খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন শেষে এ তিনি কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, সেবা প্রদান জনগণের প্রতি করুণা নয় বরং জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব। আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা, যা দেশের টেকসই উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে হয়তো ১শ’ বছর আগে, যে জমির মালিক ছিলেন মাত্র একজন। সময়ের পরিক্রমায় বর্তমানে সেই জমির মালিক হয়তো ১শ’ কিংবা তারও বেশি।  এভাবে ভূমির মালিকানা-শরিকানা যেমন বেড়েছে স্বাভাবিকভাবেই জমির মালিকানা সংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়াকে রেকর্ডে রাখার জন্য ভূমি কর্মকর্তাদের দায়িত্বও তেমন বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালিকানা, খাজনা, দলিল, খতিয়ান, দাগ, পর্চা, নামজারি, জমা-খারিজ, মৌজা, সি-এস, আর-এস বা ডি-এস এই শব্দগুলোর সঙ্গে জমির মালিক মাত্রই কমবেশি পরিচিত। ফলে এইসব বিষয়ে নিজেদের মালিকানা হালনাগাদ রাখতে মানুষকে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে আসতে হতো। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ব্যবস্থাপনাও আধুনিক হয়েছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর করা যায় জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও তত বেশি সহজ হয়ে যায় উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকটা লাঘব হবে।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মও কমবে। চলমান এই ভূমি মেলা আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জনগণের নিজেদের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথাপিছু জমির পরিমাণও কমে আসছে। ফলে জমির অর্থনৈতিক মূল্য যেমন বাড়ছে, তেমনি জমি নিয়ে বিরোধ, মামলা-মোকদ্দমা এবং জটিলতাও বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব বিরোধ ব্যক্তি ও পরিবারের শান্তি নষ্ট করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নির্ভুল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা বর্তমানে সময়ের অপরিহার্য দাবি।

উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ভূমি প্রশাসনের প্রায় সব সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে নাগরিকদের জন্য সেবা গ্রহণকে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, যেখানে ভূমিসেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে আর অযথা অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হতে হবে না।

দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে জনগণকে সহায়তার লক্ষ্যে সারাদেশে ভূমিসেবা মেলা আয়োজন এবং জমি ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ এবং আধুনিকায়ন করার ব্যাপারে আমরা জাতীয় নির্বাচনের কয়েক বছর আগে প্রণীত ৩১ দফা এবং সর্বশেষ নির্বাচনি ইশতেহারেও উল্লেখ করেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে সারাদেশে তিন দিনব্যাপী এ ধরনের ভূমিসেবা মেলার আয়োজনের মাধ্যমে সরকার জনগণের কাছে দেওয়া আরও একটি নির্বাচনি ইশতেহার পূরণ করেছে।

সরকার জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে একের পর নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়েই নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায়। কারণ, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ বর্তমানে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায়। এ কারণেই বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ের আদালতগুলোতে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি সবমিলিয়ে ৪৭ লাখেরও বেশি মামলা বিচারাধীন। এরমধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত মামলার সংখ্যাই বেশি। সুতরাং এ মুহূর্তে সরকারের সামনে প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আদালতে বিচারাধীন মামলার দ্রুততম নিষ্পত্তি। তবে প্রচলিত আদালতের বাইরেও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত কিংবা এডিআর (বিকল্প বিবাদ নিরসনের ব্যবস্থা) অর্থাৎ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মতো আইনানুগ মাধ্যম অবলম্বনের দিকে আরও জোর দেওয়া জরুরি। এতে একদিকে বিরোধ নিষ্পত্তিতে যেমন অল্প সময় লাগবে, অপরদিকে অনেকক্ষেত্রেই বিরোধ হয়তো শত্রুতায় রূপ নেবে না।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ উক্তির কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘শক্তি দিয়ে শান্তি রক্ষা করা যায় না, বোঝাপড়ার মাধ্যমেই এটি অর্জন করা সম্ভব’।

বিশেষ করে জমিজমা সংক্রান্ত মামলা বা দেওয়ানি মামলাগুলো পর্যায়ক্রমে সমঝোতা বা মধ্যস্থতা, সালিশের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথ কার্যকর করা গেলে একদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলার জট কমবে, অপরদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করাও সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমি বা ভূমি শুধু একটুকরো সম্পদই নয়  বরং মানুষের জীবনে এটি একধরনের নিরাপত্তা, নির্ভরতা, অর্থনৈতিক স্থিতি, জীবিকা এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি। এই উপলব্ধি থেকেই ভূমি ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের সব জেলা-উপজেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া ভূমি মেলার মাধ্যমে জনগণ নিঃসন্দেহে উপকৃত হবেন। কারণ মেলায় ই-নামজারি, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, রেকর্ড সংশোধন, খতিয়ান গ্রহণ এবং ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ নিষ্পত্তির সুবিধা থাকছে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলা, চলছে অভিযান

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:০৩ পূর্বাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলা, চলছে অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ক্যাম্পে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা একযোগে হামলা চালিয়েছে। র‍্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা গুলি চালান। রাত ৩টা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় অব্যাহত থাকে।

রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে হঠাৎ গুলিবর্ষণ শুরু করে হামলাকারীরা। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

র‍্যাবের দাবি, রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে হঠাৎ জঙ্গল সলিমপুরে অবস্থিত তাদের ক্যাম্পে আক্রমণ করে সন্ত্রাসীরা। বিপরীতে তারাও পাল্টা গুলি চালায়। রাত ৩টা পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুরো জঙ্গল সলিমপুরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

চট্টগ্রাম র‍্যাবের কমান্ডার হাফিজুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্ত্রাসীদের একটি পক্ষ আমাদের ক্যাম্পে আক্রমণ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা অভিযান শুরু করছি। আমরা সেখানে কোনো সন্ত্রাসী পক্ষকে ছাড় দেব না।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় চট্টগ্রাম র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক-ডিএডি (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভুঁইয়া নিহত হন। এরপর ৯ মার্চ জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধীদের আস্তানা নির্মূল এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনের প্রায় ৪ হাজার সদস্য অংশ নেন।

দীর্ঘ সময় ধরে ‘সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে পরিচিত এই পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অনেককেই গ্রেপ্তার করা হয় । অভিযানের সময় অপরাধীদের পালিয়ে যাওয়া রুখতে জঙ্গল সলিমপুরের প্রতিটি প্রবেশ ও বাহিরের পথ সিল করে দেওয়া হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসানো হয়। এরপর জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ এবং র‍্যাবের দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে করা হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি  

কুষ্টিয়ায় মাদক ও ওষুধসহ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

কুষ্টিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ
কুষ্টিয়ায় মাদক ও ওষুধসহ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এক কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের মাদক ও বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ পণ্য উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৭ বিজিবি)। এ সময় ইয়াবাসহ আলো হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে আটক করা হয়।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ মে বিকেল ৫টায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীন রংমহল বিওপি এলাকার রংমহল মাঠ নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানার লক্ষ্মীধোলা গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে মো. আলো হোসেনকে (১৯) ১৮ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক সিজার মূল্য পাঁচ হাজার চারশত টাকা।

এছাড়াও একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীন কাথুলি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাথুলি মাঠ নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১ হাজার পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য তিন লাখ টাকা।

 অপরদিকে, আজ শনিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কাজিপুর ব্রিজ মোড় নামক স্থানে আরেকটি অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৫০ বোতল মদ, ১০ হাজার পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ২৫ হাজার পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য এক কোটি পাঁচ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা।

উদ্ধারকৃত পণ্যের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য এক কোটি আট লক্ষ আশি হাজার চারশত টাকা।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবিরের দায়ের করা হামলা, হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, এনসিপি নেতা তারেক রেজা রোববার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিলনায়তনের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথে এনসিপি নেতা তারেক রেজাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামানসহ পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, হামলা, ভাঙচুর, হত্যার হুমকির অভিযোগে গতকাল (শনিবার) এনসিপি নেতা তারেক রেজা সহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা মামলার আসামি তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারেও অভিযান চলমান আছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে আসেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলার জেরে পরদিন দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবির মামলা করেন। ওই মামলায় আজ সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন