্টারের জেনারেল সেক্রেটারি আবু ঈসা মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন।

কালের আলো/এসএকে