খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তিনি। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের আগমনে উৎসুক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্লোগান ছিল ‘ক্যাম্পাসের বড় ভাই, ক্যাম্পাসে স্বাগতম’। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের কৌতূহল জাগে, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কখন কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তারেক রহমান। তবে তিনি আইন বিভাগে দুই মাস ক্লাস করার পর বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন।

দুই বিভাগে পড়ার সময় তারেক রহমানের সহপাঠী (ক্লাসমেট) ছিলেন ১২২ জন। এর মধ্যে আইন বিভাগে ৭৭ জন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ছিলেন ৪৫ জন। ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী শুধু যারা একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সনদ নিয়ে বের হন, তাদের তালিকা সংরক্ষিত থাকে। ঢাবির রেজিস্ট্রার ভবনের পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্যে দেখা যায়, তারেক রহমান স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম বা এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

আইন বিভাগের ৭৭ জন:
১. শিরীন শারমিন চৌধুরী

২. ফারাহ মাহবুব

৩. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

৪. তাহমিনা আহমেদ

৫. মালেকা বাহার শামসী

৬. আজিজ আহমদ

৭. শামিমা আওশর রহমান

৮. মুবিনা আসাফ

৯. ফাহমিদা মারিয়াম

১০. জাহান আরা রহমান

১১. সানাইয়া ফাহীম আনসারী

১২. এহসানুল হাবীব

১৩. মুফাসসিল মুহাম্মদ মাজহার

১৪. আহমেদ ফয়সাল

১৫. শেখ আবু তাহের

১৬. মাহবুবা নাসরীন

১৭. পল্ট‍ু কুমার সিকদার

১৮. স্মৃতি কর্মকার

১৯. মো. শফিকুর রহমান

২০. মো. ইমাম হোসেন

২১. সাবেরা সোবহান

২২. সুফিয়া খাতুন

২৩. আব্দুন নাসের খান

২৪. মো. রফিকুল ইসলাম

২৫. জামিলা খাতুন

২৬. মো. মাহবুব-উল-আলম

২৭. মো. হেলাল উদ্দিন

২৮. কনিকা নারী সরকার

২৯. সুলতানা লিজা

৩০. সানিয়া সুলতানা

৩১. নাসরীন ফেরদৌস

৩২. অপূর্ব কুমার কর

৩৩. জাকিয়া পারভিন

৩৪. জওহর লাল দাশ

৩৫. মাহফুজা আহমেদ

৩৬. শফিকুল কবীর খান

৩৭. নারায়ন চন্দ্র মন্ডল

৩৮. সৌরেন্দ্র নাথ মন্ডল

৩৯. মো. মফিজুর রহমান ভূঞা

৪০. সায়কা তুহীন

৪১. ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী

৪২. গোলক চন্দ্র বিশ্বাস

৪৩. পারভীন আফরোজ

৪৪. মনজুর মোরশেদ

৪৫. নরেশ চন্দ্র সরকার

৪৬. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ

৪৭. লিয়াকত আলী মোল্লা

৪৮. শেখ মফিজুর রহমান

৪৯. আ ন ম আনিসুর রহমান পাটোয়ারী

৫০. মো. ইকবাল কবির

৫১. মো. কায়সার আহমেদ

৫২. ফারিহা হুদা

৫৩. মো. জাহাঙ্গীর আলম

৫৪. মো. রেজা আলী

৫৫. আবু বকর সিদ্দিক

৫৬. গগাঙ্ক শেখর সরকার

৫৭. আসমা জাহান

৫৮. নাহিদা সুলতানা

৫৯. মো. হাবিবুল্লাহ শিকদার

৬০. সাহানা কাদের চৌধুরী

৬১. শাহনাজ বেগম

৬২. মো. আব্দুস সামাদ আজাদ

৬৩. সুফিয়া খাতুন

৬৪. মো. হুমায়ুন কবির

৬৫. মো. জাকির হোসেন

৬৬. মো. আব্দুল মান্নান

৬৭. মো. হুমায়ুন কবির

৬৮. মো. দেলোয়ার হোসেন

৬৯. মো. আাবু সাঈদ

৭০. মো. তৈয়ব আনোয়ার

৭১. নাজির আহম্মেদ

৭২. কাজী মিজানুর রহমান

৭৩. এ,টি,এম, এমরুল আহমেদ

৭৪. মো. ওসমান গনি ভূঁঞা

৭৫. মো. আজমীর ফকির

৭৬. মো. নুরুল ইসলাম

৭৭. মো. মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪২ জন:
১. মো. এনায়েত মাওলা

২. মুহা. রুহুল আমীন

৩. মো. জসীম উদ্দিন

৪. সৈয়দ মাহমুদ আক্তার

৫. দেলোয়ার হুসেন

৬. স্বপ্না জুলিয়েট কেরোলীনা

৭. মো. ফুয়াদ রেজা

৮. পলিন মেরী কুইয়া

৯. ফজলে ইলাহি মাহমুদ

১০. মো. রুহুল আমিন

১১. তাহসীন মাহবুব

১২. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী

১৩. শাহীন আক্তার

১৪. ফারহানা আমীন

১৫. শারমিন নছিমা বানু

১৬. এস.এম. মাহমুদ হাসান

১৭. স্নিগ্ধা চক্রবর্ত্তী

১৮. ফৌজিয়া আহমেদ

১৯. জি. এম. আবুল কালাম

২০. কানিজ সাইয়েদা হায়দার

২১. বি.এম. বেনজীর আহমেদ

২২. গোলাম ফারুক

২৩. মো. সামছুদ্দোহা

২৪. কাজী জাহিদ হোসেন

২৫. ফারহানা জাহান

২৬. রহিমা হক

২৭. জিনাত আরা চৌধুরী

২৮. মো. বদিউজ্জামান

২৯. গোলাম মোহাম্মদ

৩০. মো. এবাদুর রহমান

৩১. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন

৩২. ফারহানা

৩৩. মো. আলমগীর হোসেন

৩৪. আফরোজা আক্তার

৩৫. সাহিদা শিকদার

৩৬. মো. মাজহারুল হক

৩৭. শায়লা পারভীন

৩৮. উম্মে সালমা

৩৯. রাহী রহমান

৪০. আসমা ভূঁইয়া

৪১. দিলরোজ বেগম

৪২. মো. রেফাতুল ইসলাম

৪৩. এলিজাবেথ ডি. কস্তা

৪৪. মো. বদরুল ইসলাম

৪৫. মো. শামসুদ্দীন হোসেন

আইন বিভাগে তারেক রহমানের সিনিয়র ছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। গত বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারক ফারাহ মাহবুব। তখন এরশাদ ক্ষমতায় ছিল। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হামে আক্রান্ত হাসান ও হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত হাসান ও হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী

হামে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা এবং সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে ‘হামের পরে নিউমোনিয়া, আইসিইউতে লড়ছে ২ যমজ শিশু’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও পুষ্টিকর ফলমূল তুলে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে ডা. বিটু দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসান-হোসেনসহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চিকিৎসকরা জানান, হাসান-হোসেনের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের আইসিইউ থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে শিশুদ্বয় এখনও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (শিশু) ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

উল্লেখ্য, হাসান-হোসেনের বাবা একজন রাজমিস্ত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি : ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি : ববি হাজ্জাজ

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা : কর্ম-অভিজ্ঞতা ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহারেই শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা স্পষ্ট করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রি-প্রাইমারি ও প্রাথমিক স্তরের চার থেকে দশ বছর বয়সি শিশুদের মৌলিক শেখার ভিত্তি দৃঢ় করা। কিন্তু বাস্তবতা হলো– অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস থ্রিতে পড়লেও তারা সেই শ্রেণির উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন (এনএসএ) অনুযায়ী প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পিছিয়ে আছে। ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে আমার মনে হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, যেসব শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে বা ক্লাসে তাল মেলাতে পারছে না, তাদের জন্য বিশেষ সহায়ক কার্যক্রম চালু করা হবে। লার্নিং সার্কেল, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, অভিভাবক অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সভাপতির বক্তব্যে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ে ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের একটি বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। বইটিতে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের নানা দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক তপন কুমার দাশ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেনের এডুকেশন লিড শাহীন ইসলাম, সিনিয়র ম্যানেজার (এডুকেশন) তাহসিনা তাইমুর এবং অধ্যাপক মুরশিদ আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, গণসাক্ষরতা অভিযানের কাউন্সিল মেম্বার এবং চলপড়ির প্রতিষ্ঠাতা জেরিন মাহমুদ হোসেন, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।

কালের আলো/এসআইপি

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

সরকার একযোগে দেশের ১০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ১০টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন উপাচার্য পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, নবনিযুক্ত উপাচার্যরা যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তারা তাদের বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হলেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, ডিনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম। তিনিও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সংগঠন ইউট্যাবের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন ড. মো. মামুন অর রশিদ।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এন্ড রিসার্চের (আইএসডব্লিউআর) অধ্যাপক হিসিবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল।

তিনি বর্তমানে সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এর আগে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।

এছাড়া জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ