খুঁজুন
                               
, ,
           

মুষ্টির শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব, চ্যাম্পিয়ন ২৪ পদাতিক ডিভিশন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মুষ্টির শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব, চ্যাম্পিয়ন ২৪ পদাতিক ডিভিশন

বক্সিং—একদিকে আত্মরক্ষার কৌশল, অন্যদিকে শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা ও কৌশলগত বুদ্ধিমত্তার কঠিন পরীক্ষা। বিশ্বের বহু দেশে এই খেলা পেশাদার ক্রীড়ার অন্যতম আকর্ষণ হলেও বাংলাদেশে এখনো বক্সিংয়ের বিস্তার তুলনামূলক সীমিত। তবে সেই বাস্তবতায় ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আর এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর নিয়মিত মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; বরং সম্ভাবনাময় বক্সারদের খুঁজে বের করা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত করা এবং বক্সিংকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে। এবারের প্রতিযোগিতায় ২৪ পদাতিক ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন হওয়া সেই ধারাবাহিকতারই নতুন সংযোজন।

যশোর সেনানিবাসে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তরের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ১৪টি দল। গত ২২ আগস্ট শুরু হওয়া প্রতিযোগিতার পর্দা নামে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

  • সেনাবাহিনীর মুষ্টিযুদ্ধে ১৪ দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  • সেনাবাহিনীর বক্সিং প্রতিযোগিতায় নতুন প্রতিভার উত্থান
  • পেশাদার অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বপ্ন

প্রতিযোগিতার ফাইনাল ফলাফলে ২৪ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং ৬৬ পদাতিক ডিভিশন রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অর্থাৎ রিংয়ের লড়াইয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উঠেছে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের মাথায়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান। তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

শুধু শিরোপা নয়, নজর নতুন প্রতিভায়
এবারের প্রতিযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ব্যক্তিগত সাফল্য। ১৯ পদাতিক ডিভিশনের ল্যান্স কর্পোরাল মো. হোসেন আলী নির্বাচিত হয়েছেন শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। অন্যদিকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের এনসি(ই) শান্ত সাহেব অর্জন করেছেন শ্রেষ্ঠ নবীন খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি। এই স্বীকৃতিগুলো দেখিয়ে দেয়, প্রতিযোগিতার লক্ষ্য কেবল দলীয় চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণে সীমাবদ্ধ নয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত দক্ষতা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত বক্সারদেরও সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। বক্সিংয়ে একজন খেলোয়াড়ের সাফল্য শুধু শক্তিশালী ঘুষির ওপর নির্ভর করে না।

প্রয়োজন গতি, ফুটওয়ার্ক, প্রতিপক্ষের কৌশল বুঝে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, শারীরিক সহনশীলতা এবং চাপের মধ্যে স্থির থাকার মানসিক শক্তি। ফলে সেনাবাহিনীর মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে নিয়মিত প্রশিক্ষণ একজন বক্সারকে প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা তৈরি করতে পারে।

পেশাদার বক্সিংয়ের সম্ভাবনার দরজা
বাংলাদেশে বক্সিংয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ধারাবাহিক প্রতিযোগিতা ও পেশাদার ক্যারিয়ারের সুযোগের সীমাবদ্ধতা। প্রতিভা থাকলেও অনেক তরুণের কাছে বক্সিংকে দীর্ঘমেয়াদি পেশা হিসেবে নেওয়ার পথ এখনো স্পষ্ট নয়। এই জায়গাতেই সেনাবাহিনীর আয়োজনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

নিয়মিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতামূলক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতার ঘাটতি চিহ্নিত করার সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সম্ভাবনাময় বক্সার বাছাই এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরির সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ যদি বক্সিংকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থানে নিতে চায়, তাহলে শুধু প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকলেই হবে না; প্রয়োজন নিয়মিত প্রতিযোগিতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচিং, স্পোর্টস সায়েন্স, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতাগুলো সেই বৃহত্তর কাঠামো তৈরির একটি কার্যকর ধাপ হতে পারে।

রিং থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ—চ্যালেঞ্জও কম নয়
তবে সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক সাফল্যে রূপ দিতে হলে পরবর্তী ধাপটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সেরা বক্সারদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তুলতে নিয়মিত বিদেশি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, আন্তর্জাতিক মানের প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই এবং আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতির সঙ্গে তাদের পরিচিত করা জরুরি। কারণ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব আর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জয়—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরীক্ষা। আন্তর্জাতিক রিংয়ে প্রতিপক্ষের গতি, কৌশল ও অভিজ্ঞতা মোকাবিলায় প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি।

সেই অর্থে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের এবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়া শুধু একটি ট্রফি জয়ের ঘটনা নয়। এটি সেনাবাহিনীর বক্সিং চর্চার ধারাবাহিকতা, প্রতিযোগিতার গভীরতা এবং নতুন প্রতিভা তৈরির সম্ভাবনারও একটি প্রতিচ্ছবি।

১৪ দলের লড়াই, সামনে আরও বড় স্বপ্ন
৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও যশোরের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানসহ সেনাসদর ও যশোর এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৪টি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে, কিন্তু বক্সিংয়ে সেনাবাহিনীর পথচলা এখানেই শেষ নয়।

বরং প্রতিটি প্রতিযোগিতা যদি নতুন বক্সার তৈরি করে, তাদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাঠানোর সুযোগ তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যায়, তাহলে বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা সম্ভব। রিংয়ে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জয় তাই এক দিনের সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি হতে পারে আরও বড় একটি স্বপ্নের সূচনা—যেখানে সেনাবাহিনীর রিং থেকে উঠে আসা বক্সাররা একদিন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে ফিরবেন, এমন প্রত্যাশাই এখন তৈরি হচ্ছে।

এমএএএমকে

পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: এমরান সালেহ প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘পাঠাগার আন্দোলনকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে। সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে, চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, মননশীল ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পাঠাগার আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।’

শনিবার (২৯ আগস্ট) হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হালুয়াঘাট সাধারণ পাঠাগারের সভাপতি মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আলিমুল ইসলাম, পাঠাগারের কর্মকর্তা হোসনে আরা নীলু, প্রভাষক খালেদুজ্জামান আউলিয়া, হেলালুজ্জামান,সাহাবুদ্দিন রতন  ও মোহাইমিনুল ইসলাম রবিন।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আজকের এই পুরস্কার শুধু একটি সনদ বা সম্মাননা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্বীকৃতি। একটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনই সাফল্যের শেষ নয়; বরং এটি আরও বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

তিনি বলেন, একটি পাঠাগার শুধু বই রাখার স্থান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, চিন্তা ও মনন বিকাশের কেন্দ্র। বই মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি করে, যুক্তিবোধ তৈরি করে, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে শেখায় এবং একজন মানুষকে মানবিক ও বিবেকবান হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে শিশু-কিশোর ও তরুণদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে নতুন প্রজন্মকে বের করে এনে বই, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সৃজনশীল জ্ঞানচর্চার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—প্রতিটি এলাকায় পাঠাগার, প্রতিটি ঘরে বই এবং প্রতিটি মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস।” শুধু শিশু-কিশোর নয়, তরুণ, মধ্যবয়স্ক ও প্রবীণ—সব বয়সের মানুষকে পাঠাগারমুখী করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে বই পড়ার সুযোগ পায়, সে উদ্যোগও নিতে হবে।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, একটি জাতির প্রকৃত অগ্রগতি শুধু অবকাঠামো নির্মাণে নয়; জ্ঞান, বিবেক, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরির মধ্যেই নিহিত। তাই একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পাঠাগার ও বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ, ক্রেস্ট ও উপহার তুলে দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (২৯ আগস্ট) মোকামতলা উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় নবগঠিত নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মীর শাহে আলম দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ই-রিকশা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। জনগণের প্রয়োজন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুপরিকল্পিত ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। চলমান অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দেশের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলো মাদক ঢুকাচ্ছে: এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করার জন্য আমরা (সরকার) শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমাদের দেশকে মেধাশূন্য করার জন্য আশপাশের দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তারা আমাদের ভাবমূর্তি, অর্জন ও মেধাকে ধ্বংস করে দিতে চক্রান্তে লিপ্ত। এজন্য তরুণ সমাজকে সতর্ক এবং সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষাকে যদি অগ্রাধিকার দিতে পারি তাহলে সমাজের অবক্ষয় থেকে মুক্ত থাকতে পারব।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের সদর ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় এসএসসিসহ সমমান পরীক্ষায় জিপি-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর সোসাইটির ব্যানারে শহরের টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন করা হয়।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, অভাব অনটনে আমরা এই বাংলাদেশ পরিচালনা করছি। একটা ধ্বংস্তুপের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের পর আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতের দিকে যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করছেন। একটি নকলমুক্ত পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম যেন চলে, সেটা আমাদের চ্যালেঞ্জের অংশ।

লক্ষ্মীপুর সোসাইটির সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপির সভাপতিত্বে এই আয়োজনে বিশেষ অতথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হানিফ মুরাদ, জেলা প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইউছুফ প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ