খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ঢাবিতে কারা ছিলেন তারেক রহমানের ক্লাসমেট, পাওয়া গেল তালিকা

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন তিনি। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাম্পাসে তারেক রহমানের আগমনে উৎসুক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্লোগান ছিল ‘ক্যাম্পাসের বড় ভাই, ক্যাম্পাসে স্বাগতম’। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের কৌতূহল জাগে, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কখন কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন তারেক রহমান। তবে তিনি আইন বিভাগে দুই মাস ক্লাস করার পর বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হন।

দুই বিভাগে পড়ার সময় তারেক রহমানের সহপাঠী (ক্লাসমেট) ছিলেন ১২২ জন। এর মধ্যে আইন বিভাগে ৭৭ জন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ছিলেন ৪৫ জন। ঢাবির নিয়ম অনুযায়ী শুধু যারা একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সনদ নিয়ে বের হন, তাদের তালিকা সংরক্ষিত থাকে। ঢাবির রেজিস্ট্রার ভবনের পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্যে দেখা যায়, তারেক রহমান স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম বা এসএম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

আইন বিভাগের ৭৭ জন:
১. শিরীন শারমিন চৌধুরী

২. ফারাহ মাহবুব

৩. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

৪. তাহমিনা আহমেদ

৫. মালেকা বাহার শামসী

৬. আজিজ আহমদ

৭. শামিমা আওশর রহমান

৮. মুবিনা আসাফ

৯. ফাহমিদা মারিয়াম

১০. জাহান আরা রহমান

১১. সানাইয়া ফাহীম আনসারী

১২. এহসানুল হাবীব

১৩. মুফাসসিল মুহাম্মদ মাজহার

১৪. আহমেদ ফয়সাল

১৫. শেখ আবু তাহের

১৬. মাহবুবা নাসরীন

১৭. পল্ট‍ু কুমার সিকদার

১৮. স্মৃতি কর্মকার

১৯. মো. শফিকুর রহমান

২০. মো. ইমাম হোসেন

২১. সাবেরা সোবহান

২২. সুফিয়া খাতুন

২৩. আব্দুন নাসের খান

২৪. মো. রফিকুল ইসলাম

২৫. জামিলা খাতুন

২৬. মো. মাহবুব-উল-আলম

২৭. মো. হেলাল উদ্দিন

২৮. কনিকা নারী সরকার

২৯. সুলতানা লিজা

৩০. সানিয়া সুলতানা

৩১. নাসরীন ফেরদৌস

৩২. অপূর্ব কুমার কর

৩৩. জাকিয়া পারভিন

৩৪. জওহর লাল দাশ

৩৫. মাহফুজা আহমেদ

৩৬. শফিকুল কবীর খান

৩৭. নারায়ন চন্দ্র মন্ডল

৩৮. সৌরেন্দ্র নাথ মন্ডল

৩৯. মো. মফিজুর রহমান ভূঞা

৪০. সায়কা তুহীন

৪১. ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী

৪২. গোলক চন্দ্র বিশ্বাস

৪৩. পারভীন আফরোজ

৪৪. মনজুর মোরশেদ

৪৫. নরেশ চন্দ্র সরকার

৪৬. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ

৪৭. লিয়াকত আলী মোল্লা

৪৮. শেখ মফিজুর রহমান

৪৯. আ ন ম আনিসুর রহমান পাটোয়ারী

৫০. মো. ইকবাল কবির

৫১. মো. কায়সার আহমেদ

৫২. ফারিহা হুদা

৫৩. মো. জাহাঙ্গীর আলম

৫৪. মো. রেজা আলী

৫৫. আবু বকর সিদ্দিক

৫৬. গগাঙ্ক শেখর সরকার

৫৭. আসমা জাহান

৫৮. নাহিদা সুলতানা

৫৯. মো. হাবিবুল্লাহ শিকদার

৬০. সাহানা কাদের চৌধুরী

৬১. শাহনাজ বেগম

৬২. মো. আব্দুস সামাদ আজাদ

৬৩. সুফিয়া খাতুন

৬৪. মো. হুমায়ুন কবির

৬৫. মো. জাকির হোসেন

৬৬. মো. আব্দুল মান্নান

৬৭. মো. হুমায়ুন কবির

৬৮. মো. দেলোয়ার হোসেন

৬৯. মো. আাবু সাঈদ

৭০. মো. তৈয়ব আনোয়ার

৭১. নাজির আহম্মেদ

৭২. কাজী মিজানুর রহমান

৭৩. এ,টি,এম, এমরুল আহমেদ

৭৪. মো. ওসমান গনি ভূঁঞা

৭৫. মো. আজমীর ফকির

৭৬. মো. নুরুল ইসলাম

৭৭. মো. মোস্তাফিজুর রহমান

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪২ জন:
১. মো. এনায়েত মাওলা

২. মুহা. রুহুল আমীন

৩. মো. জসীম উদ্দিন

৪. সৈয়দ মাহমুদ আক্তার

৫. দেলোয়ার হুসেন

৬. স্বপ্না জুলিয়েট কেরোলীনা

৭. মো. ফুয়াদ রেজা

৮. পলিন মেরী কুইয়া

৯. ফজলে ইলাহি মাহমুদ

১০. মো. রুহুল আমিন

১১. তাহসীন মাহবুব

১২. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী

১৩. শাহীন আক্তার

১৪. ফারহানা আমীন

১৫. শারমিন নছিমা বানু

১৬. এস.এম. মাহমুদ হাসান

১৭. স্নিগ্ধা চক্রবর্ত্তী

১৮. ফৌজিয়া আহমেদ

১৯. জি. এম. আবুল কালাম

২০. কানিজ সাইয়েদা হায়দার

২১. বি.এম. বেনজীর আহমেদ

২২. গোলাম ফারুক

২৩. মো. সামছুদ্দোহা

২৪. কাজী জাহিদ হোসেন

২৫. ফারহানা জাহান

২৬. রহিমা হক

২৭. জিনাত আরা চৌধুরী

২৮. মো. বদিউজ্জামান

২৯. গোলাম মোহাম্মদ

৩০. মো. এবাদুর রহমান

৩১. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন

৩২. ফারহানা

৩৩. মো. আলমগীর হোসেন

৩৪. আফরোজা আক্তার

৩৫. সাহিদা শিকদার

৩৬. মো. মাজহারুল হক

৩৭. শায়লা পারভীন

৩৮. উম্মে সালমা

৩৯. রাহী রহমান

৪০. আসমা ভূঁইয়া

৪১. দিলরোজ বেগম

৪২. মো. রেফাতুল ইসলাম

৪৩. এলিজাবেথ ডি. কস্তা

৪৪. মো. বদরুল ইসলাম

৪৫. মো. শামসুদ্দীন হোসেন

আইন বিভাগে তারেক রহমানের সিনিয়র ছিলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। গত বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন। তারা হলেন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারক ফারাহ মাহবুব। তখন এরশাদ ক্ষমতায় ছিল। এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

সরকার একযোগে দেশের ১০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত পৃথক ১০টি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন উপাচার্য পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, নবনিযুক্ত উপাচার্যরা যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তারা তাদের বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হলেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, ডিনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম। তিনিও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সংগঠন ইউট্যাবের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন ড. মো. মামুন অর রশিদ।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার এন্ড রিসার্চের (আইএসডব্লিউআর) অধ্যাপক হিসিবে কর্মরত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল।

তিনি বর্তমানে সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এর আগে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।

এছাড়া জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প ও গণমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেও এর অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। সরকার দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের পক্ষে এবং এ প্রযুক্তি যেন চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে সৃজনশীলতার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন পরিবেশনা ও বিপণনে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য বিস্তার রোধ কৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে এআই যেন ইতিবাচক উদ্ভাবনের হাতিয়ার হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিসিটিআই-এর প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিসিটিআই পরিচালিত চারটি কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাবিব নাজমুস ছাকিব। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে ডি-এজিং, ভার্চুয়াল প্রোডাকশন ও ভয়েস ক্লোনিংয়ের মতো এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি লেখকত্ব ও সেন্সরশিপের নতুন চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনায় বক্তারা ডিপফেক, ভুয়া ভিডিও এবং এআই-চালিত বটের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে ফ্যাক্ট-চেকিং টুল ও অ্যালগরিদমিক শনাক্তকরণের মাধ্যমে এসব প্রতিরোধে এআই-এর ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, সিনেমার মূল শক্তি হলো মানুষের অনুভূতি, তাই মূলধারার চলচ্চিত্রে এআই ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিস্তার জাহান কবীর, মেন্টর রফিকুল আনোয়ার রাসেল, শিক্ষক আল আমিন রাকিব তনয় এবং মনজ়ুরুল হক সালেহ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুনের মধ্যে দিতে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৩ জুনের মধ্যে দিতে নির্দেশ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ২৩ জুনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। পরে আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেন।

পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রেজাউল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক সালমান শাহ, যার প্রকৃত নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। তার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়। পরে তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছেলের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে আদালতে আবেদন করেন।

আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত করে সিআইডি। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। পরে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন আবেদন করেন তার বাবা।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরদিন রাজধানীর রমনা থানায় নতুন করে মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর।

মামলায় সামিরা হক ছাড়াও আসামি করা হয়েছে শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদকে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন সালমান শাহকে বাসার শয়নকক্ষে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের দাবি, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা নয়, এটি পরিকল্পিত হত্যা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ