খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

জুনেই আসছে সৌর বিদ্যুৎ নীতিমালা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
জুনেই আসছে সৌর বিদ্যুৎ নীতিমালা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সৌর বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী জুনের মধ্যেই সরকার একটি নীতিমালা ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, এ নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মতো বিপ্লব ঘটতে পারে সৌর বিদ্যুৎ খাতে।

বুধবার (১৪ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিনিয়োগ ভবনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), পিপিপি কর্তৃপক্ষ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পিপিপি পদ্ধতিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সৌর বিদ্যুৎ এখন বিশ্বের প্রধান অ্যাজেন্ডা।

বাংলাদেশও দ্রুত এই পথে এগোতে চায়। সরকার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় পলিসি সাপোর্ট দেবে, যেন তারা বিনিয়োগের সঠিক রিটার্ন পায়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

অনুষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের শতাধিক উদ্যোক্তা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), পিজিসিবি, আরইবি ও স্রেডাসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মশালায় ‘১৩০-১৪০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রিড-টাইড সোলার পাওয়ার প্লাস ব্যাটারি স্টোরেজ’বিষয়ক সোনাগাজী সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের আওতাধীন বেজার মালিকানাধীন ৪১২ একর জমিতে পিপিপি’র ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের অফ-টেকার হবে (বিপিডিবি)।

সভাপতির বক্তব্যে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, সোনাগাজী প্রকল্পটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, বরং সরকারি অব্যবহৃত জমি ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি “রেপ্লিকেবল মডেল“। তিনি জানান, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটির ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় সৌর বিদ্যুৎ গ্রিড স্থিতিশীল রাখতে এবং জ্বালানি ব্যয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জানা গেছে, গত ১৮ মার্চ ২০২৫ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন পায়। পরে ৭ এপ্রিল ২০২৬ সরকারি সংস্থার জমিতে পিপিপি ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করে সরকার। এর আওতায় সোনাগাজী প্রকল্পকে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্যতা যাচাই, আর্থিক মডেলিং ও টেন্ডার সহায়তা দেবে এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে বিদ্যুতের ট্যারিফ নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুনের মধ্যে দিতে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুনের মধ্যে দিতে নির্দেশ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ২৩ জুনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। পরে আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রেজাউল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক সালমান শাহ, যার প্রকৃত নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। তার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়। পরে তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে আদালতে আবেদন করেন।

আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত করে সিআইডি। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। পরে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন আবেদন করেন তার বাবা।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরদিন রাজধানীর রমনা থানায় নতুন করে মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর।

মামলায় সামিরা হক ছাড়াও আসামি করা হয়েছে শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদকে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন সালমান শাহকে বাসার শয়নকক্ষে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের দাবি, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা নয়, এটি পরিকল্পিত হত্যা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট স্থগিত করল এয়ার ইন্ডিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট স্থগিত করল এয়ার ইন্ডিয়া

জেট ফুয়েলের মূল্য বৃদ্ধি ও আকাশপথে বিধিনিষেধের কারণে ঢাকাসহ এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। এছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা কমানো হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মুম্বাই-ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুর রুটে সাপ্তাহিক ফ্লাইটের সংখ্যা কমানো হয়েছে।

দীর্ঘ দূরত্বের রুটেও বড় ধরনের কাটছাঁট করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় দিল্লি-শিকাগো রুটে সব ফ্লাইট আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং দিল্লি থেকে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারগামী ফ্লাইটের সংখ্যা হ্রাস করা হয়েছে। তবে মুম্বাই থেকে নিউয়ার্ক রুটে এখন থেকে প্রতিদিন ফ্লাইট চলাচল করবে।

ইউরোপের ক্ষেত্রে প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেনের মতো শহরগুলোতেও নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কম হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, জ্বালানি সংকটের কারণে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আন্তর্জাতিক পরিষেবাগুলো পুরোদমে সক্রিয় রয়েছে।

বিমান সংস্থাটি আরও জানিছে, এই সমন্বয়ের পরেও প্রতি মাসে পাঁচটি মহাদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ১ হাজার ২০০টির বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। এরমধ্যে প্রতি সপ্তাহে উত্তর আমেরিকায় ৩৩টি, ইউরোপে ৪৭টি, যুক্তরাজ্যে সপ্তাহে ৫৭টি, অস্ট্রেলিয়ায় ৮টি ফ্লাইট চলাচল করবে। এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও সার্ক অঞ্চলে সপ্তাহে ১৫৮টি এবং মরিশাসে (আফ্রিকা) সপ্তাহে ৭টি ফ্লাইট চালু থাকবে।

যেসব যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সরাসরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীরা চাইলে বিকল্প ফ্লাইটে বুকিং, ভ্রমণের তারিখ পরিবর্তন অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া কোনো নির্দিষ্ট রুটের আপডেট জানতে গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্ৰ: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তিনি। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের আগমনে উৎসুক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্লোগান ছিল ‘ক্যাম্পাসের বড় ভাই, ক্যাম্পাসে স্বাগতম’। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের কৌতূহল জাগে, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কখন কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তারেক রহমান। তবে তিনি আইন বিভাগে দুই মাস ক্লাস করার পর বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন।

দুই বিভাগে পড়ার সময় তারেক রহমানের সহপাঠী (ক্লাসমেট) ছিলেন ১২২ জন। এর মধ্যে আইন বিভাগে ৭৭ জন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ছিলেন ৪৫ জন। ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী শুধু যারা একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সনদ নিয়ে বের হন, তাদের তালিকা সংরক্ষিত থাকে। ঢাবির রেজিস্ট্রার ভবনের পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্যে দেখা যায়, তারেক রহমান স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম বা এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

আইন বিভাগের ৭৭ জন:
১. শিরীন শারমিন চৌধুরী

২. ফারাহ মাহবুব

৩. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

৪. তাহমিনা আহমেদ

৫. মালেকা বাহার শামসী

৬. আজিজ আহমদ

৭. শামিমা আওশর রহমান

৮. মুবিনা আসাফ

৯. ফাহমিদা মারিয়াম

১০. জাহান আরা রহমান

১১. সানাইয়া ফাহীম আনসারী

১২. এহসানুল হাবীব

১৩. মুফাসসিল মুহাম্মদ মাজহার

১৪. আহমেদ ফয়সাল

১৫. শেখ আবু তাহের

১৬. মাহবুবা নাসরীন

১৭. পল্ট‍ু কুমার সিকদার

১৮. স্মৃতি কর্মকার

১৯. মো. শফিকুর রহমান

২০. মো. ইমাম হোসেন

২১. সাবেরা সোবহান

২২. সুফিয়া খাতুন

২৩. আব্দুন নাসের খান

২৪. মো. রফিকুল ইসলাম

২৫. জামিলা খাতুন

২৬. মো. মাহবুব-উল-আলম

২৭. মো. হেলাল উদ্দিন

২৮. কনিকা নারী সরকার

২৯. সুলতানা লিজা

৩০. সানিয়া সুলতানা

৩১. নাসরীন ফেরদৌস

৩২. অপূর্ব কুমার কর

৩৩. জাকিয়া পারভিন

৩৪. জওহর লাল দাশ

৩৫. মাহফুজা আহমেদ

৩৬. শফিকুল কবীর খান

৩৭. নারায়ন চন্দ্র মন্ডল

৩৮. সৌরেন্দ্র নাথ মন্ডল

৩৯. মো. মফিজুর রহমান ভূঞা

৪০. সায়কা তুহীন

৪১. ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী

৪২. গোলক চন্দ্র বিশ্বাস

৪৩. পারভীন আফরোজ

৪৪. মনজুর মোরশেদ

৪৫. নরেশ চন্দ্র সরকার

৪৬. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ

৪৭. লিয়াকত আলী মোল্লা

৪৮. শেখ মফিজুর রহমান

৪৯. আ ন ম আনিসুর রহমান পাটোয়ারী

৫০. মো. ইকবাল কবির

৫১. মো. কায়সার আহমেদ

৫২. ফারিহা হুদা

৫৩. মো. জাহাঙ্গীর আলম

৫৪. মো. রেজা আলী

৫৫. আবু বকর সিদ্দিক

৫৬. গগাঙ্ক শেখর সরকার

৫৭. আসমা জাহান

৫৮. নাহিদা সুলতানা

৫৯. মো. হাবিবুল্লাহ শিকদার

৬০. সাহানা কাদের চৌধুরী

৬১. শাহনাজ বেগম

৬২. মো. আব্দুস সামাদ আজাদ

৬৩. সুফিয়া খাতুন

৬৪. মো. হুমায়ুন কবির

৬৫. মো. জাকির হোসেন

৬৬. মো. আব্দুল মান্নান

৬৭. মো. হুমায়ুন কবির

৬৮. মো. দেলোয়ার হোসেন

৬৯. মো. আাবু সাঈদ

৭০. মো. তৈয়ব আনোয়ার

৭১. নাজির আহম্মেদ

৭২. কাজী মিজানুর রহমান

৭৩. এ,টি,এম, এমরুল আহমেদ

৭৪. মো. ওসমান গনি ভূঁঞা

৭৫. মো. আজমীর ফকির

৭৬. মো. নুরুল ইসলাম

৭৭. মো. মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪২ জন:
১. মো. এনায়েত মাওলা

২. মুহা. রুহুল আমীন

৩. মো. জসীম উদ্দিন

৪. সৈয়দ মাহমুদ আক্তার

৫. দেলোয়ার হুসেন

৬. স্বপ্না জুলিয়েট কেরোলীনা

৭. মো. ফুয়াদ রেজা

৮. পলিন মেরী কুইয়া

৯. ফজলে ইলাহি মাহমুদ

১০. মো. রুহুল আমিন

১১. তাহসীন মাহবুব

১২. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী

১৩. শাহীন আক্তার

১৪. ফারহানা আমীন

১৫. শারমিন নছিমা বানু

১৬. এস.এম. মাহমুদ হাসান

১৭. স্নিগ্ধা চক্রবর্ত্তী

১৮. ফৌজিয়া আহমেদ

১৯. জি. এম. আবুল কালাম

২০. কানিজ সাইয়েদা হায়দার

২১. বি.এম. বেনজীর আহমেদ

২২. গোলাম ফারুক

২৩. মো. সামছুদ্দোহা

২৪. কাজী জাহিদ হোসেন

২৫. ফারহানা জাহান

২৬. রহিমা হক

২৭. জিনাত আরা চৌধুরী

২৮. মো. বদিউজ্জামান

২৯. গোলাম মোহাম্মদ

৩০. মো. এবাদুর রহমান

৩১. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন

৩২. ফারহানা

৩৩. মো. আলমগীর হোসেন

৩৪. আফরোজা আক্তার

৩৫. সাহিদা শিকদার

৩৬. মো. মাজহারুল হক

৩৭. শায়লা পারভীন

৩৮. উম্মে সালমা

৩৯. রাহী রহমান

৪০. আসমা ভূঁইয়া

৪১. দিলরোজ বেগম

৪২. মো. রেফাতুল ইসলাম

৪৩. এলিজাবেথ ডি. কস্তা

৪৪. মো. বদরুল ইসলাম

৪৫. মো. শামসুদ্দীন হোসেন

আইন বিভাগে তারেক রহমানের সিনিয়র ছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। গত বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারক ফারাহ মাহবুব। তখন এরশাদ ক্ষমতায় ছিল। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ