খুঁজুন
                               
, ,
           

আগামী বিশ্বকাপে মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
আগামী বিশ্বকাপে মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, আগামী বিশ্বকাপে শুধু বিনামূল্যে খেলা সম্প্রচারই নয়, বরং বিজ্ঞাপনের বিশাল বাজারকে কাজে লাগিয়ে সরকারের জন্য বড় মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি রাজস্বের এক টাকাও খরচ না করে এবার সফলভাবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আনুষ্ঠানিক ফুলেল শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের কাছ থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে তার ধন্যবাদপত্র ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহ আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহ আলম ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঠিক দিকনির্দেশনা, সততা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তার কারণেই দেশের বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী মানুষকে বঞ্চিত না করে এবং রাজস্বের টাকা খরচ না করেই এ বিশ্বকাপ সম্প্রচার করা সম্ভব হয়েছে।

এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকারের কৃচ্ছ্রতাসাধন নীতির মধ্যে থেকেও যাতে ফুটবলপ্রেমী মানুষ খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিকল্প কাঠামো তৈরি করেই এই বিশাল সাফল্য এসেছে। সুতরাং এই কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর।

সফলভাবে এই সম্প্রচার কার্যক্রম শেষ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তথ্যমন্ত্রী। একই সাথে তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা, বিটিভির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বর্তমান ইতিবাচক পরিবেশ প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গত কয়েক মাসে সাবেক তারকা খেলোয়াড় ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্রীড়াঙ্গনে অভূতপূর্ব এক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, যুবসমাজকে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে একদিকে যেমন মাদকমুক্ত সমাজ ও সুস্থ মনোজগৎ গঠন সম্ভব হবে, তেমনি ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ জনবলও তৈরি হবে।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয়, বরং একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়ে কাজ করছে।

ভবিষ্যৎ সম্প্রচার পরিকল্পনা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এবার আমরা শূন্য ব্যয়ে খেলা সম্প্রচার করার চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়েছি। আগামী বিশ্বকাপে আমাদের লক্ষ্য শুধু বিনা খরচে খেলা দেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

তিনি বলেন, বিজ্ঞাপনের বিশাল বাজার থেকে বড় ধরনের অর্থ উপার্জন করে একে একটি লাভজনক ইভেন্টে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য।

কালের আলো/এম/এএইচ

ডিএমপির অভিযানে ৫১১ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২ বিদেশি পিস্তল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ৫১১ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২ বিদেশি পিস্তল

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন থানায় ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৯ জন, লালবাগে ৩৩ জন, ওয়ারীতে ৫১ জন, মতিঝিলে ৬২ জন, তেজগাঁওয়ে ৭২ জন, মিরপুরে ১২৬ জন, গুলশানে ৫০ জন, উত্তরা বিভাগে ৬৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১১ জন রয়েছেন।

অভিযানকালে দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও ১৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এক হাজার ৪০৩ পিস ইয়াবা, ৯৮ কেজি ৫৬৫ গ্রাম গাঁজা, এক গ্রাম হেরোইন ও চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ সময় একটি কম্পিউটার, ছয়টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অপারেটরের ৮০টি সিমকার্ড এবং সাতটি ব্যাংকের এটিএম কার্ডও উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস, বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস, বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে টাইগাররা।

রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশের এমন গৌরবময় জয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তিনি বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন এবং ঐতিহাসিক জয়ের জন্য তাদের শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে বাংলাদেশের এই জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। খেলোয়াড়দের দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এ অসাধারণ সাফল্য এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সিরিজের পরের টেস্টেও ভালো খেলে সিরিজ জয়ের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এমন সাফল্য পেল বাংলাদেশ। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ টেস্ট জয় এসেছিল ২০১৭ সালে মিরপুরে। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়ে ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত করল টাইগাররা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ: ভারতীয় আদালতেই হবে চূড়ান্ত ফয়সালা

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ: ভারতীয় আদালতেই হবে চূড়ান্ত ফয়সালা

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালতই নেবে বলে জানিয়েছে দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা। তবে এ নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে নিবিড় আলোচনা চলছে এবং বিষয়টি সমাধানে দুই দেশ বিভিন্ন পথ খুঁজছে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ভারতের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিকভাবে নেওয়া হবে না। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নিষ্পত্তি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না, তা যাচাই করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। এর সঙ্গে ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্রও পাঠানো হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের বিষয়টি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেয়। ওই রায়ের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ তার প্রত্যর্পণ দাবি করে আসছে।

এদিকে শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি ডিসেম্বরকে বাংলাদেশের বিজয়ের মাস উল্লেখ করে ওই মাসে দেশে ফেরার কথা বলেন।

২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তিতে বিচারিকভাবে সাজাপ্রাপ্ত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম থাকলেও হত্যা, হামলা ও হত্যায় প্ররোচনার মতো গুরুতর অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করার বিধান রয়েছে।

ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইনেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। প্রয়োজন মনে করলে ভারত সরকার একজন অনুসন্ধানী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে পারে। তিনি অভিযোগের পক্ষে প্রাথমিকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ পেলে প্রত্যর্পণের সুপারিশ করতে পারেন। অন্যদিকে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ারও সুযোগ রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি