খুঁজুন
                               
, ,
           

শিরোপা ছাড়াও কি ব্যালন ডি’অর? ইতিহাসে নজির, আলোচনায় এমবাপ্পে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
শিরোপা ছাড়াও কি ব্যালন ডি’অর? ইতিহাসে নজির, আলোচনায় এমবাপ্পে

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়—এবারের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে। বিশ্বকাপজয়ী দলের তারকা রদ্রি, বার্সেলোনার তরুণ লামিনে ইয়ামাল, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে—সবাই রয়েছেন আলোচনায়। তবে দলীয় সাফল্যের বিচারে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে এমবাপ্পেকে ঘিরে।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমেও দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স করেছেন এমবাপ্পে। লা লিগায় ২৫ গোল করে টানা দ্বিতীয়বার জিতেছেন পিচিচি ট্রফি। চ্যাম্পিয়নস লিগেও ১৫ গোল করে হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। এছাড়া বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনেও বসেছেন। তবে এত কিছুর পরও ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেননি তিনি।

তবে ইতিহাস বলছে, বড় দলীয় শিরোপা ছাড়াও ব্যালন ডি’অর জেতার নজির রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের পর অন্তত তিনবার এমন ঘটনা ঘটেছে।

১৯৯৫ সালে লাইবেরিয়ার কিংবদন্তি জর্জ উইয়াহ পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও বড় কোনো শিরোপা জেতেননি। এরপর এসি মিলানে যোগ দেওয়ার পরও ব্যালন ডি’অর জিতে প্রথম আফ্রিকান ও প্রথম অ-ইউরোপীয় ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন।

২০০০ সালে বার্সেলোনার লুইস ফিগোও কোনো বড় দলীয় ট্রফি ছাড়াই ব্যালন ডি’অর জেতেন। ওই বছর লা লিগা কিংবা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে না পারলেও তাঁর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স এবং ইউরো ২০০০-এ পর্তুগালকে সেমিফাইনালে তোলার অবদান তাঁকে এই সম্মান এনে দেয়।

সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ ২০১৩ সালের। সেবার বায়ার্ন মিউনিখ ট্রেবল জিতলেও ব্যালন ডি’অর ওঠে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কোনো দলীয় শিরোপা না জিতেও ৬৯ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুবাদে তিনি ফ্রাঙ্ক রিবেরিকে পেছনে ফেলেন।

এই ইতিহাসই নতুন করে আলোচনায় এনেছে এমবাপ্পেকে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি মৌসুমের অন্যতম সেরা হলেও ট্রফিশূন্য বছর তাঁর ব্যালন ডি’অর সম্ভাবনায় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অতীতের নজির বলছে, দলীয় শিরোপা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে অসাধারণ ব্যক্তিগত নৈপুণ্যও অনেক সময় নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এসএ

নিকোলাস ম্যাকগিহান ইনফান্তিনোকে ‘অযোগ্য’ বলল মানবাধিকার সংস্থা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
নিকোলাস ম্যাকগিহান ইনফান্তিনোকে ‘অযোগ্য’ বলল মানবাধিকার সংস্থা

২০২৬ বিশ্বকাপকে ঘিরে ওঠা সমালোচনার তীব্র জবাব দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে তাঁর সেই বক্তব্যের পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার। সংস্থাটির পরিচালক নিকোলাস ম্যাকগিহান ইনফান্তিনোকে বিশ্ব ফুটবল পরিচালনার জন্য ‘অযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

১৯ জুলাই শেষ হওয়া বিশ্বকাপের পর ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ১৫ পৃষ্ঠার এক খোলাচিঠিতে ইনফান্তিনো সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, যারা ফিফাকে ‘ঘৃণা’ করেন, তাঁদের উচিত সমালোচনার বদলে ‘ধ্যান করা, প্রার্থনা করা কিংবা ফুটবল ম্যাচ দেখা’। তাঁর দাবি, সমালোচকেরা ফুটবল উৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতি উপভোগ না করে ‘ঘৃণা ও মিথ্যা গুজব’ ছড়াতে ব্যস্ত ছিলেন।

তবে ইনফান্তিনোর এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় সংস্থাটির পরিচালক নিকোলাস ম্যাকগিহান বলেন, ইনফান্তিনোর এই ‘হিসাব চুকানোর বক্তব্য’ প্রমাণ করে তিনি বিশ্ব ফুটবলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নন। তাঁর ভাষ্য, ফিফা সভাপতি নিজের চারপাশে তোষামোদকারীদের রেখেছেন এবং বাইরের বাস্তবতা ও নিজের অজনপ্রিয়তা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

এবারের বিশ্বকাপজুড়ে মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে সমালোচনার মুখে পড়ে ফিফা। টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা এবং কয়েকটি দেশের দর্শক ও কর্মকর্তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে।

বিশ্বকাপ চলাকালে ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও আলোচনায় ছিল। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিভাগীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য কংগ্রেসম্যান জেমি রাসকিন ফিফার কাছে ট্রাম্প, তাঁর প্রশাসন, পরিবারের সদস্য এবং ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের সঙ্গে ফিফার সব ধরনের যোগাযোগ ও লেনদেনের তথ্য চেয়েছেন। দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বা তাঁর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া অর্থ, উপহার, পুরস্কার কিংবা জনসমক্ষে যৌথ উপস্থিতির মতো সব তথ্যের তালিকাও চাওয়া হয়েছে।

বিশ্বকাপে রেফারিং নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। বিশেষ করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখার পর ফোলারিন বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্পের অনুরোধে স্থগিত করার অভিযোগ এবং আর্জেন্টিনা–মিসর ম্যাচে বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এসব বিতর্কের মধ্যেই সমালোচকদের বিরুদ্ধে ইনফান্তিনোর প্রকাশ্য অবস্থান এবং মানবাধিকার সংস্থার পাল্টা আক্রমণ বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে।

কালের আলো/এসএ

দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ

রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে থাকেন, ততদিন তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যাবে না। তবে দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই আগের ও পরের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন বিষয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি আছে। বাংলাদেশের একজন মানুষ তার পদে থাকাকালীন সময়ে কোনো লিগ্যাল ইস্যু ফেস করবেন না, রাষ্ট্রপতি যতদিন পদে আছেন।

কিন্তু যখন তিনি পদে নেই, তখন আগে করা কোনো বিষয়ে বা পরে কোনো কিছু থেকে থাকলে সেগুলোর জন্য নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এটা আমি বর্তমান কোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে বলছি না, এটি যেকোনো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই সাধারণ নিয়ম।

যেমন প্রধানমন্ত্রী বা যেকোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মামলা করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে আছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিউর শুরু করা যায় না। তবে রাষ্ট্রপতি পদে না থাকলে তা করা যাবে।

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, কোর্ট সরকার নয়। কোর্ট স্বাধীন এবং আইসিটি বা সব কোর্টই স্বাধীনভাবে কাজ করে। জনগণ বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা আদালতে যেতে পারেন। সরকার কখনো কখনো কোনো মামলায় পক্ষ হয়।

তিনি বলেন, আদালতের সামনে সরকার একটি পক্ষ মাত্র। আদালত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। সরকারের বিরুদ্ধে অনেক রিট হয় এবং অসংখ্য রিটে সরকার উচ্চ আদালতে পরাজিত হয়। সরকার কিছু করছে না-এটুকু আমি নিশ্চিত করতে পারি। আদালত স্বাধীনভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
টানা ৫ মেডেন ওভারে ৫ উইকেট, টেস্ট ইতিহাসে অনন্য রেকর্ড গড়লেন জাস্টিন গ্রিভস

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইতিহাস গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রিভস। টেস্ট ক্রিকেটের তথ্য–উপাত্ত সংরক্ষণ শুরুর পর প্রথম বোলার হিসেবে টানা পাঁচ ওভারে মেডেন রেখে প্রতি ওভারেই একটি করে উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি।

তৃতীয় দিনের শুরুতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। মধ্যাহ্নবিরতির কিছু আগে ৬৩ ওভারে দলটির স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪৪। তখন পর্যন্ত গ্রিভসের বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৬ ওভারে ২৭ রান, কোনো উইকেট নয়। এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই ক্যারিবীয় পেসার।

৬৪, ৬৬, ৬৮, ৭০ ও ৭২তম ওভারে টানা পাঁচ মেডেন ওভার করেন গ্রিভস। অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিটি ওভারেই তুলে নেন একটি করে উইকেট। তাঁর শিকার হন সেঞ্চুরিয়ান শান মাসুদ (১০৯), আমের জামাল, আলী উসমান, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং মোহাম্মদ আব্বাস। মধ্যাহ্নবিরতির পর প্রথম ওভারেই আব্বাসকে ফিরিয়ে ইনিংসে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।

গ্রিভসের দুর্দান্ত স্পেলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করায় স্বাগতিকরা ২৯ রানের লিড পায়।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজও। পাকিস্তানের পেসারদের দাপটে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৬ রান। একসময় ৯৩ রানেই ৭ উইকেট হারালেও কেমার রোচ ও শামার জোসেফের অবিচ্ছিন্ন ৩৩ রানের জুটিতে দিন শেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫৫ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামবে তারা।

দিন শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গ্রিভস বলেন, “বল কিছুটা সুইং করছিল এবং আমি তার সুবিধা নিতে পেরেছি। যখনই আমাকে বোলিংয়ে আনা হয়, দলের প্রত্যাশা থাকে কঠিন পরিস্থিতিতে যেন আমি অবদান রাখতে পারি। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। তবে ম্যাচে এখনো আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”

এদিকে গ্রিভসের ঐতিহাসিক স্পেলের পরও একটি সিদ্ধান্ত বিস্ময় তৈরি করেছে। ৭২তম ওভারে নিজের পঞ্চম উইকেট নেওয়ার পর তাঁকে আর টানা বোলিং করানো হয়নি। পরের ওভারে কেমার রোচ বল করার পর ৭৪তম ওভারে অধিনায়ক রোস্টন চেজ গ্রিভসকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে জেইডেন সিলসকে বোলিংয়ে আনেন।

তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৫ রানে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচের ফল এখনো খোলা। তবে গ্রিভসের টানা পাঁচ মেডেন ওভারে পাঁচ উইকেট নেওয়ার অনন্য কীর্তি ইতোমধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

কালের আলো/এসএ