খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হজে গিয়ে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
হজে গিয়ে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। রোববার (৩০ মে) রাত ৩টা পর্যন্ত ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজী বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। একই সময়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৭ মৃত্যু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৬ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়।

বুলেটিন অনুযায়ী, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মক্কায় বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ (এনডিসি)-এর সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় করণীয়, আবাসন ও চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে প্রশাসনিক দলের সদস্য, চিকিৎসক এবং আইটি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

হজ বুলেটিনে বলা হয়, ৩০ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ফিরতি ফ্লাইট (এসভি-৫৮০৬) স্থানীয় সময় রাত ২টা ৪ মিনিটে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৪৫ জন হাজী নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে। ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

দেশে ফেরা ৬ হাজার ১৭৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৭৫৯ জন রয়েছেন।

ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ হাজার ১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১ হাজার ৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩ হাজার ৩০০ জন হাজী পরিবহন করেছে।

এ পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪টি এবং ফ্লাইনাস ৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে সৌদি আরবে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। মক্কায় ২৭ জন এবং মদিনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ১৭৬ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ২৬ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:০৬ অপরাহ্ণ
ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

ঈদুল আজহার ছুটির শেষ দিনেও রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকেই পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে হাজারো মানুষ ভিড় করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই বিনোদনকেন্দ্রে।

বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ, জেব্রা, ভাল্লুক, বানর ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখতে শিশু থেকে বয়স্ক সবার মধ্যেই ছিল ব্যাপক আগ্রহ। প্রাণীদের এক ঝলক দেখার জন্য বিভিন্ন খাঁচার সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতেও দেখা যায় দর্শনার্থীদের।

রোববার (৩১ মে) সরেজমিনে জাতীয় চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা যায়, প্রবেশ ফটক থেকে শুরু করে ভেতরের প্রায় প্রতিটি অংশেই মানুষের ভিড়। ছুটির শেষ দিন হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। শিশুদের হাত ধরে বাবা-মা, দলবেঁধে আসা তরুণ-তরুণী এবং পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো চিড়িয়াখানা।

বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে প্রাণীটিকে দেখছিলেন মোহাম্মদপুর থেকে আসা তরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাচ্চাদের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল চিড়িয়াখানায় আসার। ঈদের ছুটির শেষ দিন হওয়ায় তাদের নিয়ে চলে এসেছি। বাঘ ও সিংহ দেখেই তারা সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছে।

হাতির আবাসস্থলের সামনে দেখা যায় শিশুদের উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি। বাবা-মায়ের কাঁধে চড়ে কিংবা হাত ধরে দাঁড়িয়ে তারা বিশাল আকৃতির প্রাণীটিকে দেখছে। মিরপুর থেকে আসা সুরাইয়া আক্তার বলেন, আমার ছেলে বইয়ে হাতি দেখেছে, টেলিভিশনেও দেখেছে। কিন্তু সামনে থেকে দেখে ওর আনন্দের শেষ নেই।

জিরাফের খাঁচার সামনেও ছিল মানুষের ভিড়। লম্বা গলা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণীটিকে দেখে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন অনেকেই। গাজীপুর থেকে আসা মাবরুর মুন্তাসির বলেন, জিরাফ সব সময়ই আমার পছন্দের প্রাণী। বাচ্চাদের নিয়েও এখানে এসেছি। ওরাও খুব আনন্দ পাচ্ছে।

চিড়িয়াখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, সিংহের খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। অনেকেই সিংহের চলাফেরা দেখার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। প্রাণীটি একবার গর্জন করলে শিশু-কিশোরদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি হয়।

পাখির অভয়ারণ্যেও ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। ময়ূর, টিয়া, কাকাতুয়া ও বিভিন্ন বিদেশি প্রজাতির পাখি দেখতে আগ্রহী ছিলেন অনেকে। রামপুরা থেকে আসা মুনিয়া রহমান বলেন, পাখিগুলো খুব সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে ময়ূর দেখার জন্যই আমি এখানে বেশি সময় কাটিয়েছি।

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ঈদের ছুটিতে ঢাকায় খুব বেশি ঘোরাঘুরির সুযোগ থাকে না। তাই বন্ধুরা মিলে চিড়িয়াখানায় এসেছি। অনেক দিন পর এসে বেশ ভালো লাগছে।

দুপুর ১১টা পর দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে। টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। বিভিন্ন খাঁচার সামনে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে দেখা যায়। তবে ভিড় নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তাকর্মী ও আনসার সদস্যদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা নাজমা বেগম বলেন, এখনকার শিশুরা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কাটায়। বাস্তবে পশুপাখি দেখানোর জন্য সন্তানদের এখানে নিয়ে এসেছি। তারা প্রাণীগুলো দেখে অনেক কিছু জানতে পারছে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমান জানান, ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শনার্থী এসেছে। আজ ছুটির শেষ দিনেও মানুষের উপস্থিতি সন্তোষজনক। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গতকাল ১ লাখের বেশি দশর্নার্থী এসেছিল, তার আগেরদিন ৮০ হাজার মত, ঈদেরদিন ১৬ হাজার মত। তবে আজ সবচেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি : ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমাদের ইরানে যাওয়া উচিত হয়নি, তবে ইরানের সক্ষমতা আছে।

তিনি বলেন, আমরা যদি ৯ মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে এখন তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকত এবং পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন হতো। তখন হয়তো ইসরায়েল থাকত না, এমনকি পুরো মধ্যপ্রাচ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠে যেত। এরপর তারা কোথায় যেত?’

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

 ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছিল ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ এবং সেখানে মার্কিন সেনাদের যাওয়া উচিত ছিল না। ‘ইরাকে কী ঘটেছে তা দেখুন। আমরা খুব খারাপ করেছি। আমরা বোকামি করেছি। সেখানে আমাদের যাওয়া উচিত ছিল না।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে বড় ধরনের আঘাত থেকে রক্ষা করেছে।

এখনও অনিশ্চিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তি

তিনি বলেন, ‘তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা কিছুটা আলাদা রেখেছি, কারণ আমরা মনে করি তাদের সেনাবাহিনী কিছুটা মধ্যপন্থী। কিন্তু তাদের ভেতরে আরও কিছু গোষ্ঠী আছে। আমরা তাদের লক্ষ্য করেছি। বিভিন্ন নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি। তবে তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা সত্যিই আঘাত করিনি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘মানুষ এটা শুনে অবাক হতে পারে, কারণ যুদ্ধে অনেক সময় ভুল হয় যেখানে সবাইকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আর তখন একটি দেশ ৪০ বছরেও পুনর্গঠিত হতে পারে না।’

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে আর কোনোভাবেই অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে।’

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান সরকার গত এক মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার ঝুলে থাকা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের বিষয়টি শিগগিরই সমাধান করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাদেশের অপরাধচিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু সলিমপুর নয়, সারা দেশে চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। কেউ যদি জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদের ভয় দেখায় কিংবা চাঁদা দাবি করে, তবে সরাসরি নাম উল্লেখ করে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিন। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।’

পরিদর্শনের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ভূমিপ্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী,পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী চট্টগ্রামের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা সভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। সেই ঘটনার পর গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের একটি যৌথ অভিযানে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রশাসন এবং আলীনগরে একটি অস্থায়ী যৌথ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

সর্বশেষ গত ২৪ মে দিবাগত গভীর রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকশ সশস্ত্র অপরাধী ভারী বুলডোজার নিয়ে সেই যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পথ রুদ্ধ করতে ভেতরের সড়ক কেটে বড় বড় গর্ত করে রাখে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক গুলিবিনিময়ের পর হামলাকারীরা পাহাড়ের গভীরে পালিয়ে যায়। এই হামলার ঘটনায় গত ২৬ মে সীতাকুণ্ড থানায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ প্রায় ৩০০ অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মামলা হয়।

কালের আলো/এসএকে