খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন,  গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে রাষ্ট্র ও ক্ষমতা সবসময় জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে এবং এর সুফল দেশের মানুষ পাবে। গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল জায়গায় দাঁড় করানোর জন্য সঠিক নীতিমালা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী ফোরাম থাকা প্রয়োজন।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৪ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। ৫১ বছর পর সেই কালো দিবসের স্মরণে ফিরে তাকালে অতীত ও বর্তমানের সংকটকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। তৎকালীন রাষ্ট্র গণমাধ্যমের প্রতি কর্তৃত্ববাদী আচরণ করলেও বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানে অংশীদার হিসেবে কাজ করতে চায়।’

বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে প্রতিনিয়ত অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত তথ্য তৈরি হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তা মুহূর্তেই কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের নামে ভুয়া তথ্য ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। তাই শুধু অতীতের সংকট নিয়ে আলোচনা না করে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

গণমাধ্যমকে একটি সুসংহত কাঠামোর মধ্যে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার স্বাধীনতা দিলেও মালিকপক্ষ যদি সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, ন্যায্য বেতন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না করে, তাহলে সংকট কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র কেবল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বসে থাকতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

গণমাধ্যম খাতের সার্বিক সমস্যা সমাধানে একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আগামী ১৮ জুন অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সম্পাদক পরিষদ, অ্যাটকো এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই বিএফইউজে, ডিইউজে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আয়োজন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান যুগে গণমাধ্যমের সংকট ও চ্যালেঞ্জ অতীতের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের ফলে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে গভীর উপলব্ধি নিয়ে উদ্ভাবনী সমাধান বের করতে হবে।’

নাগরিক সাংবাদিকতার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ বিষয়ে আইন ও নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও প্রিন্ট, টেরিস্ট্রিয়াল, ডিজিটাল ও স্যাটেলাইটসহ সব ধরনের গণমাধ্যমকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের প্রচলিত আইন মেনে কর্মীদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সৎ ও সৃজনশীল গণমাধ্যম উদ্যোক্তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রণোদনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সবার সম্মিলিত উদ্যোগে বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা সম্ভব হলে তা ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ডিইউজের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

কালের আলো/এসআর/এএএন

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় ওই সব এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এ পরিস্থিতিতে ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়ার সময় নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে এবং নদীবন্দরগুলোকে সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের তালিকায় শীর্ষে নয়া দিল্লি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, বায়ু দূষণের তালিকায় শীর্ষে নয়া দিল্লি

বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লি। বায়ুমান সূচকে এই শহরের স্কোর ১৮৯। তালিকায় ১৬তম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। আজ বায়ুর মান সূচকে ঢাকার স্কোর ৯৪, যা ‘মাঝারি বা

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এ তথ্য দেখা যায়।

বায়ুদূষণে এদিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা, যার স্কোর ১৫৮। ১৫৩ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। চতুর্থ স্থানে ১৩১ স্কোর নিয়ে তালিকায় অবস্থান করছে ভারতের আরেক শহর কলকাতা। উগান্ডার রাজধানী কামপালা ১২১ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানদের সামনে নিজেকে ‘বস’ দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানদের সামনে নিজেকে ‘বস’ দাবি ট্রাম্পের

ফ্রান্সে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে বসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, তিনিই ‘বস’। জি৭-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রধানেরা সবাই সেখানে ছিলেন।

বিশ্ব অর্থনীতির নিরাপত্তা বিষয়ক একটি অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছিল অভ্য়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে। তাতে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রনেতাদের সামনে ট্রাম্প নিজেকে ‘বস’ বলে দাবি করেন।

তবে কিসের প্রেক্ষিতে তার এই মন্তব্য, তা খোলসা করেননি। উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারাও কেউ তার কোনও প্রতিবাদ করেননি। বরং, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে এতদিন যে ইউরোপের নেতারা ট্রাম্পের সমালোচনা করছিলেন, তারাও এবার সুর নরম করেছেন।

জি৭ বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এ ছাড়া, ট্রাম্পের ঘোষণার সময় অধিবেশন কক্ষে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

গত সোমবার (১৫ জুন) থেকে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলন শুরু হয়েছে। তা চলে ১৭ জুন (বুধবার) পর্যন্ত। ইতিমধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠক হয়েছে।

জি৭ সদস্যরাষ্ট্রগুলি একটি যৌথ বিবৃতিও দিয়েছে। বুধবারের অধিবেশনের আলোচ্য বিষয় ছিল দুষ্প্রাপ্য খনিজ এবং অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের বিষয়েও জি৭ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তার পরেই নিজেকে ‘বস‌্’ বলে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করেছিল। তাতে মৃত্যু হয় সেদেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। তার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত তীব্র হয়েছে। ওই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইরান।

সেই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালিতে পণ্য পরিবহণেও বাধা সৃষ্টি করে। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিল ইউরোপের একাধিক দেশ।

হরমুজ খোলার বিষয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প তাদের সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু ইউরোপের বেশির ভাগ শক্তিধর দেশই পিছিয়ে গিয়েছিল।

ট্রাম্পও প্রকাশ্যে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বার বার। জি৭ বৈঠকে তার বিপরীত চিত্র দেখা গেল। এমনকি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎজ মঙ্গলবার ট্রাম্পকে একটি ফুটবল জার্সি উপহার দেন। জার্সির নম্বর ছিল ৪৭।

ইউরোপের এই সুর বদলের নেপথ্যে রয়েছে ট্রাম্পের ইরান চুক্তি। সময় বদলেছে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা সমঝোতার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে রোববার গভীর রাতে।

আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে খাতায়কলমে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে আমেরিকার নীতি নিয়েও ইউরোপে ক্ষোভ ছিল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলাদা করে ট্রাম্পের বৈঠক না-হলেও জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ছিলেন। সেখানে অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল রাশিয়া।

এই সংঘাতে আগের চেয়ে ইউক্রেনের অবস্থানের উন্নতি হয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বৈঠকের পর বলেন, আমেরিকা এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান বদলেছে। রাশিয়ার প্রতি তাদের অবস্থান কঠোর হয়েছে। আমার মতে, তা যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ