খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের জানাজায় মানুষের ঢল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের জানাজায় মানুষের ঢল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জানাজায় মানুষের ঢল নামে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম নগরীর জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে মিরসরাইয়ে নেওয়া হয়।

সেখানে বাদ আসর ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তৃতীয় নামাজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

জানাজায় অংশ নেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরও জানাজায় অংশ নিতে দেখা যায়। এ সময় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের রাজনৈতিক সহচর ও অনুসারীরা অ্যাম্বুলেন্স ঘিরে স্লোগান ধরেন। তাদের কণ্ঠে ছিল– ‘বীর চট্টলার মোশাররফ ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ ইত্যাদি স্লোগান।

নেতাকর্মীরা স্লোগান ধরে প্রিয় নেতার মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা মাঠের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি মীরসরাইয়ের ধুম গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।

জানাজায় অংশ নিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ছিলেন দেশের রাজনীতির এক অভিজ্ঞ ও সজ্জন ব্যক্তি। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ভূমিকা মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবো।’ এ সময় তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু বলেন, ‘আজ চট্টগ্রামবাসীর জন্য অনেক কষ্টের দিন। দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আমার বাবা চট্টগ্রামের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

জানাজাকে ঘিরে বিভিন্ন মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত ফোর্সের উপস্থিতি দেখা যায়। মসজিদ প্রাঙ্গণের দুটি প্রবেশদ্বারেও ছিল কড়া নিরাপত্তা। সেখানে কোনও ধরনের গাড়ি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যারা ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করেছেন তাদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদেরও তল্লাশি করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন মোশাররফ হোসেন। কয়েকদিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার সকালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অক্টোবর মাসে তিনি গ্রেফতার হন। ২০২৫ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরে জামিনে মুক্ত হন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসন থেকে তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

কালের আলো/এসআইপি

প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধী শিশুদের পুনর্বাসনে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন

প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) সহসভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গড়ে তোলা বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্টল পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সহসভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

এ ছাড়া ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ বিষয়ক সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গোয়াভুয়া, রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় জরুরি। ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি মানবিক ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জুনেই আসছে সৌর বিদ্যুৎ নীতিমালা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
জুনেই আসছে সৌর বিদ্যুৎ নীতিমালা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী জুনের মধ্যেই সরকার একটি নীতিমালা ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, এ নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মতো বিপ্লব ঘটতে পারে সৌর বিদ্যুৎ খাতে।

বুধবার (১৪ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিনিয়োগ ভবনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), পিপিপি কর্তৃপক্ষ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পিপিপি পদ্ধতিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সৌর বিদ্যুৎ এখন বিশ্বের প্রধান অ্যাজেন্ডা।

বাংলাদেশও দ্রুত এই পথে এগোতে চায়। সরকার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় পলিসি সাপোর্ট দেবে, যেন তারা বিনিয়োগের সঠিক রিটার্ন পায়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

অনুষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের শতাধিক উদ্যোক্তা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), পিজিসিবি, আরইবি ও স্রেডাসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মশালায় ‘১৩০-১৪০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রিড-টাইড সোলার পাওয়ার প্লাস ব্যাটারি স্টোরেজ’বিষয়ক সোনাগাজী সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের আওতাধীন বেজার মালিকানাধীন ৪১২ একর জমিতে পিপিপি’র ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের অফ-টেকার হবে (বিপিডিবি)।

সভাপতির বক্তব্যে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, সোনাগাজী প্রকল্পটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, বরং সরকারি অব্যবহৃত জমি ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি “রেপ্লিকেবল মডেল“। তিনি জানান, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটির ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় সৌর বিদ্যুৎ গ্রিড স্থিতিশীল রাখতে এবং জ্বালানি ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ ২০২৫ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন পায়। পরে ৭ এপ্রিল ২০২৬ সরকারি সংস্থার জমিতে পিপিপি ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করে সরকার। এর আওতায় সোনাগাজী প্রকল্পকে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্যতা যাচাই, আর্থিক মডেলিং ও টেন্ডার সহায়তা দেবে এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে বিদ্যুতের ট্যারিফ নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঈদে নিরাপদ নৌযাত্রায় বিআইডব্লিউটিএ’র ১৪ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
ঈদে নিরাপদ নৌযাত্রায় বিআইডব্লিউটিএ’র ১৪ নির্দেশনা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে যাত্রীদের জন্য ১৪ দফা সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে সম্ভাব্য নৌদুর্ঘটনা এড়াতে যাত্রী, নৌযান মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিআইডব্লিউটিএ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপথে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রী চলাচল করে। এ পরিস্থিতিতে নিরাপদ নৌপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে যাত্রীদের সচেতন থাকার বিকল্প নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের টিকিট কেটে লঞ্চে ওঠা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে কিংবা লঞ্চের ছাদে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, এতে নৌযান ভারসাম্য হারিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

এ ছাড়া শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে লঞ্চে ওঠানামা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে যাত্রা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকা এবং জরুরি প্রয়োজনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, যাত্রাপথে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিলে যাত্রীদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

পাশাপাশি ঈদের ভিড় শুরুর আগেই পরিবার-পরিজনকে গন্তব্যে পাঠানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

নৌযানে ওঠার পর লাইফ জ্যাকেট ও লাইফ বয়া সম্পর্কে জেনে নেওয়া, অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার গ্রহণ না করা এবং পকেটমার, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঝুঁকি নিয়ে ট্রলার বা নৌকা থেকে চলন্ত লঞ্চে ওঠানামা করা যাবে না। ঘাটে লঞ্চ না আসা পর্যন্ত যাত্রীদের টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হবে এবং নিজেদের মালামালের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে।

যাত্রাপথে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি জরুরি হটলাইন নম্বরও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএর হটলাইন ১৬১১৩, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্টগার্ড ১৬১১১ এবং নৌপুলিশের মোবাইল নম্বর ০১৭৬৯-৭০২২১৫।

কালের আলো/এসআর/এএএন