খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, ফিরলেন ২৯,৬৯৪ হাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, ফিরলেন ২৯,৬৯৪ হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ২৯,৬৯৪ জন বাংলাদেশি হাজি। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ বুলেটিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।

এ বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন এবং মদিনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০ জন পুরুষ এবং ১৬ জন নারী।

ফেরত আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফিরেছেন ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ২৬ হাজার ৩৬৬ জন।

এ পর্যন্ত বিভিন্ন এয়ারলাইনের মাধ্যমে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১১ হাজার ৩৩১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনস ৬৮২ জন।

হজ চলাকালীন এবং পরে সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৩১২টি চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৭১০টি সেবা প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৬২ জন হজযাত্রী। বর্তমানে ২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ফিরতি ফ্লাইট চলবে। এরপর পুরো হজযাত্রী প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম শেষ হবে।

নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএকে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেড় ঘণ্টা

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেড় ঘণ্টা

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি তুরস্কের অর্থায়নে পরিচালিত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৩২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে তিনি উখিয়ার বালুখালী এলাকার ৯, ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

এর আগে দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারে পৌঁছান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি বালুখালী ৯ নম্বর ক্যাম্পে যান এবং সেখানে তুরস্কের সহায়তায় পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে ক্যাম্প প্রশাসন ও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে হাকান ফিদান বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, একদিন রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও মর্যাদার অধিকার নিয়ে নিরাপদে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারবে।

পরে প্রতিনিধি দল ১৭ নম্বর ক্যাম্পে তুরস্ক রেড ক্রিসেন্ট ও তুরস্ক দিয়ানাত ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন করে। এরপর ১৬ নম্বর ক্যাম্পে অবস্থিত তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা সংস্থা টিকা পরিচালিত মাল্টিপারপাস এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার ঘুরে দেখেন তারা।

সেখানে রোহিঙ্গা শিশু-কিশোরদের শিক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত হন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তারা।

সফরকালে রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মাঠপর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও বাস্তব পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে অবহিত হন তিনি।

প্রায় দেড় ঘণ্টার পরিদর্শন শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিনিধি দলটি ক্যাম্প ত্যাগ করে কক্সবাজারে ফিরে যায়। পরে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। পুরো সফর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে তুরস্ক বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ময়মনসিংহে ৩০ মিনিটের ঝটিকা পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, অনিয়ম দেখে কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা-তিরস্কার

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে ৩০ মিনিটের ঝটিকা পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, অনিয়ম দেখে কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা-তিরস্কার

ময়মনসিংহ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ.জেড. এম জাহিদ হোসেন। নেমপ্লেটে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার থেকে শুরু করে অফিসের দায়িত্বে অবহেলার নানা চিত্র দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভর্ৎসনা করেন তিনি।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউসে পৌঁছানোর পর মন্ত্রী নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি শিশু সদন (বালক) পরিদর্শন করেন। পরে আকুয়া এলাকায় সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) পরিদর্শন শেষে সেখানে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

আলোচনা সভায় সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এতিম, অসহায় ও পথশিশুদের সুরক্ষা এবং মানবিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। শিশুদের জন্য নিরাপদ ও আধুনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি শিশু সদনগুলোকে আরও উন্নত ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি শিশুদের প্রতি আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী শিশু সদনের আবাসন ব্যবস্থা, খাবারের মান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাসহ সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের লেখাপড়া, খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এরপর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) পরিদর্শন শেষে সফরসূচি অনুযায়ী ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী এডওয়ার্ড স্কুলের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হোস্টেলে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি আকস্মিকভাবে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রায় ৩০ মিনিটের ঝটিকা পরিদর্শনে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা তার নজরে আসে।

পরিদর্শনকালে তিনি কার্যালয়ের ফিজিওথেরাপি বিভাগের সামনে ‘ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ শরীফ আহমেদ আওয়াল’ এবং ‘ডাঃ গোলাম মোস্তফা’ নামে দুটি নেমপ্লেট দেখতে পান। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই নেমপ্লেট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া নামের আগে ‘ডাক্তার’ শব্দ ব্যবহার করার সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিতে থেকে নিয়ম না জানা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ফিজিওথেরাপি কক্ষে এক কর্মচারীকে রোগীর বেডে শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখে মন্ত্রী আরও ক্ষুব্ধ হন। তিনি কর্মচারীর উদ্দেশে বলেন, আপনি এখানে কী করছেন?আপনি কি মোবাইলে জুয়া খেলছেন? আপনাদের কি কেউ তদারকি করেনা। এখানের (জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক) ডিডি কোথায়?

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় সেখানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বর্তমান বিভাগীয় কার্যালয়ের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ভাড়া গুনতে হয়। সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের দুটি কক্ষ গেস্ট হাউস হিসেবে রেখে বাকি অংশে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এডওয়ার্ড স্কুলের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হোস্টেল পরিদর্শন করেন এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা ও আবাসিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. রাজু আহমেদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কায়কোবাদ মামুন, ড্যাব নেতা ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিলসহ সমাজসেবা ও শিশু সদনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কালের আলো/এম/এএইচ 

দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে শুক্রবার (৫ জুন) ফেরি করবীতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এই ঘটনায় কারণ উদঘাটন ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৫ জুন) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের আদেশে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ রফিকুল করিম এনডিসি। এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)-এর একজন করে প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. জাকির হোসেন সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তদন্ত কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা ও সুপারিশ প্রণয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতামত প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি