খুঁজুন
                               
, ,
           

স্থানীয় নির্বাচনে প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রার্থী দেবে এনসিপি: সারজিস

লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচনে প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রার্থী দেবে এনসিপি: সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য কমিটি হওয়া খুবই জরুরি। এ জন্য আমরা দেশের প্রত্যেকটি জেলায় সফর করছি। দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সাংগঠনিক কমিটি থাকবে।

তিনি বলেন, এবার স্থানীয় নির্বাচনে দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এনসিপি থেকে প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই। এনসিপি থেকে একজন করে আমরা প্রাথমিকভাবে সমর্থন দেব। এই প্রসেসটার মধ্য দিয়ে বড় দল হিসেবে এনসিপির গড়ে উঠা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার যে ধাপ- সেই ধাপটা সম্পূর্ণ হবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এনসিপির লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা করেন সারজিস আলম।

পৌর শহরের ‘সোনারবাংলা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে’ এনসিপির জেলা কমিটির ব্যানারে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে সারজিস বলেন, ইতোমধ্যে সংসদটাকে যেভাবে সরকার দলীয় সংসদ বানানোর চেষ্টা করছে তারা, এ অপচেষ্টা কখনো দেশের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না। বরং বিরোধীদলকে রিসিভ করতে শিখুন, তাদেরকে কথা বলতে দিন, আপনারা এ বিষয়গুলো সংশোধন করে কাজ করেন। আপনারা যদি দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরা সহযোগিতা করব। আর যদি আপনারা মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে যান, তাহলে আমরা জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের নিয়ে আমাদের আপনাদের সাথে রাজনৈতিক লড়াই হবে।

১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের ৬ মাস গেছে। তারা তিনটি সেক্টরে অগ্রাধিকার সেট করেছিল, বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবে বলেছিল- জ্বালানি ও আইনশৃঙ্খলা সেক্টরে। কিন্তু তারা সেখানে ফেল করেছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত যারা নিজেদেরকে বলে, তারাও ঠিকমতো চলতে পারছে না। মানুষ ঠিকমতো গ্যাস পায় না, বিদ্যুৎ থাকে না, কলকারখানা থেকে কর্মী ছাটাই করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ধীরে ধীরে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণকে সাথে নিয়ে জন দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে লংমার্চ নিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিরোধী দল হয়ে শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেও আমরা তাদের চোখে চোখ রেখে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই- তারা প্রত্যেকটি জায়গায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ে মানুষের কাছে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সেপ্টেম্বরেই নবম পে স্কেলের গেজেট

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বরেই নবম পে স্কেলের গেজেট

নবম জাতীয় বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। বেতন বৃদ্ধির হার, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে বেতন কাঠামোর সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা—এই চারটি বিষয় সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশ চলছে। সব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট জারির লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।

এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলার প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাব যাবে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলেই গেজেট প্রকাশের পথ খুলবে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাওয়া শুরু হতে পারে অক্টোবর থেকে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হতে পারে।

আগস্টের লক্ষ্য পিছিয়ে কেন
নবম পে স্কেলের গেজেট আগস্টের মধ্যেই প্রকাশের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগছে। বিশেষ করে বেতন বৃদ্ধির হার কত হবে, কোন ভাতা কীভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হবে, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হবে এবং নতুন কাঠামোর বাড়তি ব্যয় সরকার কতটা বহন করতে পারবে—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। ফলে আগস্টের লক্ষ্য ধরে এগোলেও বাস্তবতা বিবেচনায় এখন সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। অর্থাৎ পে স্কেল আটকে নেই; বরং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আর্থিক ও প্রশাসনিক সমীকরণ মেলানোর কাজ চলছে।

মন্ত্রিসভায় যাওয়ার আগে শেষ বৈঠক
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কাজও শেষ পর্যায়ে। তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে আরও একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে অবশিষ্ট বিষয়গুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর অর্থ বিভাগ পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য পাঠাবে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং এবং প্রজ্ঞাপন জারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির কাজ শেষ হলেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। চলতি বছরের মধ্যেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার কথাও বলেছেন তিনি।

তবে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের ধারণা, এই ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য হাতে কিছুটা সময় রেখেই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যেভাবে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, তাতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনাই এখন বেশি।

জুলাই থেকে কার্যকর, টাকা মিলবে পরে
সরকার চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নবম পে স্কেল কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনো পুরোনো কাঠামোতেই বেতন পাচ্ছেন। এ অবস্থায় গেজেট প্রকাশের পর ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর দেখানো হলে তিন মাসের বেতন-ভাতা পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। এতে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বকেয়া অর্থের একটি বড় অঙ্ক তৈরি হবে। সরকারের জন্য এখানেই বড় আর্থিক চাপ। একদিকে নতুন বেতন কাঠামোর কারণে নিয়মিত ব্যয় বাড়বে, অন্যদিকে একসঙ্গে কয়েক মাসের বকেয়া পরিশোধের প্রশ্ন রয়েছে। তাই গেজেটে কার্যকর তারিখ ১ জুলাই রাখলেও বকেয়া অর্থ কীভাবে ও কখন সমন্বয় করা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা
নতুন পে স্কেলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু বেতন বাড়ানো নয়; এর সঙ্গে যুক্ত ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যয়ও। সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আর্থিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিও রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কার্যকর করা হবে। পরে দ্বিতীয় ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। এর অর্থ হলো, গেজেট প্রকাশের পর বেতন কাঠামো কার্যকর হলেও কর্মচারীদের সব আর্থিক সুবিধা একসঙ্গে চালু নাও হতে পারে।

বেতন বৃদ্ধিতে কিছুটা কাটছাঁটের আভাস
পে কমিশনের সুপারিশে যে হারে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল, চূড়ান্ত কাঠামোয় সেই হার কিছুটা কমতে পারে। উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বেতন বৃদ্ধির হার কমানোর সুপারিশ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এখানেই নবম পে স্কেলের সবচেয়ে বড় সমীকরণ—চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা বনাম সরকারের সক্ষমতা। পে কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলে সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। আবার বেতন বৃদ্ধির হার কমিয়ে দিলে চাকরিজীবীদের প্রত্যাশার সঙ্গে সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যবধান তৈরি হতে পারে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে এই দুই দিকের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা থাকবে।

কী হতে পারে চূড়ান্ত চিত্র
সব প্রক্রিয়া নির্ধারিত গতিতে এগোলে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে নবম পে স্কেলের প্রস্তাব। এরপর অনুমোদন, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং এবং প্রজ্ঞাপন জারির আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। গেজেট হলে অক্টোবর থেকে নতুন কাঠামোয় বেতন পাওয়ার পথ খুলবে। তবে হিসাব হবে ১ জুলাই থেকে। ফলে তিন মাসের বকেয়া সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে আসবে।

তবে সরকারের আর্থিক চাপের কারণে বেতন ও ভাতা একসঙ্গে কার্যকর না করে দুই ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনাই এখন বেশি। একই সঙ্গে পে কমিশনের সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কম হওয়ার আভাসও মিলছে। সব মিলিয়ে নবম পে স্কেলের ক্ষেত্রে এখন মূল প্রশ্ন গেজেট হবে কি না, তা নয়; বরং কতটা বাড়বে, কখন পুরোপুরি কার্যকর হবে এবং বাড়তি ব্যয়ের চাপ সরকার কীভাবে সামলাবে—সেটিই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের গেজেট সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর অনেকটাই পরিষ্কার করে দিতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মাহদী আমিন

শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ-চীন যৌথ অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, এতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকালে চীনের চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এ কথা বলেন। সম্মেলনে ‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য একটি সমঝাতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

চীনের চিয়াংশি প্রাদেশিক সরকার আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দুই দেশের এই সহযোগিতা কেবল আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তবে কার্যকর করে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরি করাই মূল লক্ষ্য। শিক্ষাকে দক্ষতায়, দক্ষতাকে কর্মসংস্থানে এবং কর্মসংস্থানকে সুযোগে পরিণত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং চীনের পক্ষে চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ঝেং পেংউ সমঝাতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই সমঝাতা স্মারকের আওতায় উভয় পক্ষ বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, দ্বিভাষিক শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষা সম্পদ, বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য গবেষণা কেন্দ্র, শিক্ষা-শিল্প সংহতি, বাংলাদেশে বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর শিল্প প্রশিক্ষণ, চীন সফর এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রশাসকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও বিশেষায়িত কর্মসূচিতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। একই সাথে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ জোরদার করার জন্য বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সমঝোতা স্মারকটি কেবল কাগজে লেখা কোনো স্মারক নয়; এটি আমাদের দুই দেশের জনগণের জন্য সহযোগিতাকে বাস্তব সুযোগে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি। একটি সমঝোতা স্মারক তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে এবং বাস্তবায়ন থেকে ফলাফলে রূপান্তরিত হয়।

সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল তিনটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্র উন্মোচনের মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি বড় সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মের উন্মোচন করা হয়, যার মধ্যে ‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং সেন্টার’ উন্মোচন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং ফ্যান হংহুই। চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার’ উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রফেসর পেই হংওয়েই। ‘বাংলাদেশ চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন সেন্টার’ উন্মোচন করেন মো. দাউদ মিয়া এবং প্রফেসর ঝেং পেংউ। এই উদ্যোগগুলো শিক্ষকের প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, শেষ সেমিস্টারে শিল্প সংযোগ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, চীনা ভাষা ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এনগেজমেন্ট দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সুবিধা এবং অংশীদারিত্বমূলক ভবিষ্যতের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার যৌথ অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

মাহদী আমিন বৃত্তি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিনিময়, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিল্প সংযোগ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি, রোবোটিক্স এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি শ্রেণীকক্ষের সাথে শিল্পকে এবং শিক্ষার সাথে কর্মসংস্থানকে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যাতে তরুণরা কেবল ডিগ্রির জন্য নয়, বরং ক্যারিয়ার, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যতের জন্য শিখতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, তরুণদের এই আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি শিক্ষা ও যৌথ স্কলারশিপ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং অনুষদ বিনিময়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতির সুযোগগুলোর সাথে যুক্ত করার কার্যকর মাধ্যম তৈরি হবে।

চীন সরকারের আন্তরিক আতিথেয়তার প্রশংসা করে মাহদী আমিন বলেন, আসুন, আমরা আলোচনা থেকে কার্যকর পদক্ষেপে, সহযোগিতা থেকে বাস্তবায়নে এবং যৌথ আকাঙ্ক্ষা থেকে যৌথ ফলাফলের দিকে এগিয়ে যাই। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার শিক্ষাগত সহযোগিতাকে এমন এক অংশীদারিত্বে রূপ দিতে পারি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও নানাবিধ সুযোগ সৃষ্টি করবে। এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হোক, এমন এক অধ্যায় যেখানে শিক্ষা সুযোগ সৃষ্টি করবে, দক্ষতা সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এবং আমাদের তরুণরা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন হয়ে উঠবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা, প্রযুক্তি, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও শিল্প উন্নয়নে চীনের অর্জনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, একটি আধুনিক, শিল্প-সংযুক্ত বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার এবং বাংলাদেশের চাহিদার সাথে প্রাসঙ্গিক অনুশীলনগুলো প্রয়োগ করার বিষয়ে বাংলাদেশের গভীর আগ্রহ রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একটি বিশাল ও কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে, যা দেশের অন্যতম প্রধান শক্তি। মানসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক দক্ষতার সুযোগ পেলে এই তরুণ প্রজন্ম একটি অত্যন্ত দক্ষ, উৎপাদনশীল এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তিতে পরিণত হতে পারে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অবশ্যই শিল্প এবং কর্মসংস্থান বাজারের প্রকৃত চাহিদার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে হবে। তিনি পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবহারিক শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী ও চীনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানান। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পূর্বে শিক্ষার্থীরা যাতে একাডেমিক জ্ঞান এবং ব্যবহারিক দক্ষতা উভয়ই অর্জন করতে পারে এমন সুযোগ সৃষ্টির গুরুত্বও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে ধারাবাহিক বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা দেশের দীর্ঘমেয়াদী মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও বড় সুযোগ এনে দেবে।

চীনের পক্ষ থেকে জ্যেষ্ঠ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন চিয়াংশি প্রাদেশিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক ফ্যান হংহুই, আন্তর্জাতিক কার্যালয়ের পরিচালক উ জুওয়েন, চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটির পার্টি সেক্রেটারি প্রফেসর পেই হংওয়েই এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ঝেং পেংউ। এছাড়াও দেশটির বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রতিনিধিবৃন্দ,বিশিষ্ট শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী ও শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তারা সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনে ১৯টি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চীনা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল- চিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল ইউনিভার্সিটি, নানচাং ইউনিভার্সিটি, ইস্ট চায়না জিয়াওটং ইউনিভার্সিটি, নানচাং হ্যাংকং ইউনিভার্সিটি, চিয়াংশি ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ, চিউচিয়াং ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, চিয়াংশি ইন্ডাস্ট্রি পলিটেকনিক কলেজ, চিয়াংশি ভোকেশনাল টেকনিক্যাল কলেজ অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড, চিয়াংশি ইনস্টিটিউট অব কনস্ট্রাকশন, চিয়াংশি ওয়াটার রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট, চিয়াংশি উয়ুয়ান টি ভোকেশনাল কলেজ, চিয়াংশি মডার্ন পলিটেকনিক কলেজ, চিয়াংশি বায়োটেক ভোকেশনাল কলেজ এবং চিয়াংশি প্রদেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এ সম্মেলন, সমঝাতা স্মারক এবং নতুন প্রতিষ্ঠিত তিনটি সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম বৃত্তিমূলক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং শিল্প-শিক্ষা সংহতিতে দীর্ঘমেয়াদী বাংলাদেশ-চীন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আশা করা হচ্ছে এই সহযোগিতা শিক্ষা, ব্যবহারিক দক্ষতা, শিল্পের প্রয়োজনীয়তা এবং বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে সংযোগকে শক্তিশালী করবে।

চীন সরকারের আমন্ত্রণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন আয়োজন এবং আলোচনায় অংশ নিতে তিন দিনের সরকারি সফরে চীনে রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

কালের আলো/এম/এএইচ

অর্থের পেছনে না ছুটে যোগ্য আইনজীবী হওয়ার পরামর্শ আইনমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
অর্থের পেছনে না ছুটে যোগ্য আইনজীবী হওয়ার পরামর্শ আইনমন্ত্রীর

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আইনজীবীদের পেশাগত জীবনে সবকিছুকে অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়টির আইন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী নবীন আইনজীবীদের মেধা, সততা ও পরিশ্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুরুতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কর্মজীবনের শুরুতে কাজ ও পারিশ্রমিক কম থাকলেও ধৈর্য ধরে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। সময়ের সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিকও বাড়বে।

তিনি বলেন, পেশাগত জীবনের শুরুতেই অর্থের পেছনে না ছুটে নিজেকে একজন যোগ্য আইনজীবী হিসেবে গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দুর্নীতি বা শর্টকাটের পথ অবলম্বন করে দ্রুত অর্থবিত্ত অর্জনের চেষ্টা করা উচিত নয়।

মেধা, সততা, নীতি-নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন আইনজীবীকে নিজের অবস্থান তৈরি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় স্বচ্ছতার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় কোনো ধরনের নেপোটিজমের সুযোগ নেই। এমনকি এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্যদের সন্তানদেরও পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার নজির রয়েছে। তাই নবীন আইনজীবীদের নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার ওপর আস্থা রেখে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে ইউএপির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সম্মাননাপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির আইন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি