খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ, প্রস্তাব ঘিরে অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ, প্রস্তাব ঘিরে অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রশ্ন

বাংলাদেশের ফুটবল অঙ্গনে হঠাৎ করেই আলোচনায় এসেছে ব্রাজিলের সম্ভাব্য সফর। আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয় দলের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে ব্রাজিলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্রাজিলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাফুফের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছে। এমন প্রস্তাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। ম্যাচটি আয়োজনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তবে ব্রাজিলকে ঢাকায় এনে ম্যাচ আয়োজনের খরচ নিয়ে শুরু হয়েছে বড় প্রশ্ন। বিশেষ করে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার এ ধরনের ম্যাচের ব্যয়ভার বহন করবে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে ব্রাজিল-বাংলাদেশ ম্যাচ আয়োজনের মানসিকতা এই মুহূর্তে নেই। তাঁর মতে, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের বড় ধরনের ব্যয় রয়েছে। ফলে একটি ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করা বাস্তবসম্মত হবে না।

ভারতের কলকাতায় আগামী ৩ অক্টোবর ব্রাজিলের একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। ওই ম্যাচ আয়োজনেও বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বাংলাদেশে একই ধরনের একটি ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রেও বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে বাফুফে যদি স্পনসরদের মাধ্যমে ম্যাচের প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাফুফে সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর কথা হয়েছে। বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে এবং ব্যয়ভারসহ আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।

ব্রাজিলের পক্ষ থেকে ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্তও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের সফরের সব খরচ বহন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ফুটবলারের সঙ্গে একজন করে সহকারীও থাকবেন। তাঁদের যাতায়াতের খরচও আয়োজকদের বহন করতে হবে বলে বাফুফের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এদিকে ব্রাজিলের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বাংলাদেশ সফরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও এর মাধ্যমে দেশের ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আমিনুল হক।

তাঁর মতে, ব্রাজিল বাংলাদেশে এসে জাতীয় দলের বিপক্ষে খেললে সেটি নিঃসন্দেহে বড় অর্জন হবে। দেশের বিপুলসংখ্যক ব্রাজিল-সমর্থক ম্যাচটি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন এবং মানুষের প্রত্যাশাও পূরণ হবে। তবে শুধু এমন একটি ম্যাচ আয়োজন করলেই বাংলাদেশের ফুটবলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে—এমনটা মনে করেন না তিনি।

বাফুফের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ম্যাচটির আর্থিক দিক। সরকার সরাসরি বড় অঙ্কের অর্থ দিতে না চাইলে স্পনসর ও বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হবে কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

সব মিলিয়ে ব্রাজিলের বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত নয়। আলোচনা চলছে প্রাথমিক পর্যায়ে। ব্রাজিল সত্যিই ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে এসে খেলবে কি না, তা নির্ভর করছে অর্থায়ন, আনুষ্ঠানিক সমঝোতা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অনুমোদনের ওপর।

কালের আলো/এসএ

নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগ, নিখোঁজ ২৯১ বিদেশি পর্যটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগ, নিখোঁজ ২৯১ বিদেশি পর্যটক

নেপালে ভূমিকম্পের পর তুষারধস ও আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৩৮৪ জন, যাদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি পর্যটক।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে রসুয়া জেলায় ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয়। পরে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধসের কারণে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। রসুয়া ও নুওয়াকোট জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক, সেতু, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটকের মধ্যে ৯৩ জন নেপালি এবং ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়, ব্রিটিশ, মালয়েশীয়, দক্ষিণ আফ্রিকান, মার্কিন, অস্ট্রেলীয় ও ডাচ নাগরিক রয়েছেন। তবে ১১১ জনের জাতীয়তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

ফলে নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে নেপালের পাশাপাশি চীনের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও ভূমিধস ও বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। চীনের একটি সীমান্তবর্তী বাণিজ্য কেন্দ্রে ভূমিধসে হতাহতের খবর জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বাত্মক তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একই সঙ্গে দ্বিতীয় দফা দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় পর্যবেক্ষণ ও আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নেপাল ও চীন উভয় দেশেই দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে হাঙ্গেরির ‘বিষণ্নতার সাহিত্য’

শিল্প সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে হাঙ্গেরির ‘বিষণ্নতার সাহিত্য’

হাঙ্গেরির সাহিত্যে দীর্ঘদিন ধরে যে বিষণ্নতা, নিঃসঙ্গতা, বিচ্ছিন্নতা ও অস্তিত্বের সংকটের আবহ দেখা যায়, সেটিই এখন আন্তর্জাতিক পাঠকদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করছে। গত কয়েক দশকে অনূদিত হাঙ্গেরীয় সাহিত্যের মাধ্যমে এই বিশেষ সাহিত্যিক আবহ বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে।

হাঙ্গেরীয় সাহিত্যের এই প্রবণতাকে অনেক সময় ‘হাঙ্গেরিয়ান মেলানকলি’ বলা হয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে শেকড়হীনতা, একাকিত্ব, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ঐতিহাসিক সংঘাত ও অনিশ্চয়তার অনুভূতি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লেখকেরা শুধু হতাশা বা অন্ধকারের গল্প না বলে এর সঙ্গে আনন্দ, রসবোধ ও মানবিক অভিজ্ঞতাকেও যুক্ত করছেন।

এই ধারার আলোচিত লেখকদের মধ্যে রয়েছেন শান্দোর মারাই, মাগদা সাবো ও লাসলো ক্রাসনাহোরকাই। বিশেষ করে ক্রাসনাহোরকাইয়ের লেখায় দীর্ঘ, প্রায় অবিরাম বাক্য এবং ডিস্টোপিয়ান পরিবেশ আন্তর্জাতিক পাঠকদের কাছে হাঙ্গেরীয় সাহিত্যের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছে। ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁর লেখাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আগ্রহ আরও বেড়েছে।

তবে এই আগ্রহ শুধু হাঙ্গেরীয় ভাষায় লেখা বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সুইস লেখক নেলিও বিডারম্যানের Lázár উপন্যাসে হাঙ্গেরির ক্ষয়িষ্ণু অভিজাত সমাজের গল্প উঠে এসেছে। বইটি অন্তত ২৫টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ-কানাডীয় লেখক ডেভিড স্যালের Flesh উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রও একজন বিষণ্ন হাঙ্গেরীয় পুরুষ। বইটি ২০২৫ সালের বুকার পুরস্কার জিতেছে।

ফলে হাঙ্গেরির সাহিত্য এখন শুধু দেশটির নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ নয়; আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও পাঠকের বাজারেও এর প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে। অনুবাদের মাধ্যমে এসব বই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঠকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এবং হাঙ্গেরীয় সাহিত্যের প্রতি নতুন কৌতূহল তৈরি করছে।

এই জনপ্রিয়তার পেছনে দেশটির দীর্ঘ ইতিহাসেরও প্রভাব রয়েছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘাত, বিদেশি শাসন, যুদ্ধ ও সামাজিক অস্থিরতার অভিজ্ঞতা হাঙ্গেরীয় লেখকদের সাহিত্যিক ভাবনায় ছাপ ফেলেছে। সাহিত্য বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, এই ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা থেকেই বিচ্ছিন্নতা ও বিষণ্নতার বিশেষ আবহ তৈরি হয়েছে।

তবে হাঙ্গেরীয় সাহিত্যকে শুধু ‘বিষণ্নতার সাহিত্য’ হিসেবে দেখার বিষয়টি নিয়েও আপত্তি রয়েছে। দার্শনিক লাসলো ফোলদেনিই মনে করেন, বিষণ্নতা মানুষের গভীর আধ্যাত্মিক উপলব্ধির একটি পথ হতে পারে; এটিকে শুধু হাঙ্গেরীয় জাতির বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখলে সাহিত্যের ব্যাপ্তি সীমিত হয়ে যায়।

একুশ শতকের হাঙ্গেরীয় সাহিত্যে তাই বিষণ্নতার পাশাপাশি আনন্দ, ব্যঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা ও জীবনের প্রতি টানও উঠে আসছে। পেতের এস্তেরহাজি ও ইমরে কেরতেসের মতো লেখকদের কাজেও অন্ধকার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জীবনের ছোট ছোট আনন্দ ও মানবিক অনুভূতির উপস্থিতি দেখা যায়।

সব মিলিয়ে, বিশ্বসাহিত্যে হাঙ্গেরির নতুন করে উত্থান শুধু বিষণ্নতার গল্পের জনপ্রিয়তা নয়; বরং ইতিহাস, স্মৃতি, নিঃসঙ্গতা ও মানুষের বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষাকে ভিন্ন এক সাহিত্যিক ভাষায় তুলে ধরার সাফল্য। আর সেই কারণেই হাঙ্গেরীয় সাহিত্যের এই ‘বিষণ্নতা’ এখন বিশ্বের পাঠকদের কাছেও হয়ে উঠছে আগ্রহের বিষয়।

কালের আলো/এসএ

বিদ্যুৎখাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার চাপে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎখাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার চাপে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগের ও অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধকে বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের চাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তবে এ চাপ সত্ত্বেও বকেয়া শোধের পাশাপাশি বিদ্যুতের উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিধি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বগুড়ার শিবগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে বিগত দিনে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনা হয়েছিল, যার মূল্য সঠিক সময়ে পরিশোধ করা হয়নি। অর্থ ও বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া রেখে আগের স্বৈরাচার ও অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নিয়েছে। ফলে এই বকেয়া মেটানোর বড় দায় এসে পড়েছে বর্তমান সরকারের ওপর।

বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে আমরা বকেয়া পরিশোধের চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হবে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, বর্জ্য ও পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ওপর আমরা বিশেষ জোর দিচ্ছি।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে সব প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছি। ইউনিয়নের ভবন থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ডাকবাংলো, অডিটরিয়াম ও সিটি করপোরেশনের ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত ও সমন্বয় করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের হিসাব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দেশজুড়ে স্থানীয় সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হলে সরকারের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

এর আগে শিবগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মাহফুজের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাহফুজের উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং তাকে কৃত্রিম পা লাগিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনায় ২৩৩ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ