খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানদের সামনে নিজেকে ‘বস’ দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপের রাষ্ট্রপ্রধানদের সামনে নিজেকে ‘বস’ দাবি ট্রাম্পের

ফ্রান্সে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে বসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, তিনিই ‘বস’। জি৭-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রধানেরা সবাই সেখানে ছিলেন।

বিশ্ব অর্থনীতির নিরাপত্তা বিষয়ক একটি অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছিল অভ্য়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে। তাতে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রনেতাদের সামনে ট্রাম্প নিজেকে ‘বস’ বলে দাবি করেন।

তবে কিসের প্রেক্ষিতে তার এই মন্তব্য, তা খোলসা করেননি। উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারাও কেউ তার কোনও প্রতিবাদ করেননি। বরং, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে এতদিন যে ইউরোপের নেতারা ট্রাম্পের সমালোচনা করছিলেন, তারাও এবার সুর নরম করেছেন।

জি৭ বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এ ছাড়া, ট্রাম্পের ঘোষণার সময় অধিবেশন কক্ষে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।

গত সোমবার (১৫ জুন) থেকে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলন শুরু হয়েছে। তা চলে ১৭ জুন (বুধবার) পর্যন্ত। ইতিমধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠক হয়েছে।

জি৭ সদস্যরাষ্ট্রগুলি একটি যৌথ বিবৃতিও দিয়েছে। বুধবারের অধিবেশনের আলোচ্য বিষয় ছিল দুষ্প্রাপ্য খনিজ এবং অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের বিষয়েও জি৭ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তার পরেই নিজেকে ‘বস‌্’ বলে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করেছিল। তাতে মৃত্যু হয় সেদেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। তার পর থেকেই পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত তীব্র হয়েছে। ওই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইরান।

সেই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালিতে পণ্য পরিবহণেও বাধা সৃষ্টি করে। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিল ইউরোপের একাধিক দেশ।

হরমুজ খোলার বিষয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প তাদের সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু ইউরোপের বেশির ভাগ শক্তিধর দেশই পিছিয়ে গিয়েছিল।

ট্রাম্পও প্রকাশ্যে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বার বার। জি৭ বৈঠকে তার বিপরীত চিত্র দেখা গেল। এমনকি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎজ মঙ্গলবার ট্রাম্পকে একটি ফুটবল জার্সি উপহার দেন। জার্সির নম্বর ছিল ৪৭।

ইউরোপের এই সুর বদলের নেপথ্যে রয়েছে ট্রাম্পের ইরান চুক্তি। সময় বদলেছে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা সমঝোতার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে রোববার গভীর রাতে।

আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে খাতায়কলমে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে আমেরিকার নীতি নিয়েও ইউরোপে ক্ষোভ ছিল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলাদা করে ট্রাম্পের বৈঠক না-হলেও জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ছিলেন। সেখানে অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল রাশিয়া।

এই সংঘাতে আগের চেয়ে ইউক্রেনের অবস্থানের উন্নতি হয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বৈঠকের পর বলেন, আমেরিকা এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান বদলেছে। রাশিয়ার প্রতি তাদের অবস্থান কঠোর হয়েছে। আমার মতে, তা যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছাপানো নোটের তীব্র সংকট

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
ছাপানো নোটের তীব্র সংকট

কোরবানির ঈদে ছাপানো টাকার চাহিদা অনেক বেড়েছিল। চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়। তবে টাকশাল দিতে পেরেছে অর্ধেকেরও কম। আবার ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ বেড়ে সংকট বেড়েছে। ঈদের পর শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ছাপানো নোটের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঈদ-পরবর্তী সময়ে অর্থ পুনরায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসার মাধ্যমে তারল্য ও মুদ্রা সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে।

সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না। ছাপানো নোটের সংকট আর তারল্য সংকট এক না। সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে ছাপা নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়। এতে করে চাহিদার সঙ্গে জোগানে বড় পার্থক্য তৈরি হয়ে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ব্যাংকাররা আরও জানান, ছাপা নোটের বড় একটি অংশ ব্যবসায়িক কাজে কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মানুষের কাছে থাকে। আর সারাদেশে ব্যাংকগুলোর ১২ হাজারের মতো শাখার ভল্টে থাকে ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিনিময় করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট ও সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখার কাছে থাকে ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব হলো বাজার থেকে প্রতিনিয়ত পুরোনো, ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগ বা ময়লাযুক্ত টাকা তুলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকে জমা দেওয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প-পেজেশকিয়ান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রথম ধাপ হিসেবে ইসলামাবাদ মেমোর‌্যান্ডম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে (ইসলামাবাদ এমওইউ) ভার্চুয়ালি স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ভার্চুয়ালি স্বাক্ষরের এ তথ্য ইরান ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে। খবর ইরনা, রয়টার্স ও সিএনএনের।

শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি৭ সামিটের সম্মেলন উপলক্ষে বর্তমানে ফ্রান্সে আছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) রাজধানী প্যারিসের ভার্সাইলিস প্রাসাদে নৈশভোজের আগে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার পাশে ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাজধানী তেহরানে নিজ দপ্তরে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানও। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ইরনা সেই চুক্তি স্বাক্ষরের ছবিও প্রকাশ করেছে।

১৪টি পয়েন্ট সম্বলিত ইসলামাবাদ এমওইউ খুব সংক্ষিপ্ত একটি সমঝোতা চুক্তি, কিন্তু এর তাৎপর্য ব্যাপক। কারণ মাত্র ৮০০ শব্দের এই চুক্তিটিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কয়েক দশকব্যাপী উত্তেজনা প্রশমণের প্রাথমিক বার্তা এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে এগোনোর পথ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্পকে ঘিরে টানাপোড়েনের জেরে টানা ৪০ দিন ধরে সংঘাত এবং তারপর যুদ্ধবিরতির নামে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে স্থবির অবস্থার পর গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে নতুন এই চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

গত ৬ মে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছিলেন, আমরা একটি সমঝোতা চুক্তির খসড়া ইরানের কাছে পাঠিয়েছি, আশা করছি শিগগিরই একটা মীমাংসায় আমরা পৌঁছাতে পারব।

ইসলমাবাদ এমওইউ স্বাক্ষরের ফলে প্রস্তাবিত স্থায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা, সেই চুক্তির বক্তব্য ও শর্ত নির্ধারণ, ইরানের পরমাণু প্রকল্প, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রভৃতি ইস্যুতে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময় পাচ্ছে ওয়াশিংটন এবং তেহরান।

এই ৬০ দিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে অবাধে চলাচল করতে দেবে ইরান; তার পরিবর্তে ইরানের বন্দরগুলো থেকে অবরোধ তুলে নেবে মার্কিন বাহিনী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বাঁধার পর থেকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আছে পাকিস্তান। গতকাল সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, অবিলম্বে চুক্তির শর্তগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় ওই সব এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এ পরিস্থিতিতে ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়ার সময় নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে এবং নদীবন্দরগুলোকে সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ