খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কেউ ৬ বছর, কেউ ১০ বছর—কর্মস্থলে অনুপস্থিত ২০ চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
কেউ ৬ বছর, কেউ ১০ বছর—কর্মস্থলে অনুপস্থিত ২০ চিকিৎসক

 

রংপুর বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে অন্তত ২০ জন চিকিৎসক বছরের পর বছর ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। কেউ বিদেশে বসবাস করছেন, কেউ বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখছেন, আবার কারও অবস্থানই জানেন না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী দুই মাসের বেশি অনুমোদনহীন অনুপস্থিতির কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ছয় থেকে ১০ বছর পার হলেও হয়নি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা। ফলে পদগুলো কার্যত আটকে থাকায় নতুন চিকিৎসক নিয়োগও দেওয়া যাচ্ছে না। এতে স্বাস্থ্যসেবা সংকট বাড়ছে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে।

জানা গেছে, দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৪২টি। সেখানে কাগজে-কলমে কর্মরত রয়েছেন ১৯ জন। তবে নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন মাত্র ১৪ জন চিকিৎসক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল অফিসার ডা. শাহেদুর রহমান ২০১৯ সালের ১৩ জানুয়ারি, ডা. আব্দুল কাদের তালুকদার একই বছরের ৫ মার্চ এবং ডা. আবু সাদাত মো. সায়েদ শরীফ ২৬ এপ্রিল থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. লুৎফুল কবীর বলেন, আমি যোগদানের পর থেকেই ওই তিন চিকিৎসককে কর্মস্থলে পাইনি। তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। তাদের কোনো খোঁজখবরও পাওয়া যায়নি।

তবে অনুসন্ধান বলছে, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ডা. আব্দুল কাদের তালুকদার বর্তমানে রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় তার মালিকানাধীন তালুকদার হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছেন।

কেন সরকারি কর্মস্থলে যাচ্ছেন না, এ প্রশ্নে ডা. আব্দুল কাদের তালুকদার বলেন, আমাকে দূরে বদলি করা হয়েছিল। পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। এজন্য আর সেখানে যাইনি। এখন সরকার চাইলে যে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে।

অন্যদিকে ডা. শাহেদুর রহমানের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি বোদা উপজেলা হাসপাতাল ও পঞ্চগড় জেলা সিভিল সার্জন অফিস। কর্মস্থলে দেওয়া তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে।

আরেক চিকিৎসক ডা. আবু সাদাত মো. সায়েদ শরীফ পাভেল প্রায় ছয় বছর আগে সপরিবারে কানাডায় চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।

ডা. শরীফের বোনজামাই ও দেবীগঞ্জ উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বলেন, শরীফ প্রায় ছয় বছর আগে পরিবার নিয়ে কানাডায় চলে গেছে। বর্তমানে সেখানেই আছে।

শুধু পঞ্চগড় নয়, একই চিত্র রংপুর বিভাগের অন্যান্য জেলাতেও। দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. অনন্যা রায় প্রায় ১০ বছর ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তিনি বর্তমানে পরিবারসহ জাপানে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আ.ন.ম. কায়সার আনামও ছয় বছর ধরে কর্মস্থলে নেই। স্বজনদের ভাষ্য, তিনি বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন।

ডা. আনামের চাচা কামাল তৌফিকুল ইসলাম বলেন, করোনার সময়ের পর তিনি লন্ডনে গেছেন। আমরা যতটা জানি, আনাম চাকরি থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিদেশে গেছেন।

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আসাদুজ্জামান আসাদ প্রায় এক বছর ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে ঢাকার সিকেডি ইউরোজলি হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পারিবারিক কারণে ঢাকায় আছি। প্রয়োজন হলে চাকরি ছেড়ে দেব।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালেও দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন চিকিৎসক।

সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া দুই মাসের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ওয়াজেদ আলী বলেন, বিভাগে প্রায় ২০ জন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।

তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জানানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. জহিদ রায়হান বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এত দীর্ঘ সময়েও কেন চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে একদিকে যেমন রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবেন,

অন্যদিকে শূন্য পদ সৃষ্টি না হওয়ায় নতুন চিকিৎসক নিয়োগও সম্ভব হবে না। ফলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সংকট আরও গভীর হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রংপুর মহানগরের সভাপতি অ্যাডভোকেট জোবায়দুল ইসলাম বুলেট বলেন, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে এসব চিকিৎসক রাষ্ট্রীয় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ফৌজদারি ব্যবস্থাও নেওয়া উচিত।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

Oplus_131072

আগামীতে সরকারের ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের তদারকিতে এবার ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্ব-স্ব মন্ত্রীদের অফিস এবং আইএসে এই ড্যাশবোর্ড থাকবে। প্রতিদিন প্রতিটি প্রকল্পের মুভমেন্ট কী হচ্ছে, তা সরকার সরাসরি মনিটর করবে। কোথাও কাজের গতি থমকে গেলে বা ল্যাপস হলে সঙ্গে সঙ্গে ড্যাশবোর্ডে তা ফ্ল্যাশ করবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে এর জবাবদিহি করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার ডেট বা ঋণ বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। এতে ফিসক্যাল স্পেস (আর্থিক সক্ষমতার জায়গা) সংকুচিত হয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও আগামীতে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাজেটের শতভাগ না হলেও অন্তত ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।

কালের আলো/এসএকে

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৯ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হামে নয় জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৯৩ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০ হাজার ৪৯৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬০৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

‘রিকশায় চড়া অনেকেই এখন প্রাডোতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
‘রিকশায় চড়া অনেকেই এখন প্রাডোতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন’

আগে রিকশায় চড়তেন, এমন অনেকেই এখন প্রাডোতে (দামী গাড়ি) চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি, আমি নিজেও করেছি। আমাদের এখানে যারা আছেন অনেকেই জুলাই যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরা করেছেন। অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন। কিন্তু, আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না, আমরা জুলাইকে ধারণ করি। জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় না।

তিনি বলেন, অনেকেই রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়েন আর জুলাই চেতনা বিক্রি করেন। আমি যে গাড়িতে চড়তাম সেই গাড়িটি নির্বাচনের সময় অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে, আমি এখনো সেই গাড়িতেই চড়ি। যারা জুলাই চেতনা বিক্রি করেন, আমি অনুরোধ করবো উনারা আগে কিসে চড়তেন আর এখন কিসে চড়েন, কোন বাসায় থাকেন, উনারা যেন মাঝেমধ্যে লাইভ করেন কোন বাসায় থাকেন ৷ একটু লাইভ করলেই জাতি দেখতো উনাদের কী (অবস্থা) এখন, আগে কোথায় ছিলেন এখন পরিবর্তনটা কী রকম হয়েছে।

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, চিকিৎসা- আপনি দেখবেন সামাজিক সুরক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়- আমরা এই দেশটিকে সিঙ্গাপুর, কানাডা বানাতে চাই। এই বাজেটে বিনিয়োগকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে দেশি- বিদেশি বিনিয়োগকে। কর ছাড়ের সুযোগ নিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিনিয়োগ করেন।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, সঠিক নেতৃত্ব, দূরদর্শী নেতৃত্ব একমাত্র তারেক রহমান। মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা যেমন মুক্তিযুদ্ধ ধারণ করি, আমরা জুলাইও ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধের পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান যখন এ দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, এই দেশটিকে অর্থনীতির মুক্তির জন্যে তিনি দেশপ্রেমের উজ্জ্বল সততা, আদর্শের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। আমরা স্বাধীনতাকে জুলাই দিয়ে মুছতে চাই না, আমরা স্বাধীনতাকে অন্তরে ধারণ করি, জুলাইকেও অন্তরে ধারণ করি।

কালের আলো/এসএকে