খুঁজুন
                               
, ,
           

জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন শেষে এ তিনি কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, সেবা প্রদান জনগণের প্রতি করুণা নয় বরং জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব। আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতিমুক্ত, হয়রানিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা, যা দেশের টেকসই উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে হয়তো ১শ’ বছর আগে, যে জমির মালিক ছিলেন মাত্র একজন। সময়ের পরিক্রমায় বর্তমানে সেই জমির মালিক হয়তো ১শ’ কিংবা তারও বেশি।  এভাবে ভূমির মালিকানা-শরিকানা যেমন বেড়েছে স্বাভাবিকভাবেই জমির মালিকানা সংক্রান্ত পুরো প্রক্রিয়াকে রেকর্ডে রাখার জন্য ভূমি কর্মকর্তাদের দায়িত্বও তেমন বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালিকানা, খাজনা, দলিল, খতিয়ান, দাগ, পর্চা, নামজারি, জমা-খারিজ, মৌজা, সি-এস, আর-এস বা ডি-এস এই শব্দগুলোর সঙ্গে জমির মালিক মাত্রই কমবেশি পরিচিত। ফলে এইসব বিষয়ে নিজেদের মালিকানা হালনাগাদ রাখতে মানুষকে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে আসতে হতো। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ব্যবস্থাপনাও আধুনিক হয়েছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনা যত বেশি আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর করা যায় জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পথও তত বেশি সহজ হয়ে যায় উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, জমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করায় জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ অনেকটা লাঘব হবে।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসগুলোতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মও কমবে। চলমান এই ভূমি মেলা আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জনগণের নিজেদের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথাপিছু জমির পরিমাণও কমে আসছে। ফলে জমির অর্থনৈতিক মূল্য যেমন বাড়ছে, তেমনি জমি নিয়ে বিরোধ, মামলা-মোকদ্দমা এবং জটিলতাও বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব বিরোধ ব্যক্তি ও পরিবারের শান্তি নষ্ট করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, নির্ভুল রেকর্ড সংরক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা বর্তমানে সময়ের অপরিহার্য দাবি।

উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করতে ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ভূমি প্রশাসনের প্রায় সব সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে নাগরিকদের জন্য সেবা গ্রহণকে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, যেখানে ভূমিসেবা গ্রহণের জন্য মানুষকে আর অযথা অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না, দুর্নীতি বা হয়রানির শিকার হতে হবে না।

দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে জনগণকে সহায়তার লক্ষ্যে সারাদেশে ভূমিসেবা মেলা আয়োজন এবং জমি ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ এবং আধুনিকায়ন করার ব্যাপারে আমরা জাতীয় নির্বাচনের কয়েক বছর আগে প্রণীত ৩১ দফা এবং সর্বশেষ নির্বাচনি ইশতেহারেও উল্লেখ করেছিলাম।

তিনি আরও বলেন, আজ থেকে সারাদেশে তিন দিনব্যাপী এ ধরনের ভূমিসেবা মেলার আয়োজনের মাধ্যমে সরকার জনগণের কাছে দেওয়া আরও একটি নির্বাচনি ইশতেহার পূরণ করেছে।

সরকার জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে একের পর নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদা পূরণের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়েই নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই জনবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চায়। কারণ, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের জনগণ বর্তমানে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে তাদের অধিকারের প্রতিফলন দেখতে চায়। এ কারণেই বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম সপ্তাহ থেকেই নির্বাচনি ইশতেহার এবং জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ের আদালতগুলোতে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি সবমিলিয়ে ৪৭ লাখেরও বেশি মামলা বিচারাধীন। এরমধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত মামলার সংখ্যাই বেশি। সুতরাং এ মুহূর্তে সরকারের সামনে প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে আদালতে বিচারাধীন মামলার দ্রুততম নিষ্পত্তি। তবে প্রচলিত আদালতের বাইরেও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত কিংবা এডিআর (বিকল্প বিবাদ নিরসনের ব্যবস্থা) অর্থাৎ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মতো আইনানুগ মাধ্যম অবলম্বনের দিকে আরও জোর দেওয়া জরুরি। এতে একদিকে বিরোধ নিষ্পত্তিতে যেমন অল্প সময় লাগবে, অপরদিকে অনেকক্ষেত্রেই বিরোধ হয়তো শত্রুতায় রূপ নেবে না।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ উক্তির কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘শক্তি দিয়ে শান্তি রক্ষা করা যায় না, বোঝাপড়ার মাধ্যমেই এটি অর্জন করা সম্ভব’।

বিশেষ করে জমিজমা সংক্রান্ত মামলা বা দেওয়ানি মামলাগুলো পর্যায়ক্রমে সমঝোতা বা মধ্যস্থতা, সালিশের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পথ কার্যকর করা গেলে একদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলার জট কমবে, অপরদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করাও সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমি বা ভূমি শুধু একটুকরো সম্পদই নয়  বরং মানুষের জীবনে এটি একধরনের নিরাপত্তা, নির্ভরতা, অর্থনৈতিক স্থিতি, জীবিকা এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি। এই উপলব্ধি থেকেই ভূমি ব্যবস্থাপনাকে হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের সব জেলা-উপজেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া ভূমি মেলার মাধ্যমে জনগণ নিঃসন্দেহে উপকৃত হবেন। কারণ মেলায় ই-নামজারি, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, রেকর্ড সংশোধন, খতিয়ান গ্রহণ এবং ভূমি সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ নিষ্পত্তির সুবিধা থাকছে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/এসএকে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বেশি ফেসবুক অনুসারীর (ফলোয়ার) মালিক হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুই তারকার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরীমনির অনুসারী সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসানের অনুসারী রয়েছেন ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে প্রায় ১০ লাখ অনুসারীর ব্যবধানে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছেন পরীমনি।

এর আগে কয়েক দফা দুই তারকার অনুসারীর সংখ্যা কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। একসময় সাকিব এগিয়ে থাকলেও সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বড় ব্যবধানে তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

অনুসারীর সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও দুই তারকার ফেসবুক কার্যক্রমে রয়েছে ভিন্নতা। সাকিব আল হাসানের অফিসিয়াল পেজ থেকে মাত্র ছয়টি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেন। এ ছাড়া সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন ও ফরচুন বরিশালের অফিসিয়াল পেজও তাঁর অনুসরণ তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, পরীমনির ফেসবুক পেজ থেকে সাতটি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হলেও সেগুলোর তথ্য প্রাইভেসি সেটিংয়ের কারণে প্রকাশ্যে দেখা যায় না।

এক দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে নিয়মিত আলোচনায় থেকেছেন পরীমনি। বর্তমানে তিনি নতুন কয়েকটি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্রকল্পের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান মাঠের ক্রিকেটের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় রয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তার দিক থেকে এবার দেশের নতুন শীর্ষস্থান দখল করলেন পরীমনি।

কালের আলো/এসএ

সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের সান্তোস অধ্যায় দীর্ঘ হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে সেটি নবায়নের সম্ভাবনা খুবই কম। ক্লাবের ভেতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষই এর প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শৈশবের ক্লাবে ফেরার পর থেকেই সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে নেইমারকে ঘিরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁর আচরণ ও মনোভাবের কারণে প্রতিদিনের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে কয়েকজন খেলোয়াড় নেইমারের ‘আত্মকেন্দ্রিক’ আচরণে অসন্তুষ্ট বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেইমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গত মে মাসে অনুশীলনের সময় সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রের সঙ্গে তাঁর তর্ক-বিতর্কের ঘটনা দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে।

কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের অভিযানের সময়ও সমালোচনার মুখে পড়েন নেইমার। ভেনেজুয়েলায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তাঁকে সাও পাওলোতে একটি পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দেখা যায়। বিষয়টি সমর্থক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর জবাব দেন তিনি। এরপর শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে গোল করে তাস বিলির ভঙ্গিতে উদযাপন করে সেই বিতর্ক আরও উসকে দেন।

গ্লোবোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পেশাদার ফুটবলের চাপ ও ক্লাবের দৈনন্দিন রুটিনে নেইমার ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এমনকি তিনি অবসর নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বাবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি এবং বাণিজ্যিক চুক্তির কারণে তিনি এখনো খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর ব্রাজিলের কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, ড্রেসিংরুমে তরুণ সতীর্থ গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসকে মৌখিকভাবে আক্রমণ করেছেন নেইমার। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তাঁর দাবি, প্রকাশিত খবরগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।

কালের আলো/এসএ

 

মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পরিদর্শনের সময় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

এসময় তিনি বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করে পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ